১৯ মে ,রবিবার, ২০১৯

শিরোনাম

> বাংলাদেশ

>> অপরাধ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

২৭ ডিসেম্বর , বুধবার, ২০১৭ ১৩:১১:৪৪

সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রীর অভিযোগ

স্ত্রীর সামনেই কলগার্ল ডেকে ফুর্তি করতেন খুবি শিক্ষক!


 স্ত্রীর সামনেই কলগার্ল ডেকে ফুর্তি করতেন খুবি শিক্ষক!

জান্নাত আরা ফেরদৌস (বামে), তার ভাই হোজায়ফা আল মাহমুদ ও শিশুপুত্র জাবির জাওয়াদ (ডানে)। -সংগৃহীত ছবি


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী মোছা. জান্নাত আরা ফেরদৌস। মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। জান্নাত আরা ফেরদৌস যশোর সরকারি এমএম কলেজের দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ খুবির গণিত ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর খুলনা মহানগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় তোলা হয়। সেখানে মাস চারেক ভালোভাবে সংসার চলে। তারপর শুরু হয় অশান্তি। তার রুক্ষ ও কর্কশ ব্যবহার, কৃপণতা এবং সব ব্যাপারে লুকোছাপা ভাব সত্ত্বেও আমি তার সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করি।

বিয়ের আগে তার শিক্ষক এবং এই বিয়ের প্রস্তাবক ও ঘটক খুবির গণিত বিভাগের অধ্যাপক (বর্তমানে বরখাস্তকৃত) মো. শরীফ উদ্দিনের আশ্বাসে জান্নাতের মা-বাবা রাজি হন। তার আগ্রহের কারণে সব কিছু বিবেচনা করে বিয়ে হয়।

জান্নাত বলেন, এ অবস্থায় দু’মাস পর তার ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে আমাকে নিয়ে যায়। শ্বশুরালয়ে গিয়ে আমি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হই। আমার মুদি দোকানি শ্বশুর যৌতুকলোভী। ছোট ছেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিয়ের আগেই তার ঘর ফার্নিচার দিয়ে সাজিয়ে দেওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে আমার শ্বশুর বলেন, এই বউ কেন খালি হাতে এসেছে? শাশুড়িসহ পরিবারের অন্যরাও নানান কটূকথা বলতে থাকে।

ওয়াহিদুজ্জামানের স্ত্রী বলেন, কোনরকম দেনা-পাওনা ছাড়াই আমার বিয়ের কথা হওয়ায় এবং তার স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা থাকায় আমরা সেভাবে চিন্তাও করিনি। অপমানজনক এ পরিস্থিতি থেকে আমার মা-বাবা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজন সেখানকার অনুষ্ঠান শেষ করে চলে আসেন।

তিনি বলেন, এরপর আমার স্বামী আমাকে গাজীপুর থেকে আমার বাবার বাড়ি যশোরে রেখে খুলনায় যায়। অনেক অনুরোধের পর আমাকে খুলনায় নিয়ে আসে। কিন্তু তার সবকিছুতে পরিবর্তন লক্ষ্য করি। আমার সঙ্গে অহেতুক কর্কশ ব্যবহার করতে থাকে। সাংসারিক প্রয়োজনে টাকা চাইলে বলে আমাকে তালাক দিয়ে দাও। আমি তোমার সঙ্গে সংসার করতে চাই না। এসব ঘটনা ঘটক অধ্যাপক শরীফ ভাইকে জানালে তিনি আমাকে সহ্য করা এবং চুপ থাকার উপদেশ দেন।

জান্নাত আরা ফেরদৌস বলেন, ইতিমধ্যে আমি সন্তানসম্ভবা হই। এটা শোনার পর সে (স্বামী) ধীরে ধীরে দূরে চলে যেতে থাকে। এ অবস্থায় সে আমাকে বাবার বাড়ি অথবা শ্বশুরবাড়িতে চলে যেতে বলে। দীর্ঘ ভ্রমণে ডাক্তারের নিষেধ সত্ত্বেও শ্বশুরবাড়ির লোকজন গাজীপুর যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি যেতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার উপর শারীরিক-মানসিক নির্যাতন চালায়। এরপর ঈদ উপলক্ষে আমি বাবার বাড়িতে চলে যাই। ঈদ শেষে ফিরে আসার জন্য যোগাযোগ করা হলে সে এড়িয়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি ফিরে এলে সে সেপারেশনের সুবিধার্থে বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। কয়েকবার বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে আমাকে আঘাতও করে।ওয়াহিদুজ্জামান বাজারের খরচ বন্ধ করে এবং কাজের মহিলাকে বিদায় করে সংসারের সব কাজ করতে বাধ্য করেন।

জান্নাত আরার দাবি, তিনি বাসায় থাকা অবস্থায় তার স্বামী ওয়াহিদুজ্জামান এবং অধ্যাপক শরীফ মিলে কলগার্ল বাসায় এনে ফূর্তি করে। এ কারণে অধ্যাপক শরীফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত হন।

তিনি বলেন, এমন পর্যায়ে বাবা-মা এসে আমাকে নিয়ে যান। এরপর সে আমার কোনো খোঁজ নিত না। সন্তান প্রসবের জন্য ক্লিনিকে ভর্তি হবার পর সে গেলেও বিল দিতে হয় আমার আত্মীয়দের। 

খুবি শিক্ষকের স্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছুদিন পর আমাকে সন্তানসহ গাজীপুরে নিয়ে একরকম আটকে রেখে নির্যাতন এবং যৌতুক দাবি করা হয়। পরে আমার পরীক্ষার জন্য খুলনা আসি। কিন্তু এসে প্রচণ্ড নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সরাসরি ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, অস্বীকৃতি জানালে সন্তানসহ আমাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। আমি বাবারবাড়ি যেতে বাধ্য হই। পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তার ডিসিপ্লিন প্রধানের কাছে অভিযোগ করলে সে (স্বামী) একটি ভুয়া ডিভোর্স লেটার দেখায়। পরে আমরা আদালতে যাই। কোর্টে তার ডিভোর্স প্রমাণ না করতে পারায় আদালত আমাকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সুরক্ষা দিয়েছে। সেটা বানচাল করতে সে জজকোর্টে রিভিশন করেছে।

এই অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সরকার, মানবাধিকার সংস্থা, মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সহযোগিতা কামনা করেছেন বলে জানান জান্নাত আরা। 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, জান্নাত আরা ফেরদৌসের বড় বোন মাহফুজা খানম, ভাই হোজায়ফা আল মাহমুদ ও শিশুপুত্র জাবির জাওয়াদ।

তবে জান্নাতের স্বামী খুবির গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যৌতুক দাবি করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো নির্যাতন করিনি। বরং আমার উপর নির্যাতন হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি গত বছরের ২১ অক্টোবর খুলনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। এছাড়া গত ২০ মার্চ তাকে আইনিভাবে তালাক দিয়েছি।


'কৃষকদের বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে'
স্কোয়াডে আন্দ্রে রাসেল, রিজার্ভ বেঞ্চে ব্রাভো ও পোলার্ড
খুলনায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে নতুন কর্মসূচি
অডিটের নামে কলেজ শিক্ষকদের বেতন কর্তন
‘অবাধ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে’
সঙ্গীত শিল্পী ফারহানার আত্মহত্যা
এবার এস-৫০০ কিনতে চায় তুরস্ক
এসএ পরিবহনের অফিস থেকে ইয়াবা উদ্ধার
বাড়াবাড়ি করবেন না, যুক্তরাষ্ট্রকে চীন
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলির ফল প্রকাশ
‘বিভিন্ন শহরে ‘ব্লক রেইড’ দেওয়া হবে’
‘র‌্যাঙ্কিংয়ে হাজারের মধ্যেও নেই ঢাবি’
মুক্তিযোদ্ধার বয়স সাড়ে ১২ বছর নিয়ে পরিপত্র অবৈধ
'কৃষক রক্ষা না করলে বাংলাদেশে অভিশাপ নেমে আসবে'
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস অপেক্ষায় ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা
অপহরণের পর আ’লীগকর্মীকে গুলি করে হত্যা
শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে চার রোহিঙ্গাকে আটক
অভিনেত্রী মায়া ঘোষ আর নেই
কাজে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের
পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু!
'কৃষকদের বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ করা হবে'
স্কোয়াডে আন্দ্রে রাসেল, রিজার্ভ বেঞ্চে ব্রাভো ও পোলার্ড
খুলনায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে নতুন কর্মসূচি
অডিটের নামে কলেজ শিক্ষকদের বেতন কর্তন
‘অবাধ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে’
সঙ্গীত শিল্পী ফারহানার আত্মহত্যা
এবার এস-৫০০ কিনতে চায় তুরস্ক
এসএ পরিবহনের অফিস থেকে ইয়াবা উদ্ধার
বাড়াবাড়ি করবেন না, যুক্তরাষ্ট্রকে চীন
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলির ফল প্রকাশ
‘বিভিন্ন শহরে ‘ব্লক রেইড’ দেওয়া হবে’
‘র‌্যাঙ্কিংয়ে হাজারের মধ্যেও নেই ঢাবি’
মুক্তিযোদ্ধার বয়স সাড়ে ১২ বছর নিয়ে পরিপত্র অবৈধ
'কৃষক রক্ষা না করলে বাংলাদেশে অভিশাপ নেমে আসবে'
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস অপেক্ষায় ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা
অপহরণের পর আ’লীগকর্মীকে গুলি করে হত্যা
শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে চার রোহিঙ্গাকে আটক
অভিনেত্রী মায়া ঘোষ আর নেই
কাজে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের
পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু!
প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল বাংলাদেশ
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গৃহবধূকে অর্ধনগ্ন করে লাঠিপেঠা 
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা চরমে, ভয়ে ইসরাইল
কাজের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা, ধরা শিক্ষা কর্মকর্তা!
ভাতিজির মেয়েকে ধর্ষণ করে ধরা বিএনপি নেতা
‘ব্রেকআপের পর মনে হয়েছিল আমি বাঁচব না’
কেন ইরাক থেকে লোকজন সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
পুতুল খেলার কথা বলে শিশু ধর্ষণচেষ্টা!
কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
মাদারীপুরের নিহত ও নিখোঁজদের বাড়িতে মাতম
আহতদের না দেখেই ফিরলেন শোভন-রাব্বানী!
শিক্ষার্থী মারধরের সেই নেত্রী শায়লার ছবি ভাইরাল 
'প্রিয় নেত্রী পরম মমতাময়ী প্রতি ঋণের বোঝা আরও বেড়ে গেল'
চুল পড়া বন্ধ করে ৪ খাবার
ইরান ইস্যুতে পাক জেনারেলের হুঁশিয়ারি
পরকীয়া প্রেমে প্রতিবাদ করায় অন্তঃসত্বা নারীকে খুন
‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শক্তিশালী দল’
চোট পেয়ে মাঠ থেকে উঠে গেলেন সাকিব
শমী কায়সার পেলেন সরকারি অনুদানের ৬০ লাখ টাকা
সাতক্ষীরায় গৃহবধূর শরীরে এসিড নিক্ষেপ

সব খবর