শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০ | আপডেট ০৮ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট আগে

সাতক্ষীরার নদী থেকে নৌচালকের মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার নদী থেকে নৌচালকের মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা সুন্দরবন সংলগ্ন মাদার নদী থেকে নবাব আলী গাজী (৬৫) নামের বনবিভাগের কৈখালী ষ্টেশন অফিসের নৌযান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে শ্যামনগর থানা পুলিশ উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী এলাকার কোস্টগার্ড অফিসের সম্মুখস্থ পল্টুনে বেঁধে থাকা অবস্থায় বনরক্ষীর পোশাক পরিধেয় মরদেহ উদ্ধার করে।

নবাব আলী শ্যামনগর উপজেলার পুর্ব কৈখালী গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী ষ্টেশনে নৌযান চালকের কাজ করছিলেন।

নিহতের ছেলে কাছিকাটা টহলফাড়ির নৌযান চালক রফিকুল ইসলাম জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে তার সাথে মুঠোফোনে পিতার কথা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে তিনি ষ্টেশন অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে শুয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে তার (নবাব আলী) মুঠোফোনে কল দিয়ে কেউ তাকে ডাকায় বাড়ির পার্শ্বস্থত ষ্টেশনে যাওয়ার কথা বলে নবাব আলী বেরিয়ে যান।

রফিকুল ইসলাম আরও জানায়, মা খোদেজা বিবিকে অফিসে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যাওয়ায় বনের মধ্যে টহলে যাওয়ার কথা ভেবে সারাদিন তারা নবাব আলীর খোঁজ খবর নেয়নি। কিন্তু বেলা ২টার দিকে কৈখালী ষ্টেশন থেকে ডাকতে আসার পর তারা নবাব আলীকে খুঁজতে থাকেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু জানান, রাতে কোস্টগার্ডের সিসি সাহেব ফোন দিয়ে ডাকার পর তিনি কয়েকজনকে নিয়ে পল্টুনে বেঁধে থাকা অবস্থায় উপুড় হয়ে ডুবে থাকা মরদেহ নবাব আলীর বলে নিশ্চিত হয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ নবাব আলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কৈখালী ষ্টেশন অফিসার কামরুল ইসলাম ষ্টেশনে না থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/ডিএ

মন্তব্য