বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | আপডেট ০২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট আগে

'করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় হাসপাতালে দুই শত বেড প্রস্তুত'

অনলাইন ডেস্ক

'করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় হাসপাতালে দুই শত বেড প্রস্তুত'

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। কেউ আক্রান্ত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি আছে। এই ভাইরাস মোকাবিলায় কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ২ শত বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যদের জন্য আয়োজিত হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলেও বাংলাদেশে কেউ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। তাই করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না। তবে বাংলাদেশে কোনো মানুষের করোনাভাইরাস ধরা না পড়লেও এটি প্রতিরোধে নানা ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এরইমধ্যেই তিনটি বিশেষায়িত হাসপাতালে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে ২০ বেডের একটি আইসিইউ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আরও প্রায় ২০০ বেড রাখা হয়েছে একই হাসপাতালে। পুরো কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী যদি আসে তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সকল হাসপাতালেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে ডেডিকেট করা হয়েছে কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালকে। আমরা আশা করি, এই রোগ আমাদের দেশে আসবে না। তাও চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ ও দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কারও শরীরে এ ভাইরাস দেখা দেয়, তবে সে সব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি দেশের বেসরকারি হাসপাতালে এ সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনামূলক লিফলেট, বুকলেট পাঠানো হয়েছে। সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘চীন থেকে ফিরিয়ে আনা ৩১২ জনকে আশকোনা হজ ক্যাম্পে কোয়ারেন্টাইনে রেখে স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তাদের কারও শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়নি। ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পরে তাদের সবাইকেই বাড়িতে যেতে দেওয়া হবে।’
করোনা মোকাবিলায় এরইমধ্যে এয়ারপোর্ট, ল্যান্ডপোর্টে স্কিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেগুলোকে দিন দিন আরও জোরদার করা হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউয়ের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ। এতে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি রুহুল আমিন খন্দকার, ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরীসহ অন্যরা।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল 

মন্তব্য