বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ১৫ মিনিট আগে

গান্ধী পরিবারের এসপিজি তুলে নিচ্ছে মোদি সরকার

অনলাইন ডেস্ক

গান্ধী পরিবারের এসপিজি তুলে নিচ্ছে মোদি সরকার

ভারতে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, তার দুই সন্তান রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াংকা গান্ধী ভদ্রকে দেওয়া স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) নিরাপত্তা বলয় তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।

এদেকি এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছে কংগ্রেস।

এই তিনজনকে এখন জেড-প্লাস নিরাপত্তা দেবে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)।

স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) হলো একটি নিরাপত্তা বাহিনি। যারা দেশের প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এই বাহিনীতে ৩ হাজার সদস্য রয়েছে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে প্রকাশ, ১৯৯১ সালের ২১ মে এলটিটিই জঙ্গিরা হত্যা করেছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে। তবে মোদি সরকারের সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তে তাদের নিরাপত্তা স্তর কিছুটা হলেও লঘু করা হলো বলে মনে করছেন কংগ্রেস নেতাকর্মীরা।

২৮ বছর পরে গান্ধী পরিবার এসপিজি নিরাপত্তাবিহীন হচ্ছে। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে ১৯৮৮ সালের এসপিজি আইনে সংশোধনীর পর থেকে এ পরিবার ভিভিআইপি নিরাপত্তা তালিকার অন্তর্ভূক্ত ছিল। এখন থেকে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এই অভিজাত এসপিজি বাহিনীর নিরাপত্তায় থাকবেন।

গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তা এখন নিশ্চিত করবে সিআরপিএফ কর্মীরা। এখন থেকে তারা থাকবেন জেড-প্লাস নিরাপত্তার অধীনে। বাড়িতে থাকা অবস্থায় এবং দেশের যেখানেই তারা ভ্রমণ করুক নিরাপত্তা রক্ষী ছাড়াও তার পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনীর সৈন্য থাকবে তাদের সঙ্গে।

এই বছরের আগস্টে কেন্দ্রীয় সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর এসপিজি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছিল। ১৯৮৮ সালে সংসদ দ্বারা প্রণীত এসপিজি আইনে প্রাথমিকভাবে শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তা প্রদানের ব্যাপারে উল্লেখ ছিল।

রাজীব গান্ধীর হত্যার পরে এই আইনে সংশোধনী আনা হয়, যাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের সরাসরি পরিবারিক সদস্যদের এই আইনের অধীনের আনা হয়। যার ফলস্বরূপ, সোনিয়া গান্ধী ও তার পরিবার এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় চলে আসে।

১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা একটি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজন দেখা দেয়।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/দীপা/তৌহিদ)

মন্তব্য