রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০২ ঘণ্টা ০৫ মিনিট আগে

গাজার হাতে তামির, ‌‌‌‘ভয়ে’ ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক

গাজার হাতে তামির, ‌‌‌‘ভয়ে’ ইসরাইল

ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের তথ্য ফিলিস্তিনিরা হাতিয়ে নিয়েছে বলে আশঙ্কায় পড়েছে তেল আবিব।

ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুর প্রতি ধেয়ে আসা মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যবহার করা হয় আয়রন ডোম। এ জন্য আয়রন ডোম থেকে ছোঁড়া হয় তামির নামের ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরাইলের প্রতি ছুটে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ছোঁড়া হয় তামিরকে।

তামিরে বোমা বসানো থাকে এবং মাঝ আকাশে ছুটে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য  এ বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে নির্দিষ্ট বলয়ের মধ্যে থাকা ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়ে যায়।

তবে সঠিক সময়ে তামিরের বিস্ফোরণ ঘটানোর ওপরই নির্ভর করে আয়রন ডোমের সাফল্য।

লক্ষ্যবস্তু আঘাত হানতে না পারলে তামিরকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। তামিরের রহস্য যেন ফাঁস হয়ে না যায় সে কারণে এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অটুট অবস্থায় কারও হাতে পড়লে তামিরকে খুলে এবং তামিরের গঠন পরীক্ষা করে আয়রন ডোমের প্রকৃত রহস্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া যাবে। প্রযুক্তি জগতে এটি রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং নামে পরিচিত।

গাজা থেকে ছুটে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে যে সব তামির ছোঁড়া হয়েছিল তার একটি বিস্ফোরিত হয়নি। অটুট অবস্থায় গাজায় গিয়ে পড়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ জো ট্রুসম্যান এক টুইটার বার্তা এ কথা জানিয়েছেন। গ্রাউন্ড ব্রিফ নামে একটি নিউজলেটারও প্রকাশ করেন তিনি। গাজার এ ঘটনায় তামির এবং আয়রন ডোমের গুপ্তকথা এবারে ফিলিস্তিনিরা জেনে যাবে বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফেল তৈরি করেছে তামির। একই সংস্থাই তৈরি করেছে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ডেভিড শ্লিং।

এদিকে, এর আগে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলের অন্যতম অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার হাতে চলে গেছে। আর এতে আতঙ্কে পড়েছে তেল আবিব।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য