বিশ্ব ওজন দিবস আজ

চন্দ্রানী চন্দ্রা

বিশ্ব ওজন দিবস আজ

আজ বিশ্ব ওজন দিবস। ওজন স্তরের ক্ষয় ও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ১৬ সেপ্টেম্বর পালন করা করা হয় দিনটি। বিশ্বের অন্য দেশের মতো এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে বাংলাদেশেও।

বুধবার ভিয়েনা সম্মেলনে ওজন স্তর সুরক্ষার ৩৫তম বছর উদযাপন হচ্ছে। চলতি বছর জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে- প্রাণ বাঁচাতে ওজন: ওজন স্তর সুরক্ষার ৩৫ বছর।

পৃথিবীর ওজন স্তরের গর্ত সৃষ্টিকারী গ্যাস দূর করতে বিশ্বকে একীভূত করেছে এই সম্মেলন। এ প্রসঙ্গে ইউএনইপি-র নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসন জানান, ওজোন স্তর সুরক্ষা সিদ্ধান্তের বিষয়টি পরিণত হয়েছে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মডেল হিসেবে।

তিনি আরো জানান, সাফল্যের ৩৫ বছরের জন্য ওজন চুক্তিতে জড়িত সকলকে আমি অভিনন্দন জানাই। এই জাতীয় সহযোগিতা এটাই প্রমান করে যে- একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে মানুষ।


আরও পড়ুন: এবার সমুদ্রপথে পেঁয়াজ আসছে


কনভেনশনে, করোনা মহামারী চলাকালীন আরো বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন এবং এই কাজে ওজন চুক্তিগুলির প্রধান ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তহবিল পুণরুদ্ধার, প্রকৃতির ক্ষতি, জলবায়ু পুরবর্তন এবং দুষনের মাত্রা কমানোর ওপর প্রাধান্য দেয়া হয় এতে। এছাড়া কিগালি সংশোধনী ১০০টি পক্ষ অনুমোদন করেছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ০.৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড প্রতিরোধ করবে।


আরও পড়ুন: ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল


১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বায়ুমন্ডলের ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্যগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। এই দিনটিতেই পালিত হয় বিশ্ব ওজন দিবস বা আন্তর্জাতিক ওজনরক্ষা দিবস হিসেবে।

বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে এই মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

নিউজ টোয়েন্টিফোর / সুরুজ আহমেদ

মন্তব্য