শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০১ ঘণ্টা ০৬ মিনিট আগে

আবরার হত্যায় বিবৃতি, জাতিসংঘ দূতকে তলব

অনলাইন ডেস্ক

আবরার হত্যায় বিবৃতি, জাতিসংঘ দূতকে তলব

‘অবাধ মতপ্রকাশের অভিযোগে বুয়েটের এক তরুণ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘ নিন্দা জানাচ্ছে’ আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর এমন বিবৃতির কারণে তাকে ডেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সরকার।

আজ রোববার সকালে মিয়া সেপ্পোকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (জাতিসংঘ অনুবিভাগ) মহাপরিচালক নাহিদা সোবহানের দপ্তরে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

একই ইস্যুতে যুক্তরাজ্য হাইকমিশন তাদের ফেসবুক পেজে বিবৃতি দেওয়ায় গত ১০ অক্টোবর ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসনকে ডেকে পাঠায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মিয়া সেপ্পোকে ডেকে কী বলা হয়েছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আবরার হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের সমন্বয়কারীর ঢাকা দপ্তর থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, সেটি মোটেও ঠিক হয়নি। কারণ, সরকার এখানে মতপ্রকাশ বা মুক্তচিন্তাকে প্রতিহত করেনি। তা ছাড়া এ বিষয় নিয়ে সরকার ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সরকার মনে করে, এটি (বিবৃতি) অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। এ ধরনের বিবৃতি দিয়ে অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা যাবে না।

আবরার হত্যার ঘটনার পর গত ৯ অক্টোবর জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, অবাধ মতপ্রকাশের অভিযোগে বুয়েটের এক তরুণ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘ নিন্দা জানাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার না করায় বাংলাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে সহিংসতায় অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। জাতিসংঘের বাংলাদেশ দপ্তর লক্ষ করছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ফলে স্বাধীন তদন্তকারীরা একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে স্বচ্ছ বিচারের পথে যাবেন, যা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সহায়ক হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মানবাধিকার। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চর্চার জন্য কাউকে হয়রানি, নির্যাতন ও হত্যা করা উচিত নয়।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য