ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও চলছে রাজধানীর ৬ মার্কেটের ৯ ভবন

তালুকদার বিপ্লব

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও চলছে রাজধানীর ৬ মার্কেটের ৯ ভবন

প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের স্বার্থেই পরিত্যাক্ত এবং ঝুকিপূর্ণ ঘোষণার পরও ভাঙা যাচ্ছে না ঢাকা উত্তর সিটির কর্পোরেশনের ছয় মার্কেটের নয় ভবন। এমনকি-ধসে পড়লে তার দায় নেবে না বলে সাফ জানিয়ে চিঠি চালাচালি করছে সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি, রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা-দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আবারও ঘটলে পারে রানা প্লাজার মত ট্র্যাজেডি।

গুলশান এক নম্বর পাকা মার্কেট। বেচাবিক্রি-মার্কেটে মানুষের আনাগোনা। সবকিছু স্বাভাবিক। বোঝার কোন উপায়ই নেই-এই মার্কেট পরিত্যাক্ত-ঝুকিপূর্ণ। নেই কোন সতর্কবার্তাও।

২০১২ সালে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১২টি মার্কেট পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেয় বুয়েট। ২০১৭ সালে ঝুঁকির বিষয়গুলো নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। সবশেষ-২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল সুনির্দিষ্টভাবে গুলশান পাকা মার্কেটসহ ৬টি মার্কেটের ৯ ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তার দেড় বছর পার হলেও-সবকিছু চলছে স্বাভাবিক। উল্টো মার্কেটের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ-পরিত্যাক্ত লেখা সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- গেল বছরই এসব মার্কেটের জরাজীর্ণ অবকাঠামো বিক্রয় কিংবা অপরাসরণ করার কথা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি কর্তৃপক্ষ। উল্টো পরিত্যাক্ত মার্কেটগুলো কোন কারণে ধসে পড়লে তার দায় নেবে না বলে চিঠি চালাচালিতে ব্যস্ত সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি, রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগ।


আরও পড়ুন: মিষ্টি, চিপস আর নুডলসের নামে আমরা কী খাচ্ছি?


জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পতি কমকর্তা এসব বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলছেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের স্বার্থেই এসব মার্কেট অপসারণ এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আবার রানা প্লাজা ট্রাজেডির মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংঙ্কা করছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব।

পরিত্যাক্ত মার্কেটগুলো ভেঙ্গে বহুতল মার্কেট নির্মাণে অর্থ সংগ্রহের জন্য শেয়ারবাজারে বন্ড ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে উত্তর সিটি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য