মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ০৫ মিনিট আগে

আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

আগামীকাল বুধবার সকাল ছয়টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। মঙ্গলবার সকালে এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে শ্রমিকরা।

আমাদের মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, মাদারীপুরে সড়ক আইন সংশোধনের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে পরিবহন শ্রমিকরা। কোনো রকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কর্মবিরতি শুরু করায় ভোগন্তিতে পড়েছে মাদারীপুরের বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে মাদারীপুরের বিভিন্ন রুটের স্বল্প পাল্লার ও দূর পাল্লার পরিবহন বন্ধ করেছে দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা। তবে শ্রমিকদের দাবি স্বেচ্ছায় সকল শ্রমিকরা কর্মবিরতি করছে। 

শ্রমিকদের দাবি, বিদ্যমান আইনের কারণে শ্রমিকদের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। তাই তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছে। আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কর্মবিরতি চলবে।

মাদারীপুর সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, গলায় ফাঁসির রশি নিয়ে শ্রমিকরা গাড়ি চালাবে না। এই আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত অর্নির্দিষ্টকালের জন্য শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করবে।

বরিশাল প্রতিনিধি জানান, আনুষ্ঠানিক কোনো ধর্মঘট কিংবা কর্মবিরতি নয়, নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনে জেল-জরিমানার ভয়ে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন বরিশালের পরিবহন শ্রমিকরা। কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে বরিশালের অভ্যন্তরীণ সকল এবং দূরপাল্লার আংশিক রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা।

আকস্মিক বাস বন্ধের ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। 

এদিকে, পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা বলছেন, বিভিন্ন স্থানে বাস চলাচল করতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। ভাঙচুর করা হচ্ছে বাস। এছাড়া নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনে জেল-জরিমানা বেশি থাকায় শ্রমিকরা ভয়ে বাস চলাচল করা থেকে বিরত থাকছেন। এ ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিক নেতারা অসহায়।

নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনে কোনো দুর্ঘটনার জন্য দায়ী পরিবহন শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকার জরিমানা এবং জেলের বিধান রয়েছে। সড়কের অন্যান্য অপরাধেও অতিরিক্ত জেল জরিমানা ধার্য্য করায় ভয়ে আছেন শ্রমিকরা। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লা রুটের বাস চলাচল করতে বাধা দেয়া হচ্ছে। মাদারীপুর এবং মোস্তফাপুরে বরিশাল রুটের দুটি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে। ঝালকাঠীতে বাস চলাচলে বাধা দেয়া হচ্ছে। এসব কারণে মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর বরিশাল নগরীর নতুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ এবং দূরপাল্লার কিছু রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। তারা নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন সংশোধন কিংবা বাতিল না করা পর্যন্ত বাস চালাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। 

এদিকে, আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। দূর-দূরান্ত থেকে নগরীর নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে এসে নির্ধারিত রুটের বাস না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ছেন যাত্রীরা। তারা মালিক-শ্রমিকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। 

বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে এবং জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন জানান, নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘর্মঘট কিংবা কর্মবিরতি করেননি। বিভিন্ন স্থানে বাধা এবং ভাঙচুরসহ নতুন আইনে জেল-জরিমানার ভয়ে শ্রমিকরা স্বেচ্ছায় বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। তারা বাস চালানোর জন্য কোনো শ্রমিক খুঁজে পাচ্ছেন না। এ ক্ষেত্রে মালিক-শ্রমিকরা নিরূপায়।

আমাদের পিরোজপুর প্রতিনিধি ইমন জানান, নতুন সড়ক ও পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে পিরোজপুর থেকে সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। পরিবহন শ্রমিক নেতারা বলছেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও আইনটি সংশোধন ছাড়াই বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এতে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে পিরোজপুরের সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পিরোজপুর থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় হাজারো যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছে। নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে শ্রমিকরা বাস চালাচ্ছেন না। কোনো কারণে দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে নতুন আইনে চালকদের মৃত্যুদণ্ড এবং আহত হলে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। আমাদের এত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই এবং বাস চালিয়ে আমরা জেলখানায় যেতে চাই না। এ কারণেই নতুন পরিবহন আইন সংস্কারের দাবি করছে শ্রমিকরা।

নতুন সড়ক আইনে ফাঁসি ও যাবজ্জীবন দণ্ডের ভয়ে শ্রমিকরা গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছে । এখানে মালিকদের কিছু করার নেই।

অন্যদিকে চলাচলের মাধ্যম হিসেবে যাত্রীরা বেছে নিচ্ছে ইজিবাইক,অটোরিক্সা ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। দূরের যাত্রীরা ভিড় করছে বিআরটিসির কাউন্টারগুলোতে। হঠ্যাৎ বাস ধর্মঘট দেওয়ায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক শেখ সাইফুদ্দিন জিন্নাহ জানান, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাওনা চৌরাস্তায় মহাসড়ক অবরোধ করেছে পরিবহন শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে এ অবরোধ শুরু করেছে শ্রমিকেরা। এতে বিপাকে পড়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও অফিসগামী কর্মকর্তারা। পরে মাওনা হাইওয়ে থানা-পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে একটি বাসে করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

শ্রমিকেরা জানায়, নতুন কার্যকর হওয়া সড়ক নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে তাদের এই অবরোধ। যতদিন না পর্যন্ত আইন বাতিল হবে তাদের আন্দোলন চলবে।

মাওনা হাইওয়ে থানার এসআই আইয়ুব হোসেন জানান, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে ছাত্রবাহী একটি বাস ময়মনসিংহের উদ্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আরও যদি কোনো ছাত্র-ছাত্রী থাকে তাদেরও পরীক্ষার ব্যবস্থা করানো হবে। শ্রমিকদের সাথে কথা বলে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেস্টা চলছে।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট পালন করছে বাস শ্রমিকরা। সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয়

বাস টার্মিনাল থেকে মঙ্গলবার সকাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ রুটের সকল বাস চলাচলও। তবে যাত্রীবাহী বাস বন্ধ থাকলেও দুই একটি বিআরটিসি বাস চলাচল করতে দেখা গেছে।

এদিকে, বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বিপদে পড়েছেন দূর-দূরান্তের যাত্রীরা। ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, ইঞ্জিনভ্যানসহ
বিভিন্ন যানবাহনে তারা যাতায়াত করছেন।

বাসচালক ও শ্রমিক নেতারা জানান, নতুন আইন সংশোধন না হলে আমরা বাস চালাব না। এই আইনে চালকদের এক তরফাভাবে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যে জরিমানার বিধান করা হয়েছে সেগুলো চালকরা কখনো পুরণ করতে পারবে না। কেননা চালকরা গরীব।

সাতক্ষীরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জানান, নতুন আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত কোনো শ্রমিক বাস চালাতে চায় না।

তিনি জানান, ২১ ও ২২ নভেম্বর শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশন মতবিনিময় করে সরকারের কাছে দাবি পেশ করবেন। সরকারের কাছ থেকে আইন সংশোধনের আশ্বাস পেলে শ্রমিকরা সড়কে ফিরে যাবে বলে তিনি জানান।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, দ্বিতীয় দিনের অঘোষিত কর্মবিরতিতে ভোগান্তীতে যাত্রীরা। টাঙ্গাইলে নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অঘোষিত কর্মবিরতি পালণ করছে পরিবহন শ্রমিকরা। ফলে প্রভাব পড়তে শুরু টাঙ্গাইলের পরিবহন সেক্টরে। আজ সকাল থেকে জেলার প্রধান বাসস্ট্যান্ড থেকে সীমিত আকারে যান চলাচল করলেও জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলায় দ্বিতীয় দিনের মতো চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এরমধ্যে ভূঞাপুর ও গোপালপুরে পুরোপুরি ও অন্যান্য উপজেলায় সীমিত আকারে যানবাহন চলাচল করছে। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা।

জানা যায়, নতুন সড়ক আইন ১লা নভেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও দুই সপ্তাহ ধরে আইন পালনে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে দুই সপ্তাহ শিথিল ছিল নতুন আইনের কার্যকারিতা। গতকাল থেকে আইন কার্যকর হতে পারে, এমন শঙ্কায় অঘোষিত কর্মবিরতি পালন করছেন তারা।

কর্মবিরতি পালনরত শ্রমিকরা জানায়, নতুন সড়ক আইনের অনেকগুলো বিষয় সংস্কার না করলে তারা পরিবহন সেক্টরে কাজ করবেন না। বিশাল অংকের জরিমানা, শাস্তি আর অপমানজনক ঘাতক শব্দ মাথায় গাড়ি চালাবেন না। আপত্তিকর বিষয়গুলির সংস্কার দাবি করেন তারা।

ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীরা বলেন, যাত্রীদের জিম্মি করে এভাবে অঘোষিতভাবে কর্মবিরতি পালন করা উচিত নয়। আগে থেকে ঘোষণা দিলে তারা বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারতেন। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাদের।

এ বিষয়ে জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক চিত্ত রঞ্চন বলেন, শ্রমিকদের এ কর্মবিরতির সাথে ইউনিয়নের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের এ ধরণের কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। আগামী ২১ তারিখের দিকে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি বৈঠক হবার কথা। তার আগে কোনো কর্মসূচি পালন করা হবে না। আর কেউ যদি স্বেচ্ছায় কাজে যোগ না দেয় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নাই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। এর ফলে সকাল থেকে আন্তঃজেলা ও উপজেলা রুটে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। তবে ট্রাক চলাচল করছে স্বাভাবিকভাবেই।

বাস পরিবহন শ্রমিকরা জানান, নতুন আইনে শাস্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে তারা নিজেরাই বাস চালানো থেকে বিরত আছেন। নতুন আইন তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গতকাল সোমবার জেলার কোনো কোনো রুটে বাস চলাচল করলেও আজ মঙ্গলবার পুরোপুরি বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। শ্রমিকদের অঘোষিত কর্মবিরতির কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-নওগাঁসহ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অভ্যন্তরীণ সব রুটেই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তবে সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে দূরপাল্লার বাস।

এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা ও মাহেন্দ্রায় যাতায়ত করছেন যাত্রী সাধারণ।

যশোর প্রতিনিধি জানান, যশোরের ১৮টি মহাসড়কে কোনো পরিবহন চলছে না। পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব রুটের মানুষরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

শ্রমিকরা জানান, গত ১৪ নভেম্বর যশোরে পরিবহন শ্রমিকদের এক সমাবেশ আহবান করা হয়। ওই সমাবেশ থেকে শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থ বিবেচনা এনে বিতর্কিত সড়ক আইন ২০১৮ সংশোধনসহ ১০ দফা দাবি করা হয়। সমাবেশ থেকে সরকারকে দাবি মেনে নেওয়ার কথা বলা হয়। অথচ সরকার দাবি মেনে না নিয়ে রোববার থেকে বিতর্কিত সড়ক আইন ২০১৮ কার্যকর করেছে। এর প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্বেচ্ছায় কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়।

পরিবহন শ্রমিকরা জানান, কর্মবিরতি ঘোষণার কারণে রোববার সকাল থেকে যশোরের ১৮টি রুটে কোনো যানবাহন চলেনি। আজও শ্রমিকরা গাড়ি বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য