করোনা টেস্ট ও হোটেল বিলের নামে কোটি টাকা লোপাট, নেই ডিজির নাম

আলী তালুকদার

আলোচিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদকে বাদ দিয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে ভুয়া রিপোর্ট আর চিকিৎসকদের খাবারের খরচ দেখিয়ে লোপাট করা হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

দুদক সচিব জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমপক্ষে ৭৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে চলছে দুদকের অনুসন্ধান।

করোনাকালীন সময়ে আলোচিত স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে সাধারণ কেরানী পযর্ন্ত। শতকোটি টাকা পাচার আর করোনার চিকিৎসা সেবা নিয়ে অনিয়ম। যার পেছেনে রয়েছে ভুয়া রিপোর্ট, নিম্নমানের মাস্ক পিপিই সরবরাহ আর কোভিড হাসপাতালগুলোতে চিবিৎসকদের খাবার সরবরাহের নামে টাকা লোপাট।প্রতারণা, অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ এনে এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা নিপসমের ল্যাবে বিনামূল্যে ৩ হাজার ৩৩৯ জনের করোনা পরীক্ষা করে প্রতি রোগী বাবদ সাড়ে তিন হাজার টাকা বাবদ ১ কোটি ৩৭লাখ ৮৬হাজার ৫শ টাকা আত্মসাত করেছে।

আরও পড়ুন: সঙ্গমের সময় চুমু না খাওয়ার পরামর্শ কানাডার চিকিৎসকদের

এছাড়াও নবায়নবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসকদের খাবার খরচের ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

 

বুধবার দুপুরে দুদকের ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান, উপ পরিচালক ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক ডা. শফিউর রহমান ও গবেষনা কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে।

আরও পড়ুন:সৌদি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় তিন দেশ

অনুমোদনহীন রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে অবৈধভাবে করা চুক্তির আয়োজনে উপস্থিত থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলোচিত মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ কেন বাদ পরেছেন তার ব্যাখ্যা দেন দুদকের সিনিয়র সচিব।

স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম ও তদন্তে থাকা অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে বলেও জানান দুদক সচিব।

news24bd.tvতৌহিদ

মন্তব্য