বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ | আপডেট ১৮ মিনিট আগে

কাঁচা লবণ কিডনির চরম শত্রু!

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচা লবণ কিডনির চরম শত্রু!

প্রতি বছর বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কিডনি রোগের চিকিৎসাটাও বেশ ব্যয়বহুল। তাই শুরু থেকেই কিডনির প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। মানুষের শরীরে দুটি কিডনি শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং বিভিন্ন দূষিত পদার্থ ছেঁকে ফেলে দেয়। এই কিডনি যদি আপনার শরীরের কোনো ভাবে ঠিকঠাক কাজ না করে থাকে, তবে আমরা বলে থাকি কিডনি নষ্ট হতে চলেছে। আর কিডনি কাজ না করলে শরীরে দেখা দেবে নানাবিধ সমস্যা।

তাই কিডনি ভালো রাখতে খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার কিডনি দুর্বল হয়ে পড়বে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিডনি ভালো রাখতে হলে কী কী খাবার না খাওয়াই ভালো।

 

কাঁচা লবণ বাদ 

মানুষের শরীরে লবণের চাহিদা প্রতিদিন মাত্র ১ চা চামচ। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।

প্রচুর পানি পান 

সুস্থ স্বাভাবিক একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়া উচিত। যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয় তাদের পানি খাওয়ার পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানিতে কিডনিতে পাথর হয় না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ

রক্তচাপ ১৪০/৯০ এর উপরে থাকলে কিডনির সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই কিডনি ভালো রাখতে রক্তচাপ সবসময় ১৩০/৮০ অথবা এর কম রাখার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন। তাই কাঁচা লবণ খাওয়া বাদ দিতে হবে।

ব্যথানাশক ওষুধ

কিডনির জন্য কম বেশি প্রায় সব ওষুধই ক্ষতিকর। বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধগুলো কিডনির জন্য খুবই খারাপ। নিয়ম না জেনে নিজে ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন।

চিপস, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার

গরুর মাংস, শুকরের মাংস ইত্যাদি খেলে অতিরিক্ত চাপ পড়ে কিডনির ওপর। এমনকি চিপস, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ইন্সট্যান্ট নুডলস এবং লবণ দিয়ে ভাজা বাদামও কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

কোমল পানীয়

কোমল পানীয় বা বিভিন্ন রকমের এনার্জি ড্রিঙ্কস খেয়ে থাকেন অনেকে। এ ধরনের পানীয় কিডনির জন্য একদমই ভালো নয়।

ধূমপান ও মদ্যপান

ধূমপান ও মদ্যপানের কারণে ধীরে ধীরে কিডনিতে রক্ত চলাচল কমে গিয়ে কিডনির কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়।

লেখক : ডা. মেহরুবা আলম, নেফ্রোলজি বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/ডিএ

মন্তব্য