রপ্তানি বন্ধ থাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন কুচিয়া ব্যবসায়ীরা

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

রপ্তানি বন্ধ থাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন কুচিয়া ব্যবসায়ীরা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘ ৮ মাস ধরে প্রধান বাজার চীনে বন্ধ রয়েছে কুচিয়া রপ্তানি। ফলে, আয়-রোজগার হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন কুচিয়া উৎপাদন ও রপ্তানির সঙ্গে জড়িত লাখো মানুষ। 

রপ্তানিকারকদের কাছে পাওনা টাকা আটকে পড়ায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না খামারিরা। এমন বাস্তাবতায় চীনসহ আন্তর্জাতিক বাজারে কুচিয়া রপ্তানি চালু করতে সরকারী পর্যায়ে আলোচনা শুরু দাবি খাত সংশ্লিষ্টদের। 

উপকুলীয় অঞ্চলে যে কয়টি কুচিয়ার বাজার রয়েছে তার মধ্যে সাতক্ষীরার পারুলিয়া ও উজিরপুর বাজার সব চেয়ে বড়। কিন্তু বৃহত্তর এই কুচিয়া বাজারের সেডগুলো এখন ক্রেতা- বিক্রেতা। চারিদিকে শুনসান নিরাবতা। একই অবস্থা উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যানা কুচিয়া বাজারেও।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী কুচিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার চীন। উৎপাদিত কুচিয়ার ৯০ শতাংশই দেশটিতে রপ্তানি হয়। চীনে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে গত ২০ জানুয়ারি থেকে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের অভ্যন্তরীন বাজারে কুচিয়া বেচাকেনা ধস নেমেছে। বেকার হয়ে পড়েছেন হাজারো ব্যবসায়ী ও খামারি।

চীনসহ আন্তর্জাতিক বাজারে কচিয়া রপ্তানি শুরুর দাবি জানিয়েছেন উৎপাদনকারী, সরবারহকারী ও রপ্তানিকারকরা।


আরও পড়ুন: বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সব চিনিকল!


রপ্তানি নির্ভর এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি প্রনোদনাসহ সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানালেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশিউর রহমান।

দীর্ঘ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে আবারো সুদিন ফিরবে কুচিয়া শিল্পে। এমন প্রত্যাশায় খাত-সংশ্লিষ্ট লাখো মানুষের।

নিউজ টোয়েন্টিফোর / সুরুজ আহমেদ

মন্তব্য