শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৩ ঘণ্টা ০৮ মিনিট আগে

আবরারকে প্রথম আঘাত করে ছাত্রলীগের রবিন

অনলাইন ডেস্ক

আবরারকে প্রথম আঘাত করে ছাত্রলীগের রবিন

আবরার ফাহাদ কে হত্যার আগে শেরেবাংলা হলের ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) মেহেদী হাসান রবিনের নেতৃত্বে একটি সভা হয়। ওই সভায় আবরারকে ডেকে নিয়ে মারধরের সিদ্ধান্ত নেয় ছাত্রলীগ নেতারা। এরপর ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে নেওয়ার পর আবরারকে প্রথম আঘাত করে রবিন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রবিন এ তথ্য জানায়। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে রবিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আদালত সূত্র জানায়, আসামি মেহেদী হাসান রবিন স্বেচ্ছায় আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়। এরপর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান। জবানবন্দিতে রবিন জানায়, অক্টোবরের শুরুতে শেরেবাংলা হলের ক্যান্টিনে তার নেতৃত্বে একটি সভা করে ছাত্রলীগ। সেখানে আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমানের কাছে তারা জানতে চায় আবরার শিবির করে কিনা। তখন মিজান জানায়, আবরারকে তারও শিবির বলে সন্দেহ হয়। এরপর আবরারের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ তাকে ডেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। ওই সভায় ১৫, ১৬ ও ১৭তম ব্যাচের ৮/১০ জন ছাত্র ছিল। রবিন জবানবন্দিতে আরও জানায়, আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে নেওয়ার পর তার মোবাইল ফোন চেক করে রবিন। এরপর আবরারের মুখে চড় থাপ্পড়ও মারে সে। কিছুক্ষণ মারার পর রবিন চলে যায়। আর ফিরে আসার আগে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপস্থিত ১৫, ১৬ ও ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশ দিয়ে যায় রবিন। এরপর তারা আবরারকে স্ট্যাম্প ও লাঠি দিয়ে পেটায়। ঘটনার দিন (৬ অক্টোবর) রবিনকে গ্রেফতারের পর গত ৮ অক্টোবর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশ। বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

মন্তব্য