ক্ষমতা ছাড়তে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে

মাসুদ রানা

ক্ষমতা ছাড়তে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে

ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য প্রতিনিয়ত চাপ বাড়ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর। বাইডেনের জয়কে স্বীকৃতি জানানো এবং এক প্রশাসন থেকে অন্য প্রশাসনে যাওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত হতে ট্রাম্পকে তাগাদা দিচ্ছেন রিপাবলিকানরাও। 

আর করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের দিকে নজর দিচ্ছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষদের জন্য সুখবরের বার্তা দিয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তরে ট্রাম্পের সহায়তা ছাড়া করোনাভাইরাসে আরও মার্কিনীর মৃত্যু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন হবু প্রেসিডেন্ট। 

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের জয় নিশ্চিত হলেও এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের দখলে রাখার সিদ্ধান্তে অনড়। ফলে এ নিয়ে সংশয় বাড়ছেই। মার্কিন প্রশাসনের চলমান সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে করোনা মোকাবিলায়ও। আর ক্ষমতা হস্তান্তরে ট্রাম্প সহায়তা না করলে করোনাভাইরাস মহামারিতে আরও অনেক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জো বাইডেন। ডেলওয়্যারে সংবাদ সম্মেলন একথা বলেন।


 আরও পড়ুন: আরো সেনা ফিরিয়ে নিতে পারেন ট্রাম্প


জো বাইডেন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব করোনা মোকাবিলায় কংগ্রেসের একত্রিত হওয়া জরুরি, আর প্রেসিডেন্ট অংশ নিলেই এটা খুবই সহজ হয়ে উঠবে। আমি সবার সঙ্গে কাজ করতে চাই তবে প্রেসিডেন্টের খামখেয়ালি আমার বোধগম্যতার বাইরে।   

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষদের সুখবর দিয়েছেন বাইডেন। তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশের ন্যূনতম মজুরির সীমা ঘণ্টায় ১৫ ডলারে উন্নীত করে আরও সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন নারীকে বেছে নেওয়ার পর পেন্টাগনের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানের প্রধান করতে যাচ্ছেন মিশেল ফ্লাওনোয়িকে।

ট্রাম্প পরাজয় স্বীকার করতে রাজি না হলেও বাইডেনকে সহযোগিতা শুরু করার জন্য তার রিপাবলিকান দলের মধ্যেই দাবি উঠতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি রিপাবলিকান দলের অনেক নেতাদের পক্ষ থেকেও হোয়াইট হাউস ছাড়ার জন্য ট্রাম্পের উপরে চাপ বাড়ছে। ওহিয়ো অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান গভর্নর জো বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে এখনো নির্বাচনের ফল পাল্টে যাওয়ার আশায় রয়েছে ট্রাম্প শিবির, দাবি করছে, তাঁদের কাছে ভোট কারচুপির প্রমাণ রয়েছে। তবে যতো বিরোধই হোক সংবিধানিকভাবে ২০ জানুয়ারিই শেষ হবে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের মেয়াদ। ফলাফল নিয়ে বিরোধের সুরাহা না হলে দায়িত্ব নেবেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য