শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৪ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট আগে

মুখ স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে তরুণীকে ধর্ষণ করল ৭ লম্পট

অনলাইন ডেস্ক

মুখ স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে তরুণীকে ধর্ষণ করল ৭ লম্পট

গার্মেন্ট ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হেয়েছেন এক তরুণী। তাকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ বেঁধে রাতভর ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার জামপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবাওগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন ওই তরুণী।

ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান। পরে ওই গার্মেন্ট কর্মীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই তরুণী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রূপগঞ্জে গার্মেন্ট ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার জন্য গাউছিয়া যাওয়ার জন্য একটি লোকাল বা পাবলিক সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। ওই সময়ে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তি পেছনের সিটে বসা ছিল।

গাউছিয়া যাওয়ার পর ওই গার্মেন্ট কর্মী সিএনজি থেকে নামতে চাইলে পেছনের সিটে বসা জাহাঙ্গীর তাকে বাধা দেয়। পরে চালককে সিএনজিটি দ্রুত গতিতে তালতলার দিকে চালিয়ে যেতে বলে। চালক জাহাঙ্গীরের কথা মতো গাড়িটি চালিয়ে যায়।

এসময় ওই গার্মেন্ট কর্মীর মুখে সাদা রঙের স্কচটেপ লাগিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তালতলা এলাকায় হালিম মিয়ার ঘরে নিয়ে আটকে রাখে তাকে। ওই সময় হালিম মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। পরে ব্রাহ্মণবাওগা গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ, রেহাজউদ্দিনের ছেলে ইমরান, নবি হোসেনের ছেলে রনি, আবু সিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন, ভট্টু মিয়ার ছেলে মাসুদ, আমির হোসেনের ছেলে আরিফ ও সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর ওই গার্মেন্ট কর্মীকে রাতভর ধর্ষণ করে।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে হালিম মিয়া বাড়িতে এসে এ ঘটনা দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে।

তবে, এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরিফ ও জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ অসুস্থ অবস্থায় ওই গার্মেন্ট কর্মীকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। দুপুরে এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় ওই গার্মেন্ট কর্মী বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আহসানউল্লাহ জানান, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুজন পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গণধর্ষণের ঘটনার মামলা হয়েছে বলে জানান সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য