শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০ | আপডেট ৩১ মিনিট আগে

তিস্তার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত

ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪ জলকপাট খুলে দিল পাউবো

মো. রেজাউল করিম, রংপুর থেকে

তিস্তার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার তিস্তা চর অঞ্চলগুলোতে আগাম বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এদিকে তিস্তার পারের মানুষ বন্যার আশঙ্কা করছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে চারটায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি

বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারেজ দোয়ানী পয়েন্টে তিস্তা পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার। ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪টি জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলের কারণে তিস্তা নদীর চর এলাকাগুলোতে লোকজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধিতে চরের কৃষকরা ভুট্টা নিয়ে বিপাকে আছেন। উজানের পানি ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা ও জলবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

এদিকে পাটগ্রাম উপজেলায় বুড়িমারী ৭ নং ওয়ার্ডে ৩ শত পরিবার পানিবন্দীর খবর পেয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি কালভার্টের মুখ কেটে দিলে ৩০০ পরিবারের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ হয়।

হাতীবান্ধা উপজেলা গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জানান, আমার ইউনিয়নের ৫ ও ৬ ওয়ার্ডের লোকজন পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

গড্ডিমারী ইউনিয়নের ছয়আনী গ্রামের আমিনুর মিয়া জানান, গড্ডিমারীর ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের পরিবারগুলো নদীর পানি বৃদ্ধিতে প্রতিনিয়তেই দুর্ভোগে পরেন। নতুন করে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র দোয়ানী ডালিয়া’র নির্বাহী প্রকোশীলী রবিউল ইসলাম জানান, বৃষ্টি আর উজানের ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চর এলাকার কিছু পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বিপদসীমার ৮ সে. মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলেও জানান পাউবোর এই কর্মকর্তা।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে জেলায় কোনো পরিবার পানিবন্দী নেই।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য