রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০২ ঘণ্টা ০৩ মিনিট আগে

হলি আর্টিজানে হামলা: মামলার রায় ২৭ নভেম্বর

অনলাইন ডেস্ক

হলি আর্টিজানে হামলা: মামলার রায় ২৭ নভেম্বর

বহুল আলোচিত গুলশানে হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২৭ নভেম্বর।

আজ রোববার রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন।

একই সঙ্গে রায়ের দিন সব আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি গোলাম সারওয়ার খান জাকি।

গত ৭ নভেম্বর আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়।

অপরদিকে আসামি পক্ষে গত কয়েকটি তারিখে যুক্তিতর্ক করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

রোববার আসামিদের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। আসামিদের নির্দোষ দাবি করে তাদের বেকসুর খালাস দাবি করা হয় আসামি পক্ষে।

এই মামলায় ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। গত বছর ২৬ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহতম জঙ্গি হামলার মামলার বিচার শুরু হয়।

হলি আর্টিজানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

এছাড়া বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত ৮ জন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে নয়টার সময় হলি আর্টিজান বেকারিতে অতর্কিতে আক্রমণ করে পাঁচ জঙ্গি। তারা ভেতরে থাকা সবাইকে জিম্মি করে। একে একে গুলি চালিয়ে, কুপিয়ে ১৭ বিদেশি ও তিনজন বাংলাদেশিকে হত্যা করে। সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালাতে যায় র‌্যাব ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানকারীদের দিকে বোমা হামলা চালায় ওই পাঁচ জঙ্গি। এতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। আহত হন র‌্যাব-১ এর তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মাসুদ, পুলিশের গুলশান অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আবদুল আহাদসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য