সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অগ্রগতি নেই সুমানগঞ্জের পর্যটনে

বুরহান উদ্দিন, সুনামগঞ্জ

সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অগ্রগতি নেই সুমানগঞ্জের পর্যটনে

হাওর, জীব বৈচিত্র, পাহাড়ের সৌন্দর্য আর হাসন রাজার কিংবা আবদুল করিমের জন্মভূমির কারণে পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ সুনামগঞ্জ। বিপুল পর্যটন সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অনেকটা অজানা কারনে সুনামগঞ্জে এই খাত থেকে বড় কোন আয় নেই সরকারের।

নেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কিংবা ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। অথচ প্রায় ১০ বছর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ৫১ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয় পর্যটন কর্পোরেশন ও এলজিইডি। সেই প্রকল্পের অগ্রগতিও নেই বললেই চলে।

ভারতের মেঘালয়ের পাহাড় ঘেষা সুনামগঞ্জে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হাওর। টাঙ্গুয়া আর শনির হাওরে বর্ষা কিংবা শীত দুই মৌসুমেই হাজারো পর্যটক ভিড় করেন। এর মধ্যে টাঙ্গুয়ার হাওর শীতে পরিযায়ি পাখির আবাসস্থল হিসেবে বেশ পরিচিত।

রয়েছে ব্যক্তি মালিকানার শিমুল বাগান। এখানে তুলা আহরণের চেয়ে বেশি জমে উঠেছে পর্যটন। এছাড়া মরমী সাধক হাসন রাজার বাড়ি ও জাদুঘরেও ভিড় করেন পর্যটকরা। স্থানীয় সচেতন মানুষের দাবি, বিপুল সম্ভাবনার পরও এই জেলায় পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নেই।


আরও পড়ুন: দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা


অনেকে বলছেন, সুনামগঞ্জ সদর থেকে হাওরের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব উন্নত নয়। একারনে অনেক পর্যটককে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

জেলার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে এরইমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জ ছাড়াও মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। তাই পুরো অঞ্চলকে নিয়ে পর্যটনের বড় পরিকল্পনা সরকারের রাজস্ব আয়ের বড় খাত হতে পারে বলে মন্তব্য সচেতন মহলের।

news24bd.tv সুরুজ আহমেদ

মন্তব্য