কোন মাস্ক বেশি সুরক্ষিত, মাস্ক পরার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে

অনলাইন ডেস্ক

কোন মাস্ক বেশি সুরক্ষিত, মাস্ক পরার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে

করোনার গ্রাস থেকে বাঁচতে মাস্ক পরাটা একেবারে বাধ্যতামূলক হয়ে দাড়িয়েছে। বাজারে মাস্কের ছড়াছড়ি। এতো এতো মাস্কের ভিড়ে আপনি পরবেন কোনটা? কাপড়ের মাস্ক, সার্জিক্যাল মাস্ক না এন-৯৫। কিন্তু কোন মাস্ক কতটা নিরাপদ? কত বারই বা ব্যবহার করা যাবে তা?

করোনা-হানার মাস ছয়েক পরেও মাস্ক নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। এ নিয়ে কিছু গুরুত্তপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

ফিল্টার যুক্ত এন-৯৫ মাস্ক বাইরে থেকে ভাইরাস ঢোকা আটকে দেয় বলে মাস্ক পরিহিতের সুবিধা হলেও তা অন্যদের বিপাকে ফেলতে পারে। কারণ, ফিল্টার যুক্ত এন-৯৫ মাস্ক পরা ব্যক্তিরা করোনাভাইরাসের বাহক হলে, তাঁর নিঃশ্বাসের মধ্যে দিয়ে তা বেরিয়ে অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে।

ফিল্টার নেই, এমন এন-৯৫ মাস্ক পরা যেতেই পারে। এই ধরনের মাস্ক করোনাভাইরাসের পাশাপাশি বায়ুবাহিত ধূলিকণা ও সূক্ষ্ম জলকণা থেকে সুরক্ষা দেয়। এমন এন-৯৫ মাস্কের ভাইরাস প্রতিরোধের কার্যকারিতা তাই অনেক বেশি, প্রায় ৯৫ শতাংশ। এছাড়াও এফএফপি (ফিল্টারিং ফেস পিস)-২, এফএফপি-১ এবং এফএফপি-৩ মাস্কও তুলনামূলক ভাবে বেশ সুরক্ষিত। এফএফপি-২ মাস্কের কার্যকারিতা প্রায় ৯৪ শতাংশ। অন্য দিকে, প্রায় আশি শতাংশ ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে এফএফপি-১ মাস্ক। তবে এফএফপি-৩ মাস্কের কার্যকারিতা এ সবের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৯৯ শতাংশ।  এন-৯৫ বা এফএফপি জাতীয় মাস্ক তো পরলেন। কিন্তু, তা ঠিক কত বার ব্যবহার করা যাবে? বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, পানি দিয়ে একবার ধোয়া হলে এ ধরনের মাস্কের কার্যকারিতা কমে যায়। এবং পাঁচ বারের বেশি তা কখনই ব্যবহার করা উচিত নয় বলে জানান তারা।

এন-৯৫ বা এফএফপি জাতীয় মাস্ক তুলনামূলক ভাবে দামি হওয়ায়, তার বদলে অনেকেই সার্জিক্যাল মাস্ক পরেন। সার্জিক্যাল মাস্কের কার্যকারিতা ৯৫ শতাংশের বেশি হলেও তা এক বারের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয় বলে চিকিৎসকদের মত। এই ধরনের মাস্ক বড় জলকণা বা দেহ বর্জিত বিপজ্জনক তরলের ছিটে থেকে সুরক্ষা দেয়। সুরক্ষা দেয় করোনাভাইরাসের হাত থেকেও।

এন-৯৫ বা এফএফপি অথবা সার্জিক্যাল মাস্ক ছাড়াও কাপড়ের বিভিন্ন ধরনের মাস্কে বাজার ছেয়ে গেছে। তবে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, কাপড়ের মাস্কে কতটা সুরক্ষিত থাকা যায়, তা শতাংশের হিসাবে বলা সম্ভব নয়। তবে একেবারে কোনও মাস্কের সুরক্ষা না থাকার থেকে বরং কাপড়ের মাস্ক পরা ভাল।

তবে মাস্কের বদলে গামছা, রুমাল বা ওড়না দিয়ে নাক-মুখ ঢাকা একেবারেই সুরক্ষিত নয়। কাপড়ের মাস্কে বায়ুবাহিত ধূলিকণা এবং সূক্ষ্ম জলকণা থেকে আংশিক সুরক্ষা প্রদান করে। কাপড়ের মাস্ক এক বারের বেশি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে প্রতি বার ব্যবহারের পর তা গরম পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। এবং কাপড়ের মাস্ক ছিঁড়ে গেলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়।

নানা ধরনের মাস্ক নিয়ে কথা তো হল। তবে মাস্ক ব্যবহার করলেই হল না। তা ব্যবহার করার আগে-পরে কিছু নিয়মও মেনে চলতে হবে। যে কোনও ধরনের মাস্ক পরার আগে সাবান বা অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাতে মাস্ক পরতে হবে। সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করে মাস্ক পরলেই হল না। ব্যবহার করার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে, মাস্ক যেন ছেঁড়া বা ফাটা না হয়। মাস্ক পরলেও অনেকেই তা নিয়ে সতর্ক নন। ভুলে যাবেন না, মুখ-নাক রক্ষা করার জন্যই মাস্ক পরেছেন। তাই তা দিয়ে যেন সব সময় নাক-মুখ ঢাকা থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই মাস্ক পরে তা নাক বা থুতনির নীচে তা ঝুলিয়ে রাখেন। এটা করা একেবারেই উচিত নয়। বার বার মাস্কে হাত দেওয়া একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। সেই সঙ্গে মনে রাখবেন, মাস্কের সামনের অংশ স্পর্শ করা যাবে না। নিতান্তই যদি মাস্কের সামনে হাত দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করে নিন। মাস্ক স্পর্শ করার পরে ফের হাত পরিষ্কার করুন। 
নিউজ টোয়েন্টিফোর / সুরুজ আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঈদে অনলাইন শপিংয়ে টাকা বাঁচানোর ৫ উপায়

একটু স্মার্ট ক্রেতা হলেই অনলাইন কেনাকাটায় টাকা বাঁচাতে বা বাজেটের মধ্যেই কিনতে পারবেন আপনার পছন্দের জিনিসগুলো। এর জন্য মনে রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে-

১. প্রথমে ঠিক করুন আপনি কোন কোন জিনিস কিনবেন। সেই জিনিসগুলোর দাম বিভিন্ন শপিং সাইট থেকে যাচাই করুন। কোন সাইটে কত দামে পাচ্ছেন তা যাচাই করুন। এভাবে একটি ধারণা নিতে পারেন।

২. ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রডাক্টের অনলাইন পেইজে এখন মূল্যছাড় দেয়। সারাক্ষণই কোনো না কোনো ডিসকাউন্ট কিংবা স্পেশাল অফার চলতেই থাকে। ডিসকাউন্টের সময় আপনার পছন্দের প্রডাক্টটি কিনে নিন।

৩. বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপের কারণে বিশেষ ছাড় পাওয়া যায়। সেগুলোও কাজে লাগাতে পারেন। ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের অফার থাকে। সেই অফারেও কিনে নিতে পারেন।


রোজা রেখে ২৮০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে বাড়ি পৌঁছাল মৌসুমি

পরিচয় পাওয়া গেছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই মাইক্রোবাস চালক ও মালিকের

ইসরায়েলের লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


৪. ক্যাশ অন ডেলিভারি অপশনের দিকে নজর রাখুন। প্রডাক্ট অর্ডারের পর নিশ্চিত হয়ে পেমেন্ট করুন। না হলে এমনও হতে পারে, আপনি পছন্দের জিনিস বেছে অর্ডার দিচ্ছেন, সঙ্গে কার্ড দিয়ে পেমেন্টও করেছেন। কিন্তু ডেলিভারিই হলো না।

৫. অবশ্যই কোনো কিছু কেনার আগে সেই পেইজের রিভিউ দেখে নিন। প্রোডাক্টটি আগে যারা কিনেছিলেন, তাদের রিভিউ জেনে নিন। এতে ভালো পণ্যটি কিনতে সফল হবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

মেহেদি কেনার আগে যা জানা জরুরি

ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতির শেষ নেই। ঈদ অপূর্ণ থেকে যায় যদি হাত মেহেদির রঙে রাঙা না হয়। বিশেষ করে চাঁদরাত হাতে মেহেদী লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ের নারী ও শিশুরা। তবে হাতের কাছে কম মূল্যে যে-সে মেহেদি পেলেই কিনবেন না। এতে মারাত্মক বিপদ হতে পারে। বিপদ এড়াতে মেহেদি কেনার আগে আমাদের যা জানা জরুরি-

১. খাঁটি মেহেদির রঙ কখনো কালো হয় না। সব ধরনের কালো মেহেদিতেই ভেজাল বা কেমিকেল মেশানো থাকে।

২. আসল মেহেদি কখনোই  পাঁচ মিনিট বা তার কম সময়ে গাড় রঙ দেয় না। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর আসল মেহেদির রঙ গাঢ় হতে থাকে।

৩. মেহেদির রঙ গাঢ় খয়েরি না হলে অনেকেরই মন খারাপ হয়ে যায়। তবে জানেন কি? আসল মেহেদির রঙ কখনোই এতোটা গাঢ় হয় না।

৪. মেহেদি কেনার সময় মেয়াদ দেখে কিনুন। বেশি পুরোনো হলে আবার রঙ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫. পার্লারে মেহেদি লাগাতে গেলে দেখে নিন নতুন মেহেদি দিচ্ছে কি-না। প্রয়োজনে নিজেই মেহেদি কিনে নিয়ে যান।

৬. ফ্রিজে রাখা মেহেদি ব্যবহারের আগে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। তারপর হাতে লাগান।

৭. শিশুদের হাতে দেয়ার জন্য পাতা মেহেদি বেটে হাতে লাগাতে হবে। এতে শিশুর কোমল হাত সুরক্ষিত থাকবে।

৮. পাঁচ মিনিটেই গাঢ় লাল রঙ পেতে এখন অনেকেই বিভিন্ন মেহেদি ব্যবহার করে থাকেন। এগুলো ত্বক এমনকি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এগুলোতে প্রচুর কেমিকেল থাকে।


রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ ও ‘বি’ হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি: গবেষণা

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বিশ্বে করোনায় একদিনে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু

বাংলাদেশি নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


৯. যেকোনো মেহেদি ব্যবহারের আগে অল্প পরিমাণে হাতে অথবা কানের পেছনে ব্যবহার করুন। এতে অ্যালার্জি হলে জ্বালা-পোড়া করবে বা চুলকাবে। এমন হলে ওই মেহেদি ব্যবহার করবেন না।

১০. মেহেদিতে সাধারণত কার্বোলিক এসিড ব্যবহার করা হয়। যা ত্বকের কোষগুলোকে মেরে ফেলে এবং এর প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ধ্বংস করে। ফলে মেহেদির রঙ দ্রুত গাঢ় হয়।

১১. মেহেদি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার কারণ হলো এতে মেশানো পিপিডি কালি। এই কেমিকেল ত্বকের মারাত্মক অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কেমিকেল মেশানো হয় মেহেদিতে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

প্রচন্ড গরমে অনেকেই ঘামাচির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এই ঘামাচি শরীরের মুখ, হাত, পা, ঘাড়, বুক, পিঠ এমনকি যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এর ফলে শরীরে অনেক চুলকানি হয় এবং লালচে ভাব তৈরি হয়।

ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। তবে জানেন কি, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সহজেই এই বিরক্তিকর ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

>> কাঁচা আলু ঘামাচির সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর। কাঁচা আলুর পেস্ট তৈরি করে শরীরে লাগাতে পারেন। এতে ঘামচি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

>> তরমুজ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। তাই তরমুজের পাল্প ঘামাচিতে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> ঘামচিতে ফিটকিরি মিশ্রিত পানি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গোসল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> বেসনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে প্রলেপ দিয়ে কিছু সময় পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।

>> লাউ এমনিতেই ঠাণ্ডা একটি সবজি। ঘামাচির জন্য লাউ আগুনে ঝলসে নিয়ে তা থেকে রস বের করে কিছুদিন খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

>> লেবুর রসে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ঘামাচি দূর করতে বেশ কার্যকরী। ঘামাচিতে উপকার পেতে দিনে ৩ থেকে ৪ গ্লাস লেবুর রস মিশ্রিত পানি পান করুন।

>> কয়েক দিন শরীরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ঘামাচি ভালো হয়ে যায়। সেজন্য অ্যালোভেরা পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে তা শরীরে প্রলেপ মেখে নিতে হবে। জেল আপনা-আপনি শুকিয়ে গেলে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে

>> ঘামাচিতে উপকার পেতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেসব স্থানে ঘামাচি আছে, সেখানে বরফ ঘষা। তাছাড়া ঠাণ্ডা পানিও ভালো আরাম দেয় ঘামাচিতে।

>> মুলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচিতে বেশ উপকারী। এই পেস্ট তৈরি করতে লাগবে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি,  গোলাপ জল ২ টেবিল চামচ ও পানি পরিমাণমতো। ঘামাচির জায়গায় এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে ঘামচি ভালো হয়ে যাবে।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


>> এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডার পানিতে ভিজিয়ে তা ভালো করে নিংড়ে ঘামাচির স্থানে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> নিমপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিমপাতার পেস্ট শরীরে লাগিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে শুকাতে হবে। এভাবে ৪ থেকে ৫ বার দিনে ব্যবহার করলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এক মুঠো নিমপাতা ২ কাপ পানিতে ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘামাচির জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে লাগাতে হবে। এভাবে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করতে পারলে ভালো।

>> চন্দন বাটা বা চন্দন গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির স্থানে কয়েকবার লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঘামাচি ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া চন্দন ও ধনেপাতা বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ ধনেপাতায় আছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আর চন্দন ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি দুই-ই কমায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

অনলাইন ডেস্ক


ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

নিজেকে সবার কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে কার না ভালো লাগে। বলছি ফ্রেশ লুকের কথা। সতেজ, সজীব একটি ত্বক পেতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। আজকে আমরা ৬টি বিউটি টিপসকে সম্পকে জানবো। যা আপনাকে প্যারফেট একটা ন্যাচারাল লুক দিবে।

১. সানস্ক্রিন আবশ্যক

আপনি যখন সঠিক বিউটি টিপসের একটা নিয়মে থাকবেন তখন অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে প্রাথমিক স্কিনকেয়ার নিয়বগুলো, কোনভাবে ভুলে গেলে চলবে না। আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যখনি বাইরে যাবেন বা বেরোবেন তার ১৫ মিনিট আগে সর্বদা সানস্ক্রিন প্রয়োগ করতে হবে। রোদে পোড়া থেকে আপনাকে সানস্ক্রিন রক্ষা করবে সবসময়।

২. ময়েশ্চারাইজার

আপনি যদি মনে করেন আপনার মুখটি খুব নিস্তেজ দেখাচ্ছে, তাহলে আপনি মাঝারি কভারেজের জন্য একটি ময়শ্চারাইজারের উপর নির্ভর করতে পারেন। এই উচ্চ কভারেজ ভিত্তিগুলি কেবলমাত্র বড় অনুষ্ঠানের জন্য রাখুন। আর সবসময় মাঝারি কভারেজেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে নিস্তেজভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।

৩. গরম লেবু পানি

সকালে তাজা লেবুর সাথে এক কাপ গরম পানি পান করুন। এই আপনার বিষাক্ত পদার্থগুলি বের করে দেবে এবং আপনার শরীরকে শুদ্ধ করবে এবং আপনাকে একটি চকচকে ত্বক দেবে।

৪. এক্সফোলিয়েট করতে ভুলবেন না

কখনও কখনও আমাদের ত্বকের জন্য কেবল অতিরিক্ত বাফ দরকার হয় এবং এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল স্ক্রাব ব্যবহার করে আপনার মুখটি ফুটিয়ে তুলতে হবে। এক্সফোলিয়েশন মৃত ত্বকের কোষ, জড়িত ছিদ্রগুলি থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। আপনার ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করে আপনি সপ্তাহে ২-৩ বার এক্সফোলিয়েট করতে পারেন।


নিয়ন্ত্রণ হারানো চীনের রকেট পড়লো ভারত মহাসাগরে

যাত্রীদের চাপ সামলাতে সব ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন

অবশেষে করোনামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া

কাবুলে স্কুলের পাশে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৫


৫. একটি টোনার ব্যবহার করুন

যখনই আমরা আমাদের মুখ পরিষ্কার করি, আমরা টোনার ধাপটি এড়িয়ে যাই, যা স্বাস্থ্যকর স্কিনকেয়ার আনুষ্ঠানিকতার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। টোনার পোস্ট ক্লিনজিং আপনার ত্বককে সতেজ করে রেখে ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৬. প্রচুর পানি পান করুন

স্বাস্থ্যকর এবং ঝলমলে ত্বকের জন্য, আপনি হাইড্রেটেড রয়েছেন তা নিশ্চিত করুন। দিনের বেলা প্রচুর পানি পান করুন। এছাড়াও, নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি ভবিষ্যতে আপনার ত্বকটিকে মসৃণ এবং চুলকানামুক্ত রাখতে প্রতিদিনই ময়শ্চারাইজ করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

অনলাইন ডেস্ক

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

ব্যায়ামের উপকারিতা জানা আছে সবারই কমবেশি। কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। যারা জিমে যেতে পারেন না বা খুব হেভি ওয়ার্কআউট যাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী।

ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এই কথা যেমন সত্যি, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও যে ক্ষতিকর তাও সত্যি। আর তাই এ বিষয়ে খুব সতর্ক হওয়া দরকার। অনেকে ব্যথা সহ্য করেই ব্যায়াম করেন। যা মোটেও সঠিক নয়। ‘নো পেইন, নো গেইন’, ব্যায়ামের অনুপ্রেরণা পেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ব্যায়াম করাটা স্বাভাবিক মনে হলেও সবসময় তা ঠিক নয়। কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে।

আসুন সেগুলো জেনে নেই:

ব্যায়াম তিন দিন আগে, ব্যথা আছে আজও

ব্যায়াম শুরু করার প্রথম কয়েকদিন ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। এর কারণ হলো মাংসপেশির ছোট টিস্যু ছিড়ে যাওয়া। এই ছেড়া অংশগুলো যখন পুনর্গঠিত হয় তখন পেশি আরও শক্তিশালী হয়। তবে তা একদুদিনের মধ্যেই সেরে যাওয়া উচিট। আরও বেশি সময় ব্যথা থাকলে বুঝতে হবে আপনি মাংসপেশির উপর বেশি চাপ দিয়ে ফেলেছেন।

ব্যথা সেরে যাওয়ার পর ব্যায়ামাগারে যেতে হবে। কারণ এই অবস্থায় ব্যায়াম করলে ব্যায়াম একপেশে হতে পারে। যার কারণে পরে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নির্দিষ্ট ব্যায়ামে ব্যথা পাওয়া

এটিও বিপদের পূর্বাভাস। ব্যথা যদি তীব্র হয় তবে অর্থোপেডিক স্পেশালিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আর সহনশীল ব্যথা হলে ব্যয়ামের আগে শরীরকে ব্যয়ামের জন্য প্রস্তুত করে নেয়ার প্রতি সতর্ক হতে হবে।

ম্যাকআর্থি বলেন, বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে ‘ওয়ার্ম-আপ’ আর ‘স্ট্রেচিং’য়ের প্রতি। আর ব্যয়ামের ফাঁকে পানি পান করতে হবে। অন্যদের সঙ্গে পাল্লা দিতে যাবেন না। ভার উত্তোলনের ব্যায়াম কম ওজন দিয়ে শুরু করতে হবে। আর প্রশিক্ষকের নির্দেশনা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।

মাংসপেশিতে কাঁপুনি

ম্যাথিউস বলেন, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশির সামান্য কাঁপুনি সমস্যা নয়। তবে থরথর করে কাঁপতে থাকলে এবং শক্তি কমে যেতে থাকলে তা পেশির ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। এই অবস্থায় জোর করে ব্যায়াম করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় ব্যায়ামের স্বাভাবিক পারদর্শীতা থাকে না। এসময় ব্যায়াম করলে পেশি ছিড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আকস্মিক ব্যথা

ধীর ও ক্রমবর্ধনশীল ব্যথা স্বাভাবিক। এর মানে হলো ব্যায়ামটি আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা জটিলতার লক্ষণ।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থোপেডিক সার্জন মোরিয়া ম্যাক্কার্থি বলেন, এক্ষেত্রেও জোর করে নির্দিষ্ট ব্যায়াম করা যাবে না। কারণ এতে পেশি ও হাড়ের জোড়ায় আঘাত লাগতে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর