মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০ | আপডেট ০৭ মিনিট আগে

প্রতারণার অভিযোগে ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রতারণার অভিযোগে ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও প্রতারণার মামলায় দোহার থানার ভণ্ডপীর মো. মতিউর রহমানসহ ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) এএফএম মারুফ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন- সেন্টু পীর, শুকুর, লিয়াকত, কাজল, জিন্টু, আলমাছ, জুলহাস ও আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবীর বাবুল জানান, মতিউর রহমানকে আলাদা দুই ধারায় তিন বছর এবং অপর আসামিদের একবছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জিন্টু ও আরিফুল ইসলাম মামলাটিতে পলাতক। রায় ঘোষণার সময় সাত আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. তছলিম উদ্দিন।

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর নিউজ টোয়েন্টিফোর চ্যানেলে প্রচারিত ‘টিম আন্ডার কভার’ সংবাদে দোহার থানাধীন লটাখোলা সাকিনে জনৈক ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সঙ্গীসহ প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম নারী ও পুরুষদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। সংবাদে তিনি দেখতে পান, আসামিরা এলাকার সহজ-সরল নারী-পুরুষদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সাড়ে ৭শ করে টাকা নিয়ে হজের মতো প্রতীকী অবস্থার সৃষ্টি করে হজ পালন করান।

ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে মিথ্যা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে মুরিদ তৈরি করে নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করায় বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।

মামলাটি তদন্ত করে দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম শেখ ২০১৭ সালের ৩০ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরের বছর ৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল 

মন্তব্য