মালিকের ব্যাটে ভর করে জয় ছিনিয়ে নিল পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

মালিকের ব্যাটে ভর করে জয় ছিনিয়ে নিল পাকিস্তান

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ দলের বিপক্ষে মাত্র ১৪১ রানের সংগ্রহ, সেটাও তাদেরই মাটিতে। তারপরও বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচ শেষ ওভার পর্যন্ত পৌঁছালো। কিন্তু আক্ষেপ হয়ে রইল ওই ব্যাটিংটাই। অন্যদিকে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ শোয়েব মালিকের ব্যাটে ভর করে জয় ছিনিয়ে নিল পাকিস্তান।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। টানা পাঁচ ম্যাচ পর জয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান। এই সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।

পাকিস্তান ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হেনেছিলেন বাংলাদেশের শফিউল ইসলাম। স্বাগতিক দলের ইনিংসের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার ও অধিনায়ক বাবর আজমকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন টাইগার পেসার। বাবর যদিও রিভিও নিয়েছিলেন, কিন্তু মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।

এরপর মোহাম্মদ হাফিজ আর অভিষিক্ত আহসান আলী মিলে ইনিংস মেরামত করছিলেন। তবে নিজের দ্বিতীয় ও পাকিস্তানের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে অভিজ্ঞ হাফিজকে বিদায় করে জুটি ভেঙেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। শর্ট এক্সট্রা কাভারে দাঁড়ানো আমিনুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে হাফিজের ব্যাট থেকে আসে ১৬ বলে ১৭ রান।

হাফিজের বিদায়ের পর হাল ধরেছিলেন মালিক ও আহসান। তবে আহসানকে বেশি দূর যেতে দেননি আমিনুল। এরপর ইফতিখার আহমেদকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান মালিক। দুজনের জুটিতে আসে ২৬ রান। 

দলকে ১১৭ রানে রেখে শফিউলের বলে যখন ইফতিখার বিদায় নেন, তখনও জিততে হলে ২৪ রান দরকার পাকিস্তানের। কিন্তু মালিক তখনও দলের কাণ্ডারি হয়ে ক্রিজে ছিলেন। মাঝে ৫ রান করে আল-আমিন হোসেনের বলে ইমাদ (৬) বিদায় নেন। 

কিন্তু দাঁত কামড়ে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুলে ফিফটি তুলে নেওয়া মালিক ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। তিন বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করার সময় মালিক অপরাজিত ছিলেন ৫৮ রান নিয়ে। ৪৫ বল দীর্ঘ এই ইনিংসটি ৫টি চারে সাজানো। মোহাম্মদ রিজওয়ান অপরাজিত থাকেন ৫ রান নিয়ে।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন শফিউল। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর, আল-আমিন ও আমিনুল।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল 

মন্তব্য