রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০ | আপডেট ০১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট আগে

পাহাড়ে বিরল ও বিলুপ্ত ৩২ প্রজাতির বৃক্ষ রোপন শুরু

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পাহাড়ে বিরল ও বিলুপ্ত ৩২ প্রজাতির বৃক্ষ রোপন শুরু

পাহাড়ে বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় ৩২ প্রজাতির বৃক্ষ রোপন শুরু করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ। সোমবার সকালে এ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ (বন সংরক্ষক রাঙামাটি) অঞ্চলের কর্মকর্তা মো. সানাউল্লাহ পাটুয়ারী।

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান শাহ্ পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কালের পরির্বতনে বিলুপ্ত প্রায় এখন হাজারো বন্যপ্রাণী। একটা সময় রাঙামাটির বিস্তুৃত বনাঞ্চলে বন্য প্রাণীর দ্বিতীয় বৃহত্তর আধার হিসেবে বিবেচনা করা হতো। নানা প্রজাতির বৃক্ষ নিয়ে সমৃদ্ধ ছিল পাহাড়ি এ অঞ্চলে। এখন সেটা শুধুই কল্পনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত জুম চাষ ও নির্বিচারে বৃক্ষ নিধনই বন ধ্বংসের মূল কারণ। তাই পাহাড়ে বিরল প্রজাতির অসংখ্য বৃক্ষ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। একই সাথে হ্রাস পাচ্ছে পাহাড়ের উষ্ণমন্ডলীয় মিশ্র চিরহরিৎ বনাঞ্চলও। তাই পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ধরে রাখতে বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় ৩২প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করা হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগ (বন সংরক্ষক রাঙামাটি) অঞ্চলের কর্মকর্তা মো. সানাউল্লাহ পাটুয়ারী জানান, পাহাড়ের ভারসাম্য ধরে রাখতে আর বিরল প্রজাতির বিলুপ্ত হওয়া বৃক্ষগুলোর শূন্যতা পূরণ করতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাহাড়ে বৃক্ষ নিধনের ফলে মাটি ক্ষয়, পাহাড় ধসের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বৃক্ষ রোপন জরুরি হয়ে পরেছে।

এসব বৃক্ষগুলো সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রোপন করা হচ্ছে। সেগুলো হলো- আলিখিয়ং রেঞ্জ, কাপ্তাই রেঞ্জ, কর্ণফুলী রেঞ্জ, ফারুয়া রেঞ্জ, সাংগ্রাছড়ি রেঞ্জ, সুবলং রেঞ্চ, সদর রেঞ্জ।

এসব এলাকায় উড়ি আম, গুদা, গুটগুটিয়া, কাউ, ধলিগর্জন, ধারমারা, ডুমুর, সিভিট, তেলশুর, ঢাকিজাম, গোলাপজাম, তমাল, পিতরাজ, শিউরি, জারুল, কাঞ্চনবাদী, লোহাকাঠ, পুতিজাম, হরিতকি, বৈলাম সোনালু, হলদু, বৈদ্য নারিকেল
প্রজাতির চারাগাছ রোপন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় ১৭ হাজার ৫০০টি গাছ রোপন করা হবে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য