হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে পাখিরা এখন পাহাড়ে

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি প্রতিনিধি

হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে পাখিরা এখন পাহাড়ে

অতিথি পাখির খুনসুটিতে মুখরিত রাঙামাটির হ্রদ-পাহাড়। শীতের প্রকোপ যতই বাড়ছে, অতিথি পাখির সংখ্যাও তত বাড়ছে। এরই মধ্যে এসেছে শীত প্রধান দেশের রং-বেরংয়ের নানা প্রজাতির পাখি। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের ডুবচরে প্রায় প্রতিদিন বসে এসব পাখিদের মিলন মেলা।

ভোর হলে কুয়াশার বুক চিরে দলবেধে নামে কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ জলে। হ্রদের বুকে ডুব সাঁতার, আবার ঝাঁক বেঁধে আকাশের নীলে ওড়াউড়ি। এই যেন তাদের নিত্য দিনে রুটিন।

আর যখন সন্ধ্যার আকাশে সূর্যের গোধূলির সোনালি রঙ ছড়িয়ে পরে, তখনি শুরু হয় পাখিদের মিছিল। কিচির-মিচির ছন্দের তালে সাঁড়ি বেঁধে ফিরে যায় ওরা পাহাড়, বন ও বাঁশঝাড়ের অস্থায়ী নিড়ে। পাখিদের এমন বিস্ময়কর সৌন্দয্য শুধু পাহাড়ের দৃশ্য।

রাঙামাটির হ্রদ-পাহাড় ঘুরে দেখা যায়, প্রতি বছরের মতো শীতের শুরুতেই রাঙামাটিতে এসেছে অতিথি পাখি। সুদূর
সাইবেরিয়াসহ বিভিন্ন শীত প্রধান দেশ থেকে পাহাড়ে এসেছে ফ্লাইফেচার, জলকুট, পর্চাড, জলপিপি, পাতারী, গার্নিগি,
পাস্তামূখী, নর্দানপিন্টেলসহ নানা প্রজাতির পাখি। অতিথি পাখীদের সাথে যোগ দিয়েছে দেশীয় সরালি, ডাহুক, পানকৌরি,
বক, বালিহাঁসসহ নাম না জানা হাজারো নানা প্রজাতির পাখি।

প্রকৃতির টানে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে ওরা আসেছে দূর-দূরন্ত থেকে। পাহাড়, বন আর স্বচ্ছ জলধারা অতিথি পাখিদের যেন বেশি আকর্ষণ করে। তাই শীত এলেই পাহাড়ের গাছগুলোতে দেখা মেলে হাজারো অতিথি পাখি। খনিকের জন্য পাহাড়, বন-জঙ্গল ওদের জন্য নিরাপদ অভায়শ্রম। পাখিদের এমন কলতান ও অভূতপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়দের সাথে ছুটে যাচ্ছে দূর-দুরান্ত আসা প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরাও।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, শুধু রাঙামাটি শহর এলাকা নয়। অতিথি পাখির দেখা মিলছে জেলার সুবলং, লংগদু, কাট্টলী,
মাইনিমুখ, সাজেক, বাঘাইছড়ি, হরিণা, বিলাইছড়ি ও বরকলে।

এসব উপজেলায় পাখির কলরবে কানায় কানায় ভরে গেছে হ্রদের তীর ও জলে ভাসা চরগুলো। খুব ভোর বেলা আর সন্ধ্যায় কাপ্তাই হ্রদে দেখা মেলে পাতিহাস, ডাহোক, কালাম, বক, ছোট সরালি, বড় সরালি, টিকি হাঁস, মাথা মোটা টিটি, চোখাচোখি, গাং চিল, গাং কবুতর, চ্যাগা ও জল মোরগ, বইধর।

অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বছর শুধু শীত মৌসুমের জন্য পার্বত্যাঞ্চলে বিভিন্ন দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি
পাখি আসলেও তাদের নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয়নি দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ। তাই অতিথি পাখি আসলে সক্রিয় হয়ে ওঠে এখানকার পাখি শিকারিরা। নিরবে চলে তাদের পাখি নিধন কার্যক্রম।

রাঙামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগ বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্ল্যাহ পাটওয়ারী জানান, সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল ও হিমালয়ের উত্তরে শীত ও তুষারপাত শুরু হলে অতিথি পাখিরা বাংলাদেশের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চলে আসে। দেশের হাতে গোনা যে কয়েকটি এলাকায় এরা ক্ষণস্থায়ী আবাস গড়ে, তার মধ্যে অন্যতম পার্বত্যাঞ্চল। মূলত অক্টোবরের শেষ ও নভেম্বরের প্রথম দিকে রাঙামাটিতে অতিথি পাখি দেখা যায়। মার্চের শেষদিকে ওরা ফিরে যায় নিজ নিজ দেশে। এরা আমাদের দেশের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা দেওয়া সবার দায়িত্ব-কর্তব্য। পাখি নিধনের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। পাখি নিধনের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনত কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

পরবর্তী খবর

সব বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে

ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সব বিধি নিষেধ উপেক্ষা করেই ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। গাবতলী থেকে যুক্ত হয়েছিল সহকর্মী মাসুদা লাবনী। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে বেপরোয়া গতিতে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ নৌ যাত্রা!

অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান চলাচল করে। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে নদী পার হচ্ছেন অনেকে। তবে শীতলক্ষ্যার ব্যস্ততম নারায়ণগঞ্জ অংশে বেপরোয়া গতিতে নৌযানগুলো যেন প্রতিনিয়তই প্রতিযোগিতায় নামে। এ কারণে মাঝে মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা। প্রাণ হারায়ও অনেকে। দুঘর্টনার কারণ হিসেবে ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদেরই দুষছেন স্থানীয়রা। 

গেল ৪ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে  যাত্রীবাহী লঞ্চকে একটি কার্গো জাহাজ পেছন থেকে ধাক্কা দিলে লঞ্চটি ডুবে যায়। পরে ৩৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

এভাবে একের পর এক দুঘটনা ঘটলেও শীতলক্ষা নদীর নারায়ণঞ্জ অংশে এখনও ঝুঁকি নিয়ে চলছে বাল্কহেড, মালবাহী কার্গোসহ শত শত নৌযান। লকডাউনের কারণে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন অনেকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন নির্বিকার থাকায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না নৌযান মালিক ও চালকরা। আর ফিটনেসবিহীন যান আর অদক্ষ চালকদের কারণেই ঘটে দুঘর্টনা।  

বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের তথ্য মতে, গেল এক বছরে শীতলক্ষ্যায় নারায়ণগঞ্জ অংশে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০টি নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

বেপরোয়াভাবে চলছে সব স্পিডবোট, চালকদের নেই কোন নিবন্ধন

দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের রাজধানীর সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান রুট মাওয়া কাওড়াকান্দি নৌরুট। এই রুটটিতে এক সময় শুধু ফেরি চলাচল করতো। পরবর্তীতে ফেরির সাথে যুক্ত হয় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার এরপর লঞ্চ। সর্বশেষ সংযোজন স্পিডবোট।

এই রুটের ঘাট পরিবর্তন হয়েছে একাধিকবার। এখন এই রুটের মাদারীপুর অংশের ঘাটের নাম বাংলাবাজার এবং মুন্সিগঞ্জ অংশের নাম শিমুলিয়া। এই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে কোন স্পিডবোট চালকের নেই লাইসেন্স, বোট চলাচলের নেই কোন অনুমতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৯০ এর দশকে এই নৌরুটে ফেরির পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের পারাপারের বিকল্প বাহন ছিল ট্রলার। পরবর্তী সময়ে আধুনিক বাহন হিসেবে যুক্ত হয় লঞ্চ। ২০০২ সালের দিকে স্পিডবোট জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। সেই সময়ে মাত্র ১৫ থেকে ২০টি বোট চলাচল করতো এই নৌরুটে। দ্রুত সময় পারাপারের কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠে স্পিডবোট। যাত্রীদের কাছেও চাহিদা বাড়ে এই বাহনটির। জনপ্রিয়তার সাথে সাথে স্পিডবোটের সংখ্যা ও ভাড়ার পরিমাণ বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। সাথে বাড়তে থাকে স্পিডবোট দুর্ঘটনার মাত্রাও। প্রাণহানি, নিখোঁজ, পঙ্গত্বের সংখ্যাও বাড়ে।

এই নৌপথে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় স্পিডবোটে। বর্তমানে এই নৌপথে প্রায় ২৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে। কিন্তু অবাক করা বিষয় এই নৌরুটে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে স্পিডবোট চলাচলের কোন সরকারি অনুমিত নেই। স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমিত নিয়েই দিনের পর দিন চলছে এই ঘাতক বাহনটি। সরকারি কোন নীতিমালা বা নিবন্ধিত না থাকায় স্পিডবোটের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই কারও। তবে উভয় ঘাট মিলিয়ে আড়াইশ’র বেশি রয়েছে বলে ঘাট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, স্বল্প সময়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় বিধায় এটি যাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি রুট। বিআইডব্লিউটিএ-এর তথ্য অনুযায়ী এই নৌরুটে নিয়মিত চলাচল করছে ৮৬টি ছোট-বড় লঞ্চ ও ১৬টি ফেরি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বোট চালানোয় কোনো প্রশিক্ষণ নেই চালকদের। আর চালকদের বেশির ভাগই উঠতি বয়সী তরুণ। বিশেষ করে পদ্মার ঘাট এলাকার এক শ্রেণির বখাটে, মাদকাসক্ত যুবকরাও স্পিডবোট চালক হিসেবে রয়েছে। আর এদের কাছেই বিভিন্ন সময়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে ঘটছে দুর্ঘটনাও। তাছাড়া প্রতিটি ট্রিপেই ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করে এসব স্পিডবোট। নেই কোন কর্তৃপক্ষের তদারকি।

আরও পড়ুন


কারাগারে পাঠানো হয়েছে রিকশাচালককে নির্যাতনকারী সেই সুলতানকে

যেসব অঞ্চলে আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

লকডাউনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করায় আইনজীবীকে জরিমানা

হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ইরাকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ


এদিকে এই নৌপথে চলাচলরত ৫০টির মতো স্পিডবোট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক লাইসেন্স নিয়েছে। যে ক’টির লাইসেন্স আছে, তারও আবার নবায়ন নেই। ফলে চলাচলরত স্পিডবোটগুলোর সব ক’টিই অবৈধ।

এ সম্পর্কে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, উভয় ঘাটে আড়াইশ স্পিডবোট চলে, যার একটিরও লাইসেন্স বা কোনো কাগজপত্র নেই। 

বিআইডব্লিউটিএ-এর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক (নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রায় ৫০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স আছে। তবে এগুলোর হয়তো নবায়ন নেই। এখানে আমাদের লাইসেন্স দিতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা দ্রুত স্পিডবোটগুলো লাইসেন্সসহ চলাচলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।’

এ সম্পর্কে বাংলাবাজার স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও পাঁচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের পারে (বাংলবাজার) ১০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স দেড় বছর আগে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এরপর এক বছর আগে ৩৯টি বোটের লাইসেন্সের জন্য কাগজপত্র ও তালিকা নেয়। চালকের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা নেয়। কিন্তু নতুন করে আর লাইসেন্সও দেয়নি। আর চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেয়নি।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৬টার দিকে শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বোঝাই একটি স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ী ঘাটে নোঙর করে রাখা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে স্পিডবোটের ২৬ যাত্রী নিহত হয়।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর শপিংমলগুলোতে জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা

ফাতেমা কাউসার

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। এরইমধ্যে রাজধানীর শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। তবে করোনা বাস্তবতায় গেলবারের তুলনায় বিক্রি কম বলে জানান দোকানিরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে বিপণী বিতানে আসলেও বেশিরভাগ ফ্যাশনহাউজ বলছে অনলাইনে বেড়েছে তাদের বেচাবিক্রি। 

ঈদ শপিং এ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতি। বড় বড় শপিংমলগুলোতে তাই ক্রেতা সাধারণের সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার লম্বা লাইন।

অন্যবারের মতো ফ্যাশন হাউজগুলো এবারো ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন নতুন কালেকশন। ক্রেতারাও ঈদ গরম দুটোকেই মাথায় রেখে সারছেন ঈদ কেনাকাটা।


রায়হান হত্যা: এসআই আকবরসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট

ভারতে আজ ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আগামী মাসে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলেন বাইডেন

বাবা-মা-বোনের পর এবার কোভিড পজিটিভ দীপিকা পাড়ুকোন


ঈদের বাকি আরো নয়দিন থাকায় দোকানিরা জানান সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে তাদের বেচাকেনা।

এদিকে করোনার কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার ঘরে বসেই সারছেন ঈদের কেনাকাটা। অনলাইনে আগের চেয়ে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান অনেকে। সামনের দিনগুলোতে বেচা-বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা

ফাতেমা কাউসার:

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ীরা। তবে এবার বেচাকেনা অন্য বারের তুলনায় কম বলে জানান তারা। চলমান লকডাউনে গণ পরিবহন বন্ধ থাকায় কিছুটা হতাশ তারা। বলছেন, ঈদ পর্য্ন্ত বাজার খোলা থাকলে কিছুটা ক্ষতি কাটিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি কাপড়ের বাজার পুরান ঢাকার ইসলামপুর। সারা বছর তো থাকেই, ঈদকে কেন্দ্র করে এই এলাকার বিশাল বাজার শুরু হয় শবে বরাতের আগেই।

দেশে তৈরি পোশাক এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা বিশেষ করে পাইকারি থান কাপড়ের বাজার হিসেবে পরিচিত হলেও এলাকাটিতে খুচরা কাপড়ের দোকানও রয়েছে সারি সারি। উৎসবকে কেন্দ্র করে এই পাইকারি বাজারে ব্যবসা থাকে জমজমাট।

তবে এবারের দৃশ্যপট একেবারেই আলাদা। বেড়েছে করোনার প্রকোপ। আর তাই সারাদেশে চলছে লকডাউন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এবার আসতে পারেনি এই পাইকারি বাজারে। আর তাই বেচা কেনাও কম বলে জানান বিক্রেতারা।

এ বছর না হলেও প্রতিবারই ঈদ মৌসুমে এ বাজারে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় বলে জানান বাংলাদেশ বস্ত্র সমিতির নেতারা। সামনের দিনগুলোতে বেচা বিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা ইসলামপুর পাইকারি বাজারের এই ব্যবসায়ীদের।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর