শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০ |

পদ্মা নদীতে নৌকাডুবিতে ২১ জন উদ্ধার, নিখোঁজ ৫

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মা নদীতে নৌকাডুবিতে ২১ জন উদ্ধার, নিখোঁজ ৫

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীতে নৌকা ডুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ২১জন জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৫ জন। আজ শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নে শয়তানখালী পদ্মা নদীর ঘাট থেকে বাদাম তোলার জন্য ২৬ জন শ্রমিক নিয়ে চরনাছিরপুর চরে যাচ্ছিল ছোট ইঞ্জিন চালিত নৌকাটি। পদ্মা নদীর মাঝ পথে হঠাৎ নদীতে বাতাস উঠে এলে নদীর মাঝেই নৌকা ডুবে যায়।

২৬ জনের মধ্যে ২১জন সাতার কেটে নদী পাড় হয়ে ঘাটে এলেও এ ঘটনায় এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূরবী গোলদার জানিয়েছেন। নৌকাডুবির ঘটনায় কেউ নিহত হয়েছেন কিনা সেটি তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধ্যানের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এলাকাবাসীর দুটি ট্রলার দিয়ে নদীতে। নৌকা ডুবীতে নিখোঁজরা হলেন, কুষ্টিয়ার চুয়া ডাঙ্গার মো. শাহাবুর (৩৫),শিলন মিয়া (৩৮), আঃ রাজ্জাক হোসেন (৪০), সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের বাছের খার ডাঙ্গী গ্রামের মো. সহিদ (১৬), রুবেল হোসেন (২৭)।

নিখোঁজদের পরিবারের মাঝে চলছে স্বজন হারানোর আর্তনাদ। স্বজনহারা পরিবারগুলোর মাঝে শান্তনা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূরবী গোলদার। সাথে ছিলেন সদরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান।

জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢেউখালীর নওয়াব মোল্যার ঘাট থেকে প্রথমে ১৬ জন শ্রমিক ও পরে শয়তানখালীঘাট থেকে ১০জন মোট ২৬জন বাদাম তোলার জন্য শ্রমিক নিয়ে মো. লালন ফকিরের নেতৃত্বে তার পুত্র মো. শাকিল হোসেন (১৮) নৌকা চালিয়ে পদ্মা নদী পাড় হচ্ছিল। ২৬ জন শ্রমিকের মধ্যে কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গার ৬ জন এবং ২০ জন চরনাছিরপুর ও ঢেউখালী ইউনিয়নের। শ্রমিকরা বাদাম তোলার জন্য চরনাছিরপুর চরে যাচ্ছিল।  

ঘটনার খবর পেয়ে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূরবী গোলদার, সদরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, সদরপুর থানার ওসি সৈয়দ লুৎফর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এ ঘটনায় নৌকার মালিক মো. লালন ফকির কে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নিয়েছেন।

 

নিউজ টোয়েন্টিফোর/কামরুল

মন্তব্য