পাখির ডানায় ভর করে সমুদ্র দেখার অনুভূতি ব্রাইটন টাওয়ারে

নাহিদ জিহান

পাখির ডানায় ভর করে সমুদ্র দেখার অনুভূতি ব্রাইটন টাওয়ারে

সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে এর অপার সৌন্দয্য উপভোগ করতে সবসময়ই মানুষ ছুটে গেছে এর বিশাল জলরাশির কাছে। কিন্তু এ ভালোলাগা হাজার গুনে বেড়ে যেতে পারে যখন এর জলরাশিকে অনেকটা বিস্তীর্ণভাবে দেখার সুযোগ মেলে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে, দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে টাওয়ার ইন ব্রাইটন। যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে সমুদ্র তীরে তৈরি করা হয়েছে এই টাওয়ার, যার মাধ্যমে অনেক উঁচু থেকে দর্শকরা সমুদ্র ও শহর দুটোই দেখতে পাবেন।

অনেকটা লাইট হাউজের মতো দেখতে এই টাওয়ার ইন ব্রাইটন তৈরি করা হয়েছে সৌন্দয্য পিপাসু মানুষের মনের চাহিদা মেটাতে। ৫৩১ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ারটি ইংল্যান্ডের ব্রাইটন সমুদ্রতীরে সাধারণ দর্শকদের জন্য শুক্রবার উন্মুক্ত করা হয়। এই টাওয়ারটি থেকে নজরে আসবে ব্রাইটনের আশপাশের প্রায় ৪২ কিলোমিটার পর্যন্ত।

টাওয়ারটির পরিকল্পনাকারী ডেভিড মার্কস, যিনি বিখ্যাত ’লন্ডন আই’ নির্মাণেও অবদান রেখেছেন। তিনি জানান, উনিশ শতকের ভিক্টোরিয়ান সমাজে সমুদ্রের কাছে যেতে জেটি তৈরি হয়, যাতে সমুদ্রের অনেক গভীরে গিয়ে আবার শহরে ফিরে আসা যেতো। এই টাওয়ার ইন ব্রাইটনও অনেকটা একই ধারণা থেকে নির্মিত। তবে এক্ষেত্রে একুশ শতকের প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে উপর থেকে শহর আর সমুদ্র দেখার এক নতুন দৃষ্টিকোন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই টাওয়ারটি লন্ডন আইয়ের প্রতিটি ক্যাপসুলের মতোই কাঁচে ঘেরা এবং ইচ্ছেমতো ঘুরে ঘুরে চারপাশটা দেখা যায়। গোল চাকতির মতো এই কাঁচের ঘরটি এরই মধ্যে ’ডওগনাট’ বা রসগোল্লা নামে পরিচিতি পেয়েছে দর্শকদের কাছে। 

সরু টাওয়ার দিয়ে গোল চাকতিটি এক একবার মাটি থেকে উপরে উঠে ও নেমে আসতে সময় নিচ্ছে ২০ মিনিট। এতে চড়ার জন্য প্রতি প্রাপ্ত বয়স্কদের টিকিট কাটতে হবে ১৩.৫০ পাউন্ড দিয়ে। যে কারণে মনে হয় যেনো, পাখির ডানায় ভর করে সমুদ্র দেখা। গোধূলীর আলোয় কিংবা মুক্ত আকাশে সমুদ্র আর শহরকে এক নজর দেখার আনন্দটা সত্যিই অন্যরকম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য