বন্যা ও নদী ভাঙনে বেশি ক্ষতি রৌমারি ও চর রাজিবপুরে

হুমায়ুন কবির

বন্যা ও নদী ভাঙনে বেশি ক্ষতি রৌমারি ও চর রাজিবপুরে

দীর্ঘ মেয়াদি বন্যা ও নদী ভাঙনে এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলায়। বসতভিটা ও জমি হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। করোনা ও বন্যার কারণে আয় উপার্জন না থাকায় আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন তারা। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত করতে না পেরে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন অনেকে।

কুড়িগ্রামের নদী ভাঙন কবলিত উপজেলা রৌমারী ও চর রাজিবপুর। ব্রহ্মপুত্র নদের করাল গ্রাসে নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে উপজেলা দুটি। প্রতি বছর বন্যা ও নদী ভাঙনের কবলে পড়তে হয় এই দুই উপজেলার মানুষকে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম ছিল না।

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বিলীন হয়েছে চর রাজিবপুর ও রৌমারী  উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বসত-বাড়ি, ফসলী জমি সহ বহু স্থাপনা। ভিটেমাটি, জমি সব কিছু হারিয়ে দিশেহারা নদী তীরবর্তি মানুষ।

বন্যাদুগর্তদের অভিযোগ, করোনা ও বন্যার কারণে হাতে কাজ নেই। টাকা নেই। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত করতে না পেরে পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন তারা।

কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্নবাসনের জন্য সরকারের সহায়তা দরকার।

এ বছরের বন্যায় কুড়িগ্রামের ৫৬টি ইউনিয়নের ৬ শতাধিক গ্রামের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

মন্তব্য