সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | আপডেট ১৯ মিনিট আগে

রাসেল তাণ্ডবে চট্টগ্রামের বিদায়, ফাইনালে রাজশাহী

অনলাইন ডেস্ক

রাসেল তাণ্ডবে চট্টগ্রামের বিদায়, ফাইনালে রাজশাহী

ফাইনালে যেতে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ৪০ বলে ৮৩ রান। ব্যাটিংয়ে নেমে কচুকাটার মতো ব্যাট চালাতে শুরু করেন ক্যারিবিয় ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেল। তার তাণ্ডবে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ২ উইকেটে হারিয়ে বিপিএল সপ্তম আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করল রাজশাহী।

আগামী ১৭ জানুয়ারি মিরপুর শেরেবাংলায় ফাইনাল ম্যাচে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ খুলনা টাইগার্স।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১৬৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৪ রানে আফিফ হোসেন, লিটন কুমার দাস ও অলক কাপালির উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় রাজশাহী। এরপর চতুর্থ উইকেটে শোয়েব মালিকের সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়েন ইরফান শুক্কর। ৩ উইকেটে ৮০ রান করা রাজশাহী। এরপর আবারও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারায়।

ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্দ্রে রাসেল যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ৪০ বলে ৮৩ রান। ব্যাটিংয়ে নেমে উইকেটে সেট হওয়ার আগেই দলকে জয় উপহার দিতে তাণ্ডব শুরু করেন। জয়ের জন্য শেষ ৩০ বলে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ৭৬ রান।

১৬তম ওভারে দুই ছক্কা আর এক চার হাঁকিয়ে রুবেল হোসেনের কাছ থেকে ১৯ রান আদায় করে নেন রাসেল ও মোহাম্মদ নওয়াজ। ঠিক পরের ওভারে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান নওয়াজ ছক্কা হাঁকিয়ে ওভার শুরু করলেও তৃতীয় বলে আউট হন। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ছক্কা হাঁকিয়ের পরের বলে আউট হন ফরহাদ রেজা।

চলতি বিপিএলে দুর্দান্ত বোলিং করা মেহেদী হাসান রানা ১৯তম ওভারে খরচ করেন ২৩ রান। তার বলে দুটি ছক্কা ও দুটি চার হাঁকান রাসেল। শেষ ৬ বলে জয়ের জন্য রাজশাহীর দরকার ছিল মাত্র ৮ রান।

গুনারত্নে প্রথম দুই বলে কোনো রান দেননি। তৃতীয় বলে দেন ওয়াইড। ঠিক পরের বলে নো বল দেন আর সেই বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন আন্দ্রে রাসেল। দলের জয়ে মাত্র ২২ বলে ৭টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা আর দুই চারের সাহায্যে অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন আন্দ্রে রাসেল।

এর আগে ক্রিস গেইলের ফিফটিতে ভর করে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন গেইল।

বুধবার সন্ধ্যায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩ ওভারে ২২ রানে ওপেনার জিয়াউর রহমানের উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য