‘দরকার হলে আলু আমদানি করা হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘দরকার হলে আলু আমদানি করা হবে’

রাজধানীর কাওরানবাজারে আড়তে আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীদের অনেকে। কারণ সরকার বলছে ৩০ টাকায় আলু বিক্রি করতে অন্যদিকে হিমাগার থেকে পাইকারি দাম চাওয়া হচ্ছে ৩৬ টাকা।

এই বাস্তবতায় খুচরা ব্যবসায়ীরা এসে আলু না পেয়ে হতাশ। যেসব শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহ হয় আলু বেচাকেনায় তারা এখন অনেক কষ্টে আছেন।

অবশ্য খুচরা বাজারের চিত্র বেশ ভিন্ন। রাজধানীর কয়েকটি বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে আলুর সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে।

হিমাগার সমিতির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলছেন আলুর যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা দরকার। মুক্ত বাজার অর্থনীতির দোহাই দিয়ে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলছেন, প্রয়োজনে বিদেশ থেকে আলু আমদানির করা হবে।

এদিকে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর আলুর নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। পাইকারি পর্যায়ে ৩০ টাকা আর খুচরা পর্যায়ে যা হবে ৩৫ টাকা কেজি।


আরও পড়ুন:মনে রাখবেন, সুদিনের পাখিরা উড়াল দেবেই!


 

যাহোক, মজুদ ঘাটতি না থাকলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে আলুর বাজারে। রাজধানীর ব্যস্ততম কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে আলু বিক্রি প্রায় বন্ধ রাখেন পাইকাররা।

এই অবস্থায় আলুর দাম খুচরায় ৩৫ টাকায় পুনঃনির্ধারণ করে সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, প্রয়োজনে বিদেশ থেকে আমদানির কথাও ভাবছে সরকার।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য