শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৩ ঘণ্টা ৪১ মিনিট আগে

রাজীবের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক

রাজীবের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি)৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবকে গ্রেপ্তারের পর

শনিবার রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় রাজীবের ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয়ে সাদেকুর রহমান সাদেক নামের এক ব্যক্তিকে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এছাড়া রাজীবের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং মাদক আইনে দুটি পৃথক মামলা হবে বলে জানান তিনি।

অভিযান শেষে র‍্যাবের এই ম্যাজিস্ট্রেট গণমাধ্যমকে বলেন, বেশকিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বিশেষ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও ভুমি দখলের অভিযোগে রাজীবকে বেশ কিছুদিন ধরে আমরা খুঁজছি। বিষয়টি তিনি টের পেয়ে গত কয়েকদিন আগে পালিয়ে গিয়েছিলেন। 

তাকে আজ (শনিবার) সন্ধ্যার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার তার এক বন্ধুর বাসা থেকে আটক করতে সমর্থ হই। আমার জানতে পারি, উনি এই মাসের ১৩ তারিখ থেকে আত্মগোপনে আছেন।

সারওয়ার আলম বলেন, আজকে যখন এই কাউন্সিলরকে আটক করতে সমর্থ হই, তখন তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল এবং ৩ রাউন্ড গুলি ও বিদেশি কিছু মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব আলামত নিয়ে আমরা মোহাম্মদপুরে তার বাসা ও অফিসে তল্লাশি করেছি। তবে আমরা তেমন কিছু পাইনি। কারণ,আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত যেসব ডকুমেন্ট ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। 

পরে তারই একজন সহযোগীর আত্মীয়র বাড়ি থেকে চেক বইগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো চেক করে দেখলাম ব্রাক ব্যাংকের একটি একাউন্টে একদিনে তিনি ৫ কোটি টাকা জমা দিয়েছেন। আমরা এগুলো তদন্ত করে দেখছি কোথায় জমা দিয়েছেন, টাকাগুলো কোথায় গিয়েছে।

সারওয়ার আলম জানান, রোববার ভাটারা থানায় আপাতত রাজীবের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে এবং মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হবে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য যেসব অভিযোগগুলো রয়েছে, সেসব মামলায় সমন দেখানো হবে। এই যে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং এই অর্থ তিনি কোথায় খরচ করেছেন এবং যদি এখানে মানি লন্ডারিং ও মুদ্রা পাচারের কোনও বিষয় থাকে, তখন মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের করা হবে।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল 

মন্তব্য