সোমবার, ২৫ মে, ২০২০ | আপডেট ৫১ মিনিট আগে

খাবার ও বেতনের দাবিতে

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভারতীয় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভারতীয় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ঠিকাদারের সরবরাহ করা ভারতীয় শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে।

ঠিকমতো খাবার ও বেতন না পাওয়া সহ নানা অভিযোগ এনে সোমবার সকাল ৮টা থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা নির্মাণাধীন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরের সড়কে বিক্ষোভ করে।

বাগেরহাটের ডিসি এসপি ও কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিকেলে তারা বিক্ষোভ বন্ধ করে বিদ্যুৎ কন্দ্রে ফিরে যায়।

বিক্ষোভর ভারতীয় শ্রমিকরা জানান, তাদের ঠিকমতো খাবার দেওয়া হচ্ছে না। ঠিকমতো খাবার না পেয়ে তারা মানবেতর জিবন-যাপন করছেন। ঠিকাদার তাদের বেতনও দিচ্ছে না। অনেকের পাশপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় ভারতে ফিরতে বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভ চলাকালে কর্র্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো সাংবাদিককে সেখানে ঢুকতে দেয়নি। বর্তমানে ঠিকাদারের অধীনে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রায় ২ হাজার ভারতীয় শ্রমিক কাজ করছি। আমরা বকেয়া বেতন চাই- দেশে ফিরে যেতে চাই।

পুলিশ জানায়, ভারতীয় শ্রমিকরা সোমবার সকাল ৮টা থেকে নির্মানাধীন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে ও
বাইরের সড়কে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভের খরব পেয়ে দ্রুত সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সকাল ৮টা থেকে ভারতীয় শ্রকিরদের শুরু করা এ বিক্ষোভ বিকেল ৩টায় এরিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত চলে।

ভারতীয় শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পেয়ে দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ, পুলিশ
সুপার পংকজ চন্দ্র রায় নির্মানাধিন রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ছুটে যান।

ভারতীয় শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা বক্তব্য দিতে না চাইলেও মুঠোফানে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা শ্রমিক বিক্ষোভের বিয়টি নিশ্চিত করে
জানান, ঠিকমতো পর্যাপ্ত খাবার ও পাশপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় বিয়টি দেখা হচ্ছে। ঠিকাদার ওদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি মেনে নিয়েছে। কর্মরত প্রায় ২ হাজার ভারতীয় শ্রমিকদের মধ্যে মাত্র ৩০০ জন দেশে ফিরতে বিক্ষোভ করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকে ভারতে আসা-যাওয়া করলে এই বিদ্যুৎ কন্দ্রেটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকির বিষয়টি আমরা তাদের বলছি। বাগেরহাটের ডিসি ও এসপি সাহেবও বিক্ষোভরত ভারতীয় শ্রমিকদের সেই বিষয়টি।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য