অলিম্পিকের প্রেম!

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

অলিম্পিকের প্রেম!

টেসা ভার্চু আর স্কট ময়ার

অলিম্পিকে আইস ড্যান্সে দ্বিতীয় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলেন কানাডার টেসা ভার্চু আর স্কট ময়ার। জয়ের আনন্দে ভাসছেন তারা। কিন্তু, এ জুটির ভক্তদের কাছে তাদের এ সাফল্যের চেয়েও যেন তাদের 'প্রেম' রসায়নের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই তারা একে অন্যের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন বলে বিশ্বাস ভক্তদের। আর তাদের এ সম্পর্কের কারণেই আইস ড্যান্সে দুজনের ভঙ্গিমা আরও সাবলীল হয়ে উঠছে।

১৯৯৭ সাল থেকে একসঙ্গে স্কেটিং করছেন এই যুগল। তবে তাদের দুজনের পরিচয় আরও পুরনো। প্রায় ৪০বছর আগে, যখন তারা একেবারে কিশোর তখন তাদের পরিচয় হয়। আর সেটা স্কেটিং প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়। এই যুগল অলিম্পিকের দুইটি শীর্ষ পদক, তিনবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, আটবার জাতীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। আর এই সাফল্য তাদের বিশাল ভক্ত বাহিনীও তৈরি করেছে। টুইটার-ইন্সটাগ্রামে তাদের ফলোয়ার সংখ্যাও অনেক।

সারা বিশ্বেই স্কেটিং ভক্তরা, বিশেষ করে কানাডার বাসিন্দারা এই দুই সহকর্মীর একটি সফল পরিণতি দেখতে চান। সামাজিক মাধ্যমে কানাডার লোকজনের বেশিরভাগ স্ট্যাটাসে এখন সেই আকাঙ্ক্ষাই ঘুরে বেড়াচ্ছে।

কানাডার ওয়াং যেমন মন্তব্য করেছেন, ''তারা কয়টি পদক পেলেন, সেটা এখন আর কোন বিষয় না। তারা প্রেম করছে।''

টরেন্টো স্টারের সাংবাদিক ব্রুস আর্থার টুইটারে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ''এই দুজনের ভাস্কর্য কোথায় বসানো যায়? তাদের নিজেদের শহরে নাকি অন্য সবার শহরে?''

তার জবাব পেয়েছেন, ''দেশের প্রতিটি প্রান্তে তাদের ভাস্কর্য থাকা উচিত, যেখানে তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকবে। আর আমরা তার মাঝে গিয়ে তাদের ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পারবো।''

 

যদিও নিজেদের মধ্যে কোন প্রেমের সম্পর্কের কথা নাচক করে দিয়েছে এই যুগল। তাই বলে সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য জল্পনা কল্পনা থেমে নেই। হয়তো তাদের রসায়নকে বাস্তব করার চেষ্টাতেই, একজন ময়ারের উইকিপিডিয়া একাউন্টে ঢুকে লিখে দিয়েছেন যে, এই যুগল ২০১৮ সালের গ্রীষ্মে বিয়ে করতে যাচ্ছে।

তাদের এই সম্পর্কের বিষয়টি এখন আর শুধু কানাডার লোকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের একজন টুইটারে লিখেছেন, ''আগে আমি হাজার ভাগ আমেরিকান সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ভার্চু আর ময়ারের বরফ নৃত্য দেখার পর আমি একজন কানাডিয়ান হয়ে গেছি।''

কানাডার ব্রডকাস্টার সিবিসি তাদের বিশ বছরের ক্যারিয়ার নিয়ে একটি পাঁচ মিনিটের ভিডিও তৈরি করেছে।

তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এই যুগল আভাস দিয়েছেন, এই অলিম্পিকের পরেই তারা অবসরে চলে যেতে পারেন। তবে তাদের সহকর্মীর সম্পর্ক অন্য কোন দিকে রূপ নেবে কিনা, সেই আভাস দুজনের কেউই দেননি। বিষয়টা বোধহয় সময়ের ওপরেই ছেড়ে দিয়েছেন তারা। সূত্র: বিবিসি

পরবর্তী খবর

জন্মদিনের পার্টির পরেই করোনা আক্রান্ত উসেইন বোল্ট

অনলাইন ডেস্ক

জন্মদিনের পার্টির পরেই করোনা আক্রান্ত উসেইন বোল্ট

করোনায় আক্রান্ত হলেন উসেইন বোল্ট। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যে কারণে নিজেকে সেল্ফ-আইসোলেশনে রেখেছেন জামাইকার এই স্প্রিন্ট কিংবদন্তি। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে। কয়েকদিন আগে বোল্টের ৩৪তম জন্মদিনে একটি সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করেছিলেন তাঁর কাছে ঘনিষ্ঠরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইংল্যান্ডের রাহিম স্টার্লিংয়ের মতো একাধিক তারকাও।

খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহের জন্মদিনের পার্টির পরে করোনা টেস্ট করান অলিম্পিকে একাধিক রেকর্ডের মালিক জামাইকার এই স্প্রিন্ট তারকা। গত রবিবার রিপোর্ট হাতে পান। দেখা যায়, তাঁর শরীরেও থাবা বসিয়েছে এই মারণ ভাইরাস। যদিও বোল্টের এই সংক্রমণ উপসর্গহীন বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে রবিবার ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন জামাইকার স্প্রিন্ট স্টার। বাসভবনে তিনি এই মুহূর্তে যে সেল্ফ-আইসোলেশনে আছেন তা ওই ভিডিয়ো থেকেই স্পষ্ট। তবে তিনি মারণ করোনায় আক্রান্ত কি না, সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। শুধুমাত্র জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি। যদিও তথ্যভিজ্ঞ মহলের মতে, ওই পোস্টের ইঙ্গিত থেকেই স্পষ্ট উসেইন বোল্টের শরীরেও করোনার সংক্রমণ ঘটেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ওই ভিডিয়োতে উসেইন বোল্ট বলেছেন, 'সুপ্রভাত বন্ধুরা। এই সবে ঘুম থেকে উঠলাম। প্রতিদিনের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ বোলাচ্ছিলাম। দেখলাম, আমার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর সেখানে ছড়িয়ে পড়েছে। যেহেতু আমি বিদেশে কাজ কাজ করি তাই গত শনিবার টেস্ট করিয়েছিলাম।'

তিনি আরও বলেছেন, 'দায়িত্বশীল ব্য়ক্তি হিসেবে আমি এবং আমার বন্ধুরা ঘরেই থাকব। তবে আমার কোনও উপসর্গ নেই। আমি কোয়ারিনটিনে থাকব। এক্ষেত্রে কী প্রোটোকল আছে তা জানার চেষ্টা করছি। গোটা বিষয়টিকে একেবারে হাল্কা ভাবেই নিয়েছি এবং স্বেচ্ছায় কোয়ারিনটিনে থাকছি। আপনার সকলে নিরাপদে থাকবেন।'

নিউজ টোয়েন্টিফোর/নাজিম

পরবর্তী খবর

হাতিরঝিলে হাফ ম্যারাথন

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাতিরঝিলে হাফ ম্যারাথন

ঢাকা হাফ ম্যারাথনে  দৌঁড়াচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা [ছবি: সংগৃহীত]

রাজধানীর হাতিরঝিলে দূরপাল্লার দৌঁড় প্রতিযোগিতা ‘ঢাকা হাফ ম্যারাথন ২০১৮’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত হাফ এবং মিনি- দুটি আলাদা বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন দেশ-বিদেশের ৬২০ জন প্রতিযোগী। 

সকাল ৬টায় হাফ ম্যারাথন শুরুর ১৫ মিনিট পর শুরু হয় মিনি ম্যারাথন। প্রতিযোগীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক। রাজধানী ঢাকাকে বিশ্ব দরবারে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন ও নাগরিকদের সুস্থভাবে জীবনযাপনে উৎসাহিত ঢাকা রান লর্ডস ও থাউজেন্ড মাইলস এক্সপেডিশন বাংলাদেশ নামের দুটি অ্যাডভেঞ্চার ও ক্রীড়া সংগঠন যৌথভাবে এ ম্যারাথন আয়োজন করে। 

হাফ ম্যারাথনে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা ২১ দশমিক ১ কিলোমিটার দৌঁড়ান। এই পথ পাড়ি দিতে পুলিশ কনকর্ড প্লাজা থেকে গোটা হাতিরঝিল এলাকা তিন বার ঘুরতে হয়েছে তাদের। দৌঁড় শেষ করার জন্য হাফ ম্যারাথনের প্রতিযোগীদের বরাদ্দকৃত সময় ছিল ৩ ঘণ্টা। আর মিনি ম্যারাথনের প্রতিযোগীরা দৌঁড়েছেন ৭ কিলোমিটার। তারা একবার হাতিরঝিল এলাকা ঘুরে এসেছেন। তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ ঘণ্টা সময়। 

হাফ ম্যারাথনে অংশ নিয়ে পুরুষ ক্যাটাগরিতে প্রথম হন আবদুর রহমান। তিনি দৌঁড় শেষ করতে ১ ঘণ্টা ২৭ মিনিট সময় নেন।একই বিভাগের নারী ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন সিউতি সবুর। তিনি সময় নেন ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট। 

এদিকে, মিনি ম্যারাথনের সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৪ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে সবার আগে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেন  শরিফুল ইসলাম। এই বিভাগের নারী ক্যাটাগরিতে প্রথম হন ভিনদেশী ক্লারা ডি গিরোলামো। 

ম্যারাথন শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান। এমন একটি ‘পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর’ আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে জ্ঞাপন করেন। পুরস্কার বিতরণীতে আরো উপস্থিত ছিলেন ম্যারাথনের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।  সামনের বছর বাংলাদেশে একটি পুরো ম্যারাথন আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। 

এসআরএ, নিউজ টোয়েন্টিফোর

পরবর্তী খবর

স্কেটিংয়ের সময় খুলে পড়লো পোশাক (ভিডিও)

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

স্কেটিংয়ের সময় খুলে পড়লো পোশাক (ভিডিও)

অলিম্পিকে আইস স্কেটিং-এ পোশাক বিড়ম্বনায় পড়েন ফ্রান্সের গ্যাব্রিয়েলা পাপাদাকিস

শোবিজ তারকারা মাঝেমধ্যেই পোশাক বিড়ম্বনার খবর দিয়ে সংবাদের শিরোনাম হন। অনেকক্ষেত্রে এগুলো দুর্ঘটনাবসত হলেও সমালোচনা রয়েছে অভিনেত্রীরা প্রচারে আসতেই ইচ্ছাকৃতভাবে পোশাক বিড়ম্বনায় পড়েন। তবে সে বিতর্কের সঙ্গে অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতার আসরের কোন সম্পর্ক নেই তা চোখ বন্ধ করেই বলা যায়। তবে দক্ষিণ কোরিয়াতে চলমান শীতকালীন অলিম্পিকে এবার বিব্রতকর ঘটনার ছড়াছড়ি। তারমধ্যে রয়েছে পোশাক বিড়ম্বনার মতো ঘটনাও।

সোমবার অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের পর্বে আইস স্কেটিং-এ নেমেছিলেন ফ্রান্সের গ্যাব্রিয়েলা পাপাদাকিস এবং গুইলাউম সিজেরন। সব কিছুই ঠিকঠাক এগোচ্ছিল।কিন্তু হঠাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
 একটা মুহূর্তে এসে সিজেরনের সঙ্গে ‘মুভ’ করার সময় গ্যাব্রিয়েলার পোশাকের বাঁ দিকের অংশ নিচের দিকে নেমে যায়। আর তাতেই উন্মোচিত হয়ে পড়ে তার বাঁ দিকের বক্ষ। বিষয়টা ওই মুহূর্তে অনুভব করা সম্ভব হলেও সেদিকে লক্ষ্য করার মতো সুযোগ গ্যাব্রিয়েলার ছিল না। স্কেটিংয়ের গতি কমতেই নিজের দিকে তাকিয়ে অস্বস্তিতে পড়েন গ্যাব্রিয়েলা। তবে পেশাদারিত্বের জায়গাকে প্রাধান্য দিন তিনি। কারণ, তিনি যে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাই থামলেন না। চালিয়ে গেলেন স্কেটিং।

গলার পেছনে যে বেল্টটি দিয়ে পোশাক আটকানো থাকে সেটি খুলে যায় গ্যাব্রিয়েলার। স্কেটিংয়ের বাকি সময়টা এটি খোলা অবস্থায় রেখেই তাদের পারফরমেন্স শেষ করতে হয়। এ সময় একাধিকবার শরীর থেকে পোশাক সরে যায়, আবার ঠিক হয়।

বহু মানুষের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় পোশাক খুলে পড়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে। জনতার সামনে লজ্জায় পড়েছেন অনেক অভিনেত্রী। সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা করেছেন। তবে ফ্রান্সের আইস স্কেটার গ্যাব্রিয়েলা পাপাদাকিসের পোশাক খুলে যাওয়ার পর তিনি যা করেছেন তা আসলেই আর দশ জনের থেকে আলাদা। পুরুষ সঙ্গী গুইলাউমে সিজেরনের সঙ্গে সমান তালে স্কেটিং করে গেছেন। দর্শকরা ওই সময় মুগ্ধ হয়ে এ জুটির পারফরম্যান্স দেখেছেন। করতালিতে ভাসিয়ে দিয়েছেন।

পারফরমেন্স শেষে গ্যাব্রিয়েলা জানান, ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন এটা! বারে বারেই নিজেকে বলছিলাম, থামলে চলবে না। এগিয়ে যেতে হবে। একটা সময় তো মনে হচ্ছিল, আর পারব না। সবটাই খুলে যাচ্ছে যেন; শেষ পর্যন্ত টপটা গায়ে থাকবে কিনা সেই ভাবনাও এসেছিল। চোখে পানি এসে গিয়েছিল। কিন্তু, থামিনি এক বারের জন্যও।

তবে পারফরমেন্সে বিচারক ও দর্শকের হৃদয় হরণ করলেও পোশাক বিড়ম্বনার সাজা তাদেরকে পেতে হয়েছে। হারাতে হয়েছে স্বর্ণপদক। এ জুটির স্কোর দাঁড়ায় ৮১.৯৩ যা সর্বোচ্চ স্কোরধারী কানাডিয়ান জুটি থেকে অল্পই কম। ওই জুটি পেয়েছে ৮৩.৬৭। 

সিজেরন বলেন, পোশাক বিড়ম্বনার কারণে পয়েন্ট হারানো সত্যিই হতাশার। আমরা এরজন্য মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না।

 

এদিকে বরফের ওপর পোশাক বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার উরা মিন। পুরুষ সঙ্গী আলেকজান্ডার গ্যামেলিনের সঙ্গে কসরত শুরুর কয়েক সেকেন্ড পরই পোশাক বিড়ম্বনায় পড়েন তিনি। এবং পুরো সময়টা তাকে একাধিকবার পোশাক ঠিক করতে হয়।

পরবর্তী খবর

অচেতন করে স্বর্ণজয়ী জিমন্যাস্টকে বিছানায় নেয় টিমের ডাক্তার

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

অচেতন করে স্বর্ণজয়ী জিমন্যাস্টকে বিছানায় নেয় টিমের ডাক্তার

স্বর্ণজয়ী মার্কিন জিমন্যাস্ট ম্যাকাইলা মারুনি

হলিউডের নামজাদা অভিনেত্রীরা একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলছেন প্রযোজক-নির্মাতাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু স্বর্ণজয়ী মার্কিন জিমন্যাস্ট ম্যাকাইলা মারুনি জানিয়েছেন, এটা শুধু শোবিজ জগতেই নয়, সর্বত্রই ঘটছে। তিনি নিজেও এমন অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন।

'মি টু'(আমিও) হ্যাসট্যাগ দিয়ে জনপ্রিয় ক্যাম্পেইন চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তারই অংশ হিসেবে মারুনি টুইটারে জানান, ক্ষমতাবান মানুষেরা সুযোগের অপব্যবহার করে নারীদের যৌন হয়রানি করে আসছে। এ নিয়ে এসব ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার মুখোমুখি করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এসব ঘটনার শিকার নারীদেরও সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

টুইটারে বুধবার একটি দীর্ঘ বিবৃতি দেন মারুনি। তিনি আমেরিকার হয়ে জিমন্যাস্টিকসে দলগত ইভেন্টে সোনা ও এককভাবে রুপা পদক জিতেছেন। তার বয়স এখন ২১।

বিবৃতিতে মারুনি বলেন, 'সাত বছর ধরে আমি টিমের ডাক্তার ল্যারি নাসার দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি।'

''১৩ বছর বয়সেই আমার এ তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমি দেশের হয়ে অলিম্পিকে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু সে স্বপ্ন পূরণের মূল্য আমাকে মর্মান্তিকভাবেই দিতে হয়েছে। যখনই ওই চিকিৎসক সুযোগ পেয়েছেন আমার সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন। টোকিওতে যাওয়ার পথে তিনি আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিলেন। আমাকে অচেতন করে হোটেলে আমার সঙ্গে রাতযাপন করেছেন। তখন আমার বয়স ছিল ১৫। সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম রাত। মনে হচ্ছিল সেই রাতেই আমি মারা যাব।'' 

পরবর্তী খবর

এবার ফুটবল মাঠে উসাইন বোল্ট! 

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্প্রিন্টার হিসেবে কোনও স্বপ্নই আর অপূর্ণ নেই। কিন্তু ট্র্যাকের বাইরে একটা স্বপ্ন আছে গতিমানব বোল্টের। যা এখনও পূর্ণ হয়নি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে অন্তত একটা ম্যাচে মাঠে নামতে চান তিনি।  অবশেষে সেই সুযোগটি আসছে।

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলে ২ সেপ্টেম্বর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নামার সুযোগ আসবে বোল্টের। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লেজেন্ডস বনাম বার্সিলোনা লেজেন্ডস ম্যাচে অংশ নেওয়ার জন্য ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বোল্টকে। বোল্টকে শুধু সময়মত সুস্থ হয়ে উঠতে হবে।  

জানা গেছে, ম্যানইউ দলে খেলবেন অ্যান্ডি কোল, এডউইন ভ্যান ডার সার, পল স্কোলস, ডোয়াইট ইয়র্ক, ফিল নেভিলরা। বার্সিলোনা দলে খেলবেন এরিক আবিদাল, পপেস্কুরা। এর বাইরেও ফুটবল মাঠে নামার সুযোগ থাকছে বোল্টের সামনে।  

ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ডিভিশনের ক্লাব বার্টন অ্যালবিয়নের পক্ষ থেকে বোল্টকে ট্রায়ালে আসার অনুরোধ করা হতে পারে। ট্র্যায়ালে বোল্ট যোগ দেবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। তবে সুস্থ হয়ে গেলে ম্যান ইউয়ের জার্সিতে দেখা যাবে বোল্টকে। কারণ তিনি যে 'রেড ডেভিলস'দের বড় ভক্ত, তা বারবার জানিয়েছেন বোল্ট। এমনকী পেশাদার ফুটবল খেলার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন একসময়। এবার বোল্টের সামনে সুযোগ এসেছে ম্যানইউয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামার।

পরবর্তী খবর