‘একুশে বইমেলা ‘আওয়ামী বইমেলায়’ পরিণত’

অনলাইন ডেস্ক

‘একুশে বইমেলা ‘আওয়ামী বইমেলায়’ পরিণত’

একুশে বইমেলা সার্বজনীনতা হারিয়ে ‘আওয়ামী বইমেলায়’ পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপির জেষ্ঠ্য এ নেতা।

রিজভী বলেছেন, বইমেলা ছিল সার্বজনীন। এখন সেই সার্বজনীনতা হারিয়ে গেছে। বইমেলায় এখন একদলীয় দুঃশাসনের দূরন্ত প্রভাব পড়েছে।

‘এই বইমেলার বিভিন্ন স্টল আওয়ামীকরণে সজ্জিত করা হয়েছে। মেলায় ঢুকলেই মনে হয়, এটি যেন আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

ফেব্রুয়ারি মাসে অমর একুশে গ্রন্থমেলা চলছে। বইমেলাটি আগে ছিল সার্বজনীন। কিন্তু বইমেলার সার্বজনীনতা হারিয়ে গেছে। বইমেলার সর্বজনগ্রাহ্য সম্ভ্রম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে’ বলেন রিজভী।

দেশে লুটপাট চলছে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, দেশে চারদিকে লুটপাটের মহামারি চলছে। সরকারের লোকজন যে যেভাবে পারছে বেপরোয়াভাবে লুটে নিচ্ছে জনগণের অর্থ-সম্পদ। দেশের মানুষ ফৌত হয়ে গেছে। আওয়ামী লুটপাটের বড় খাত কেবল শেয়ার বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যাংকগুলো একটির পর একটি দেউলিয়া করার পর এখন জনগণের পকেট কাটতে সরকার একটির পর একটি নতুন ব্যাংক অনুমোদন দিচ্ছে। ব্যাংকে ব্যাংকে সয়লাব এখন দেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন সরকারের রাঘব-বোয়ালদের জন্য লুটপাটের সব অর্গল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী কোনো রকমের যাচাই-বাছাই ছাড়া এক ব্যাংকের পরিচালকরা আরেক ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছেন ইচ্ছামতো। নামমাত্র ব্যবসায়ী, ব্যাংক পরিচালক, ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা ও আওয়ামী রাজনীতিকের সংঘবন্ধ চক্র সুকৌশলে লুট করছে ব্যাংকের টাকা।

সরকার ব্যাংক থেকে টাকা ধার করে চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি করতে গিয়ে এই নিশিরাতের লুটেরা সরকার যে বিশাল বাজেট তৈরি করেছিল, তার জন্য অর্থের সংস্থান করতে পারছে না। আমদানি-রপ্তানি মুখ থুবড়ে পড়েছে, রাজস্ব আয় কম হচ্ছে, সঞ্চয়পত্র থেকে আয় চলে এসেছে নগণ্য পর্যায়ে, ফলে সরকার চলছে ব্যাংক থেকে টাকা ধার করে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য