আজ পবিত্র হজ

অনলাইন ডেস্ক

আজ পবিত্র হজ

আজ বৃহস্পতিবার ৯ জিলহজ পবিত্র হজ। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার সীমিত পরিসরে স্বল্পসংখ্যক হজযাত্রী নিয়ে হজ হচ্ছে। যদিও এ বছর মাত্র ১০ হাজার লোকের অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। 

এক স্বর্গীয় আবহ সৃষ্টি হবে আজ মক্কার অদূরে আরাফার ময়দানে। সবার পরনে সাদা দুই খণ্ড বস্ত্র। সবার দীন বেশ। দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ, রহমত প্রাপ্তি ও নিজের গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহতায়ালার কাছে অশ্রুসিক্ত ফরিয়াদ জানাবেন সমবেত মুসলমানেরা। একে-অপরের সাথে পরিচিত হবেন, কুশল বিনিময় করবেন। সব হজযাত্রী ও বিশ্ব মুসলিমের জন্য প্রদান করা হবে খুতবা। যাতে থাকবে মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনা। বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের এক অনুপম দৃশ্যেরও অবতারণা হবে আজ এই ময়দানে।

এই ময়দানে আজ ধ্বনিত হবে ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়ালমুল্ক।’ (আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার)। একইসঙ্গে আজ কাবা শরিফে নতুন গিলাফও পরানো হবে। 

আজ জোহরের নামাজের ওয়াক্তের আগেই এ বছরের জন্য মনোনীত হজযাত্রীদের সমবেত করা হবে মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ১০ কিলোমিটার বিস্তৃত ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। ১৪০০ বছর আগে এই ময়দানেই রাসূল সা: লক্ষাধিক সাহাবিকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। এই ময়দানেই ইসলামের পরিপূর্ণতার ঘোষণা দিয়ে কুরআনের আয়াত নাজিল হয়েছিল। 

হাজীরা আজ আরাফাতের প্রান্তরে অবস্থান করে সেখানে অবস্থিত মসজিদে নামিরাহ থেকে প্রদত্ত খুতবা শুনবেন এবং একসাথে জোহর ও আসরের নামাজ একই ইমামের পেছনে আদায় করবেন। সূর্যাস্তের পর ময়দান ত্যাগ করবেন। এ বছর হজের খুতবা দেবেন প্রখ্যাত আইন বিশেষজ্ঞ শেখ আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল মানিয়া (৮৯)। 

৮ জিলহজ থেকে টানা পাঁচ দিন ধরে হজের আরো অনেক করণীয় থাকলেও আজ ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়াদানে অবস্থানের দিনকেই হজের দিন বলা হয়। সৌদি আরবের হিজরি মাস গণনা অনুযায়ী হজের কার্যাদি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু হয়েছে গতকাল ৮ জিলহজ বুধবার মিনার তাঁবুতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে। মিনায় হাজীদের জন্য শীততাপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু রয়েছে। পুরুষ ও মহিলাদের থাকার জন্য আলাদা তাঁবু রাখা হয়েছে পাশাপাশি। 

গতকাল মিনায় তালবিয়া, জিকির, নফল নামাজ, হজের মাসলা-মাসায়েল আলোচনার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করেন হাজীরা। আজ ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয়ের পর থেকে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে হাজীদের রওনা হওয়ার নিয়ম। অন্যান্য বছর ভিড় এড়াতে হাজীরা আগের রাতেই আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হতেন এবং সেখানে গিয়ে অস্থায়ী তাঁবুতে অবস্থা নেয়া শুরু করতেন। বাসে, হেঁটে হাজীরা আরাফায় পৌঁছান। বাকিরা হজের দিন সকালে মিনা থেকে সরাসরি আরাফার ময়দানে চলে যেতেন। 

এবার স্বল্পসংখ্যক হাজী হওয়ায় আজ সকালেই সবাইকে বিশেষ ব্যবস্থায় স্বাস্থ্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে আরাফার ময়দানে নিয়ে যাওয়া হবে। সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যস্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা হজের অন্যতম ফরজ। কেউ এই সময়ের মধ্যে এই ময়দানে অবস্থান করতে না পারলে হজ আদায় হবে না। 

এই ময়দানে জোহরের সময় পরপর জোহর ও আসরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করবেন হাজীরা। মুসাফির হওয়ার কারণে নামাজ কসর করবেন (চার রাকাতের স্থলে দুই রাকাত)। নামাজের আগেই মসজিদে নামিরাহ থেকে খুতবা দেবেন নির্ধারিত খতিব। এর আগে পরে হজযাত্রীদের কণ্ঠে উচ্চারিত ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে পুরো ময়দান। আমির-ফকির, ধনী-গরিব, সাদা-কালোর ভেদাভেদ থাকবে না সেখানে। সবার পরনে একই ধরনের সেলাইবিহীন কাপড়, আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা, আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ এবং তারই কাছে গুনাহ মাফ ও রহমত প্রাপ্তির আকুতি।

সূর্যাস্তের সাথে সাথেই আবার মিনায় ফেরার পথে মুজদালিফা নামক স্থানে রাতে অবস্থান নেবেন হাজীরা। ওই স্থানে রাতে অবস্থান করবেন খোলা আকাশের নিচে। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ এক সাথে আদায় করবেন। মিনায় জামারাতে শয়তানের প্রতিকৃতিতে নিক্ষেপের জন্য এখান থেকেই কঙ্কর সংগ্রহ করার নিয়ম। তবে এবার আগেই হাজীদের জীবাণুমুক্ত পাথর সরবরাহ করা হয়েছে। 

রাতে সেখানে অবস্থানের পর কাল ১০ জিলহজ শুক্রবার ফজরের নামাজ শেষে সূর্যাস্তের আগেই মিনার দিকে রওনা হবেন। কালই সৌদি আরবে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। মিনায় গিয়ে জামারাতে বড় শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ এবং কোরবানি করবেন। মিনায় কোরবানি করার পর হাজীরা মাথা মুণ্ডন করে অথবা চুল ছোট করে ইহরাম ভেঙে ফেলবেন। 

এরপর তাওয়াফে জিয়ারাহ করার জন্য মক্কায় যাবেন। তাওয়াফ করে সেখানে হেরেম শরিফ সংলগ্ন সাফা-মারওয়া নামক পাহাড়দ্বয়ের মাঝে দৌঁড়াবেন (সায়ি করবেন)। জিলহজের ১১, ১২ জিলহজ মিনার তাবুতে অবস্থান করেই জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করার নিয়ম। ১২ জিলহজ হজের আনুষ্ঠানিক কার্যাদির সমাপ্তি ঘটবে। কেউ ১২ তারিখ মীনা ত্যাগ না করলে ১৩ তারিখও তাকে জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে হবে। মিনার তাঁবুতে অবস্থান করেই পাঁচ দিনের হজের কার্যাদি সম্পন্ন করবেন হাজীরা। 

এবার সৌদি আরবের বাইরের কোনো দেশ থেকে হজে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না কেউ। মহামারি করোনার কারণে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যারা আগে হজ করেননি, কেবল তারাই এবার হজের সুযোগ পেয়েছেন। 

আর্থিক ও শারীরিকভাবে সমর্থ মুসলিম পুরুষ ও নারীর জন্য হজ ফরজ। এবার যারা হজ করছেন, তারা আজ সূর্যাস্তের আগপর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে মহান আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকবেন।

সৌদি সরকার এবার হজযাত্রীদের ভিআইপি হিসেবে খেদমতের ব্যবস্থা করেছে। হজের আগে পাঁচ তারকা হোটেলে থাকা, উন্নত মানের খাওয়া, যাতায়াত, চিকিৎসাসহ সব সেবা বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে। সর্বোপরি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একাধিক নিরাপত্তাচৌকি বসানো হয়েছে, অনুমোদিত হজযাত্রী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করলে তাদের ১০ থেকে ২০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে।

প্রতিটি বাসে সর্বোচ্চ ২০ জন করে হজযাত্রী চলাচল করছেন। প্রতিদিন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচর্যা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের পাশাপাশি ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে কোরবানির ব্যবস্থা থাকবে। হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী, চিকিৎসক ও স্বেচ্চ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। 

সীমিত পরিসরে ২৯ জুলাই বুধবার মিনায় যাওয়ার মাধ্যমে শুরু হয় হজের কার্যক্রম। মিনায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সর্বোচ্চ ৫০ জন একত্রে পাথর নিক্ষেপ করতে পারবেন। নিক্ষেপের নুড়িপাথর হজ কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যাগের মাধ্যমে সরবরাহ করবে। 

হজে অংশগ্রহণকারীদের সবাইকে বাধ্যতামূলক সাত দিনের সঙ্গনিরোধে (আইসোলেশন) রাখা হয়। মক্কায় আসা নির্বাচিত হজযাত্রীদের আগে থেকেই শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে আলাদা আলাদা স্থানে রাখা হয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁদের ব্যাগপত্র জীবাণুমুক্ত করেন। 

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাকর্মীরা পবিত্র মক্কা ও কাবা শরিফের চারদিকে জীবাণুমুক্ত করতে বিশেষভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেছেন। কোনো হজযাত্রীকে কাবা শরিফ স্পর্শ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যথাযথ দূরত্ব বজায় (১.৫ মিটার বা ৫ ফুট) রেখে তাওয়াফ, নামাজে অংশগ্রহণ, সাঈসহ হজের সব কার্যক্রম পালন করতে হচ্ছে।

আরাফাত ময়দানের তিন দিক পাহাড়বেষ্টিত। মাঝে দুই মাইল দৈর্ঘ্য ও দুই মাইল প্রস্থের এই সমতল ভূমি। জাবাল মানে পাহাড়। জাবালে রহমত হলো রহমতের পাহাড়। রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) জাবালে রহমত পাহাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। 

একে কেউ কেউ দোয়ার পাহাড়ও বলেন। ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মিলন স্মরণ করিয়ে দেয় আদি পিতা হজরত আদম (আ.) ও আদি মাতা হজরত হাওয়ার (আ.) পুনর্মিলনের ঘটনাকে।

হাজিরা আজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থানের পর মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন। শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে।

মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা মিনায় ফিরবেন। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর পশু কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেঁটে (ন্যাড়া করে) গোসল করবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় বদল করবেন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মসজিদুল হারামে গিয়ে কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন।

কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় ‘সাঈ’ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যত দিন থাকবেন, তত দিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট ) শয়তানকে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন।

আজ আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। আরাফাতের ময়দানে মসজিদে নামিরাহ থেকে হজের খুতবা দেওয়া হবে।

এ বছর হজের খুতবা দেবেন শায়খ ড. আবদুল্লাহ বিন সোলায়মান আল মানিয়া। তার বয়স ৯২ বছর, তিনিই সবচেয়ে বেশি বয়সের খতিব। প্রতিবছর হজের দিন কাবা শরিফের গায়ে নতুন গিলাফ পরানো হয়। সেই ধারাবিহকতায় আজও কাবা শরিফে নতুন গিলাফ পরানো হবে। হাজিরা তখন আরাফাতের ময়দানে থাকবেন। আরাফাত থেকে ফিরে এসে তারা কাবা শরিফের গায়ে নতুন গিলাফ দেখতে পাবেন। এই গিলাফ বা কিসওয়া তৈরিতে ব্যবহৃত হয় কালো রঙের ৬৭০ কেজি খাঁটি রেশম। পুরোনো গিলাফকে টুকরা করে বিভিন্ন দেশের ইসলামিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা একজন হাজীর জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয়। হাজীরা এই দিনটিসহ পুরো হজকার্য সম্পাদনের জন্য আজীবন স্বপ্ন লালন করেন। 

হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূল সা: বলেছেন, এমন কোনো দিবস নেই যেখানে আল্লাহতায়ালা আরাফা দিবস থেকে বেশি বান্দাহকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এবং আল্লাহ নিশ্চয় নিকটবর্তী হন ও তাদের নিয়ে ফেরেস্তাদের সাথে গর্ব করেন, বলেন, ওরা কী চায়? (মুসলিম)। আরেক হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা আরাফায় অবস্থানরতদের নিয়ে আকাশবাসীদের সাথে গর্ব করেন। তিনি বলেন, আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে দেখ, তারা আমার কাছে এসেছে আলুথালু ও ধুলায় আবৃত অবস্থায়। (মুসনাদে আহমাদ)

আরাফাতের ময়দান দোয়া কবুলের জায়গা। এখানেই আদি পিতা আদম ও হাওয়া আ:-এর পুনর্মিলন হয়েছিল এবং তাদের দোয়া কবুল হয়েছিল মর্মে বর্ণনা পাওয়া যায়। এই ময়দান রাসূল সা:-এর বিদায় হজের ভাষণের স্মৃতিবিজড়িত। সূর্য হেলে পড়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজীরা গ্রুপে এবং আলাদা আলাদাভাবে দোয়া করতে থাকেন। দুই হাত উঁচু করে অঝোর ধারায় কান্নাকাটি করেন হাজীরা। গুনাহ মাফের আকুতি ছাড়াও জীবনের সব চাওয়াই আল্লাহর দরবারে পেশ করেন। সূর্যাস্তের পর আরাফার ময়দান ত্যাগের সময় নিজেকে নির্ভার-নিষ্পাপ জ্ঞান করে মুজদালিফার দিকে এগোতে থাকেন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য ছুটে যাওয়া মুসলমানরা। 

হজরত আদম আ: কর্তৃক নির্মিত পৃথিবীর প্রথম ঘর কাবাকে কেন্দ্র করেই মূলত হজের কার্যাদি। আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মুসলিম মিল্লাতের পিতা হজরত ইব্রাহিম আ: ও তার ছেলে ইসমাঈল আ: এই কাবা ঘর পুনর্নির্মাণ করেন। হজের বেশির ভাগ কাজই হজরত ইব্রাহিম আ:, তার স্ত্রী হাজেরা এবং ছেলে ইসমাঈল আ:-এর সম্পাদিত কাজের সাথে সম্পর্কিত। মুসলমানরা পশু কোরবানি আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে ইব্রাহিম আ: কর্তৃক স্বীয় শিশুপুত্র ইসমাঈলকে কোরবানি করতে যাওয়ার মহান ত্যাগের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত। হজ ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম এবং সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ।

উল্লেখ্য, হিজরি মাস ঘটনায় সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের এক দিনের পার্থক্য রয়েছে। এই হিসেবে আজ সৌদি আরবে ৯ জিলহজ অর্থাৎ হজের দিন হলেও বাংলাদেশ আজ ৮ জিলহজ। বাংলাদেশে আগামী শনিবার ১০ জিলহজ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। পশু কোরবানি করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ঈদের জামাত কোথায় কখন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় ঈদের জামাত কোথায় কখন

করোনা সংক্রমণ রোধে গত বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতরের নামাজও ঈদগাহে না পড়ে মসজিদে পড়তে হবে।মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি, করা যাবে না কোলাকুলি। সবাইকে বাসা থেকে ওয়ু করে যেতে হবে। আর অবশ্যই নামাজ পড়ার সময় মাস্ক পরতে হবে। কাতারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

করোনার কারণে এবারও হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না। ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত শুক্রবার (১৪ মে) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া করোনার কারণে ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ময়দানেও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে না।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদগুলোতে এক বা একাধিক ঈদ জামাতের ব্যবস্থা থাকছে সেগুলো হলো- 

পুরান ঢাকার চকবাজার শাহী মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায় দুটি জামাত হবে। বড় কাটরা মাদ্রাসা মসজিদে একটি ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়। লালবাগ শাহী মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় একটি জামাত হবে।

নবাবগঞ্জ বড় মসজিদে ঈদের জামাত হবে তিনটি- সকাল ৭ টায় , ৮ টায় ও ৯ টায়। আজিমপুর কবরস্থান মসজিদে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা ও ১০টায় চারটি জামাত হবে। আর ছাপড়া মসজিদে তিনটি জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টা, সাড়ে ৮টা ও সাড়ে ৯টায়।

মিরপুর দারুস সালাম লালকুঠি বড় মসজিদে সকাল ৭টায় একটি জামাত হবে এবার। ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সকাল ৯টায়; ধানমণ্ডির বায়তুল আমান মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়; ঈদগাহ মাঠ মসজিদে ৮টায় এবং সোবহানবাগ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়  ঈদ জামাত হবে।

আরও পড়ুন


ঈদের দিনের যে আমলগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ

ঈদের দিনের ফজিলত ও করণীয়

যে কারণে ফিলিস্তিনে একটি বাড়ির নাম ‘শেখ হাসিনা’

ঈদের দিন যে কারনে টার্মিনালে অবস্থান ধর্মঘট পরিবহন শ্রমিকদের


পুরান ঢাকা তারা মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা ও ৯ টায়; রায়সাহেব বাজার জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়; নিমতলী ছাতা মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায়, আগামছি লেইন জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় এবং বায়তুল মামুর জামে মসজিদে সকাল সোয়া ৮টা ও ৯টায় ঈদের জামাত হবে।

গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে সকাল ৬টা, সাড়ে ৭টা এবং সাড়ে ৯টায় ঈদের তিনটি জামাত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং শহীদুল্লাহ হল জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঈদের দিনের যে আমলগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের দিনের যে আমলগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ

ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মার জন্য এক খুশির দিন। এক মাস সিয়াম সাধনাকারীদের জন্য আনন্দ ও উত্সবের দিন হচ্ছে ঈদুল ফিতর। রমজানের মতো ঈদের দিনও অনেক ফজিলতপূর্ণ।

আর পাপী-তাপীদের জন্য এই দিনটি হলো শাস্তি ও আজাবের। সাহাবি হজরত ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ (রা.) ঈদের দিন কাঁদছিলেন। কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আজ খুশির দিন ওই ব্যক্তির জন্য, যার রোজা কবুল হয়েছে। ঈদুল ফিতরের দিন হলো পুরস্কার লাভের দিন।

এদিন একদল ফেরেশতা দাঁড়িয়ে যান এবং বলতে থাকেন, ‘হে মুসলিম সম্প্রদায়! তোমরা দয়াময় প্রভুর দিকে ছুটে চলো। তিনি তোমাদের কল্যাণ দান করবেন। তিনি তোমাদের পুরস্কার দেবেন। ’ ঈদের পূর্ণাঙ্গ আনন্দ-খুশি ও কল্যাণ অর্জন করতে হলে আরো ঘনিষ্ঠ করতে হবে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক, ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ করতে হবে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে হৃদ্যতা ও ভালোবাসার সম্পর্ক। উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে বন্ধু-বান্ধব স্বজনদের সঙ্গে সহমর্মিতা ও সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে।

ঈদকে একটি পবিত্র উত্সব হিসেবে পালন করতে হবে। এর সুন্নত তরিকা হলো ঈদের নামাজের আগে গোসল করে নেয়া, ভালো পোশাক পরে আতর-সুগন্ধি মেখে ঈদগাহে যাওয়া, সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব হলে ঈদের নামাজের আগে তা আদায় করে দেয়া, পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া, সম্ভব হলে এক রাস্তায় যাওয়া, অপর রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা, ঈদগাহে যাওয়ার আগে মিষ্টিমুখ করে নেয়া, ঈদগাহের দিকে ধীরস্থিরভাবে যাওয়া, নামাজ শেষে আত্মীয়-স্বজনের কবর জিয়ারত করা, ঘরে ফিরে চার রাকাত নফল নামাজ পড়া।

আরও পড়ুন


ঈদের দিনের ফজিলত ও করণীয়

যে কারণে ফিলিস্তিনে একটি বাড়ির নাম ‘শেখ হাসিনা’

ঈদের দিন যে কারনে টার্মিনালে অবস্থান ধর্মঘট পরিবহন শ্রমিকদের

কোয়াডে বাংলাদেশ : নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল চীন


রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের ঈদকে তাকবির দ্বারা সৌন্দর্যমণ্ডিত কর। ’ রাসূল (সা.) আরো ইরশাদ করেছেন, পাঁচটি রাত জেগে যে ব্যক্তি ইবাদত করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। রাতগুলো হলো- ১. জিলহজের রাত, ২. আরাফার রাত, ৩. ঈদুল আজহার রাত, ৪. ঈদুল ফিতরের রাত, ৫. মধ্য শাবানের রাত। সুতরাং ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদত করা খুবই পুণ্যময় কাজ।

ঈদের অনাবিল সুখ-আনন্দ শুধু রোজাদারদের জন্য। যারা ইচ্ছাকৃত রোজা ছেড়ে দিয়েছেন তাদের জন্য এ আনন্দ নয়। ঈদের আনন্দ-খুশিতে ভরে উঠুক সারাদেশ, সমগ্র মুসলিম উম্মাহ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের জামাত কোথায় কখন

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের জামাত কোথায় কখন

আজ বৃহস্পতিবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। শুক্রবার দেশব্যাপী পালিত হবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। করোনার কারণে গত বছরের মতো এবছরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

তবে এবারও ঈদগাহে জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পড়তে হবে মসজিদে। ঈদের নামাজের পর কোলাকুলি ও হাত মেলানো থেকে বিরত থাকতে বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার।

এছাড়া সবাইকে বাসা থেকে ওয়ু করে যেতে হবে। আর অবশ্যই নামাজ পড়ার সময় মাস্ক পরতে হবে। কাতারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

করোনার কারণে এবারও হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না। ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত শুক্রবার (১৪ মে) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া করোনার কারণে ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ময়দানেও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে না।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদগুলোতে এক বা একাধিক ঈদ জামাতের ব্যবস্থা থাকছে সেগুলো হলো- 

পুরান ঢাকার চকবাজার শাহী মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায় দুটি জামাত হবে। বড় কাটরা মাদ্রাসা মসজিদে একটি ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়। লালবাগ শাহী মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় একটি জামাত হবে।

নবাবগঞ্জ বড় মসজিদে ঈদের জামাত হবে তিনটি- সকাল ৭ টায় , ৮ টায় ও ৯ টায়। আজিমপুর কবরস্থান মসজিদে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা ও ১০টায় চারটি জামাত হবে। আর ছাপড়া মসজিদে তিনটি জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টা, সাড়ে ৮টা ও সাড়ে ৯টায়।

মিরপুর দারুস সালাম লালকুঠি বড় মসজিদে সকাল ৭টায় একটি জামাত হবে এবার। ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সকাল ৯টায়; ধানমণ্ডির বায়তুল আমান মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়; ঈদগাহ মাঠ মসজিদে ৮টায় এবং সোবহানবাগ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়  ঈদ জামাত হবে।

আরও পড়ুন


সৌদির সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের ৭ গ্রামে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

ইসরাইলের হামলার মধ্যেই আল-আকসায় ঈদের নামাজে মুসল্লিদের ঢল


পুরান ঢাকা তারা মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা ও ৯ টায়; রায়সাহেব বাজার জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়; নিমতলী ছাতা মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায়, আগামছি লেইন জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় এবং বায়তুল মামুর জামে মসজিদে সকাল সোয়া ৮টা ও ৯টায় ঈদের জামাত হবে।

গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে সকাল ৬টা, সাড়ে ৭টা এবং সাড়ে ৯টায় ঈদের তিনটি জামাত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং শহীদুল্লাহ হল জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঈদের দিনের ফজিলত ও করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের দিনের ফজিলত ও করণীয়

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। আনন্দ ও খুশির দিন। যারা দীর্ঘ এই এক মাস ধরে সিয়াম সাধনা করেছেন, তাদের জন্য আনন্দ ও উৎসবের দিন হচ্ছে ঈদুল ফিতর। এ দিনটি আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার লাভেরও দিন।

ঈদুল ফিতরের দিন একদল ফেরেশতা দাঁড়িয়ে যান এবং বলতে থাকেন, ‘হে মুসলিম সম্প্রদায়! তোমরা দয়াময় প্রভুর দিকে ছুটে চলো। তিনি তোমাদের কল্যাণ দান করবেন। তিনি তোমাদের পুরস্কার দেবেন।’ 

ঈদের পূর্ণাঙ্গ আনন্দ-খুশি ও কল্যাণ অর্জন করতে হলে আরো ঘনিষ্ঠ করতে হবে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। সুসম্পর্ক, ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ করতে হবে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে, হৃদ্যতা ও ভালোবাসার সম্পর্কের মাধ্যমে। উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে বন্ধু-বান্ধব স্বজনদের সঙ্গে সহমর্মিতা ও সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে। করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব রেখে যতটা পারা যায় সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন


যে কারণে ফিলিস্তিনে একটি বাড়ির নাম ‘শেখ হাসিনা’

ঈদের দিন যে কারনে টার্মিনালে অবস্থান ধর্মঘট পরিবহন শ্রমিকদের

কোয়াডে বাংলাদেশ : নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল চীন

ঈদের দিন ঝড়-বৃষ্টির আভাস


ঈদের দিনে রয়েছে ১৩টি সুন্নাত। যা রাসূল (সা.) করতেন। জেনে নিন সেগুলো...

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।
২. মিসওয়াক করা। 
৩. গোসল করা। 
৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।
৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া।
৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা।
১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা।
১১. যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা।
১২. পায়ে হেঁটে যাওয়া।
১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে তাকবীর পড়তে থাকা।

ঈদের অনাবিল সুখ-আনন্দ শুধু রোজাদারদের জন্য। যারা ইচ্ছাকৃত রোজা ছেড়ে দিয়েছেন তাদের জন্য এ আনন্দ নয়। ঈদের আনন্দ-খুশিতে ভরে উঠুক সারাদেশ, সমগ্র মুসলিম উম্মাহ।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঈদের নামাজ পড়বেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের নামাজ পড়বেন যেভাবে

বছর ঘুরে এল পবিত্র ঈদুল ফিতর। মহান আল্লাহ মুসলমানদের জন্য দুটি দিনকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারিত করেছেন। এ দিনগুলোতে ঈদের নামাজ পড়া ওয়াজিব। 

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘অতএব তোমার রবের উদ্দেশ্যেই নামাজ পড় এবং নহর করো।’ (সুরা আল কাউছার, আয়াত : ২)

ঈদের নামাজের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাজের মতো নয়। যেমন—ঈদের দুই রাকাত নামাজের কোনো আজান, ইকামত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবির রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিয়মগুলো হলো:

ঈদের নামাজ আদায় পদ্ধতি

১।  প্রথমত স্বাভাবিক নামাজের মতোই তাকবিরে তাহরিমা বলে হাত বাঁধতে হবে। এরপর ছানা পাঠ করতে হবে।

২। তারপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলতে হবে। প্রথম দুই তাকবিরে হাত তুলে ছেড়ে দিতে হবে এবং তৃতীয় তাকবিরে হাত বাঁধতে হবে।

৩। এরপর আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ার পর ইমাম সুরা ফাতিহা পড়ে এর সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলাবেন।

৪। স্বাভাবিক নামাজের মতোই রুকু-সিজদা করে প্রথম রাকাত শেষ করতে হবে।

৫। দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম কিরাত পড়া শেষে রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাকবির দেবেন। প্রতি তাকবিরের সঙ্গে হাত ওঠাবেন এবং ছেড়ে দেবেন। তারপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে চলে যাবেন।

৬। এরপর স্বাভাবিক নামাজের মতোই নামাজ শেষ করবেন।

৭। নামাজ শেষে ইমাম মিম্বারে উঠবেন। দুটি খুতবা দেবেন। এ সময় ইমামের খুতবা মনোযোগসহকারে শুনতে হবে। কোনো ধরনের কথা বলা বা অন্য কাজে ব্যস্ত হওয়া যাবে না।

৮।  খুতবা শেষে সবাই ঈদগাহ ত্যাগ করবেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর