সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা তওবার শ্রেষ্ঠ দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার বা তওবার শ্রেষ্ঠ দোয়া

নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সকালে সায়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করবে, সে যদি সন্ধ্যা হওয়ার আগে মারা যায় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি সুদৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সন্ধ্যায় সায়্যিদুল ইস্তিগফার পড়ে সে যদি সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, তবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। -সহিহ বোখারি: ৬৩০৬

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ


আরও পড়ুন: দেড় বছর ধরে এভাবেই মৃত নারীদের ধর্ষণ করা হতো!


উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা। খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা। ওয়া আনা আলা আহদিকা। ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাতা’তু। আউজু বিকা মিন শাররি মা-সানা’তু। আবুয়ু লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা। ওয়া আবুয়ু লাকা বি জাম্বি। ফাগফিরলী। ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনবা ইল্লা আনতা।

অর্থ : হে আল্লাহ! একমাত্র আপনিই আমাদের প্রতিপালক। আপনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। আপনিই আমার স্রষ্টা এবং আমি আপনার দাস। আমি আপনার সঙ্গে কৃত ওয়াদা ও অঙ্গীকারের ওপর সাধ্যানুযায়ী অটল ও অবিচল আছি। আমি আমার কৃতকর্মের সব অনিষ্ট হতে আপানার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমার উওর আপনার দানকৃত সব নেয়ামত স্বীকার করছি। আমি আমার সব গুনাহ স্বীকার করছি। অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজে মুস্তাহাব কাজগুলো কী জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে মুস্তাহাব কাজগুলো কী জেনে নিন

নামাজ মুমিনের মিরাজ। এ কথাটির তাৎপর্য অনেক। নামাজ তখনই মিরাজ হবে। যখন নামাজকে যথাযথ নিয়মে আদায় করা হবে। সুতরাং পরিপূর্ণ নামাজ আদায়ে জানতে হবে নামাজের সঠিক নিয়ম-কানুন। এ ধারাবাহিকতায় নামাজের ফরজ, ওয়াজিবসুন্নাতগুলো ইতোমধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। নামাজের মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মুস্তাহাব কাজ।

০১. পুরুষের জন্য তাকবিরে তাহরিমার সময় চাদর বা জামার হাতা থেকে উভয় হাত বাইরে রাখা। আর মহিলাদের জন্য হাত বের না করেই ‘তাকবিরে তাহরিমা’ বলা। (উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত ওঠানো এবং উভয় হাতের আঙ্গুলগুলো স্বাভাবিকভাবে কিবলামুখী ও খুলে (খাড়া) রাখা)।
০২. নামাজি ব্যক্তি দাঁড়ানো অবস্থায় দৃষ্টি থাকবে সিজদার জায়গায়, রুকু অবস্থায় দৃষ্টি থাকবে দু’পায়ের পাতায়, জালসা ও কা’দার (বৈঠক) সময় দৃষ্টি থাকবে দু’হাঁটুর ওপর এবং সালাম ফিরানোর সময় দুই কাঁধের দিকে দৃষ্টি রাখা।
০৩. রুকু ও সিজদায় তিনবারের বেশি তাসবিহ পড়া।

আরও পড়ুন


কেয়ামতের দিন যে সূরা বান্দার হয়ে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে

চিত্রনায়ক শাহিন আলম মারা গেছেন

চট্টগ্রাম কারাগারে নিখোঁজ বন্দি খুজঁতে কারা অভ্যন্তরে তল্লাশি

সোলার উইন্ড মঙ্গল গ্রহে বসবাসের অন্তরায়, দাবি বিজ্ঞানীদের


০৪. যতদূর সম্ভব কাশি বা গলা খাকড়ানি দাবিয়ে রাখা।

০৫. হাই আসলে মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করা। মুখ খুলে গেলে দাঁড়ানো অবস্থায় ডান হাত এবং অন্যান্য অবস্থায় বাম হাতের পিঠ দিয়ে মুখ ঢাকা।
সুতরাং আল্লাহ তাআলা সমগ্র মানবজাতিকে ইবাদাতের পরিপূর্ণ মর্যাদা লাভে নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতের পাশাপাশি মুস্তাহাব কাজগুলোও আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কেয়ামতের দিন যে সূরা বান্দার হয়ে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে

অনলাইন ডেস্ক

কেয়ামতের দিন যে সূরা বান্দার হয়ে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে

কুরআন পাঠ করলে যে অনেক শওয়াব লাভ করা যায় তা আমাদের সবারই জানা। কিন্তু আল্লাহ তাআলা এমন বিশেষ কিছু ফজিলতপূর্ণ সূরা দিয়েছেন যেগুলো পাঠ করলে নাজাতের ফায়সালা নিশ্চিত। আখেরী নবীর উম্মত হিসেবে রাব্বুল আলামিন এসব ফজিলতপূর্ণ আমল দিয়েছেন।

একবার হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) এক ব্যক্তিকে বললেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি হাদিস শোনাব, যা শুনে তুমি খুশি হবে? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ শোনান। 

ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, তুমি নিজে সূরা মূলক পড় এবং পরিবারের সবাইকে ও প্রতিবেশীকে তা শিক্ষা দাও। কারণ এটি মুক্তিদানকারী ও ঝগড়াকারী। 

কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করে তার পাঠকারীকে সে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করবে এবং কবরের আজাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবে। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার একান্ত কামনা যে, এই সূরাটি আমার প্রত্যেক উম্মতের অন্তরে গেঁথে (মুখস্ত) থাকুক। (ইবনে কাসির) 

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোরআন শরীফে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে, যা তার তিলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করা পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে। সূরাটি হলো তাবারকাল্লাযি বিয়াদিহিল মূলক। (আবু দাউদ) 

এছাড়া সূরাটি নিয়মিত পাঠের আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক তিলাওয়াত করবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে। (তিরমিজি)

আরও পড়ুন


চিত্রনায়ক শাহিন আলম মারা গেছেন

চট্টগ্রাম কারাগারে নিখোঁজ বন্দি খুজঁতে কারা অভ্যন্তরে তল্লাশি

সোলার উইন্ড মঙ্গল গ্রহে বসবাসের অন্তরায়, দাবি বিজ্ঞানীদের

মা-তেই মুক্তি মিলছে ক্রিকেটার শাহাদাতের


সূরা মূলক ৪১ বার তিলাওয়াত করলে সব বিপদ-আপদ হতে রক্ষা পাওয়া যায় এবং ঋণ পরিশোধ হয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরা মূলক তিলাওয়াত না করে রাতে ঘুমাতে যেতেন না (তিরমিজি)। এ বর্ণনার উপর ভিত্তি করে আলেমরা এশার নামাজের পর সূরা মূলক তিলাওয়াতের আমল করার কথা বলেন।

সূরা মূলকের আয়াত সংখ্যা ৩০। রুকু রয়েছে ২টি। এটি মক্কায় অবতীর্ণ তাই এটি মাক্কি সূরা। প্রথম ও দ্বিতীয় রুকু, ১ থেকে ৩০ নম্বর আয়াত। আল্লাহর মহত্ব ও বড়ত্ব এবং জীবন-মরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্য বলে সূরা শুরু করা হয়েছে। 

তারপর আল্লাহর সৃষ্টি নৈপুন্যের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যারা এসব দেখেও অস্বীকার করে তাদের কঠোর হুশিয়ার করা হয়েছে। শেষের দিকে বড় একটা অংশ আল্লাহ তায়ালা তার সৃষ্টির বিভিন্ন উপাদানের উপমা দিয়ে মানুষকে ইমানের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সূরা মুলকের আমল নিয়মিত করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে ঘোষিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজে রাকাত ভুলে গেলে করণীয় কী?

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে রাকাত ভুলে গেলে করণীয় কী?

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। গুরুত্বপূর্ণ এই ইবাদতটি করার সময় প্রায়ই আমাদের ভুল হয়ে যায়। নামাজে রাকাত সংখ্যা ভুলে যাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে বার বার হয়ে থাকে। 

নামাজ তিন রাকাত হলো না চার রাকাত হলো- এমন সন্দেহ নিয়ে নামাজ শেষ করে আবার নতুন করেও নামাজ আদায় করে থাকেন অনেকে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী? এর কয়েকটি ধরন হতে পারে। 


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


১. দুই রাকাতবিশিষ্ট নামাজে দুই নাকি তিন রাকাত মনে হলে দুই রাকাত ধরে নিতে হবে। আর এ সংশয়ের কারণে সাহু সেজদা দিতে হবে।

২. চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজে তিন নাকি চার মনে হলে, তিন রাকাত হিসাব করতে হবে। শেষে সাহু সেজদা করতে হবে। 

৩. নামাজে প্রবল সন্দেহ হলে যেই রাকাতের প্রতি প্রবল ধারণা হবে সেটি আমলে নিতে হবে।

৪. কোনটিই প্রবল মনে না হলে, যেটি কম রাকাত সেটি ধর্তব্য হবে।  তবে শেষে সাহু সেজদা দিতে হবে।

৫. নামাজ শেষে রাকাত নিয়ে সন্দেহ হলে পুনরায় আদায় করতে হবে।  

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আল্লাহ যেসব পাপের শাস্তি দুনিয়াতেই দিয়ে দেন

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহ যেসব পাপের শাস্তি দুনিয়াতেই দিয়ে দেন

কেউ নিষ্পাপ নয়। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সবাই কম বেশি পাপ করে থাকেন। একমাত্র নবী-রাসুলরাই গুনাহ থেকে মুক্ত। পাপ করা থেকে বড় অপরাধ হলো পাপ করার পর তা থেকে তাওবা না করা, ফিরে না আসা, অনুতপ্ত না হওয়া এবং বারবার পাপ করা। আল্লাহর প্রেমিকরা পাপ করার সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করে ফেলেন। সবারই জানা উচিত যে পাপের অবশ্যই একটা শাস্তি আছে। যদিও আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল। ক্ষমা করা হলো তাঁর দয়া, আর শাস্তি দেওয়া হলো তাঁর আদল বা ন্যায়বিচার। আল্লাহ তাআলা কোনো কোনো পাপের শাস্তি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। আবার কোনো কোনো পাপের শাস্তি দিতে পরকালের জন্য দেরি করেন।

পাঁচটি জঘন্যতম পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা দুনিয়ায়ই দিয়ে থাকেন। মহানবী (সা.) বলেছেন 
১. কোনো জাতি অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে আল্লাহ তাআলা শত্রুদের তাদের ওপর চাপিয়ে দেন।

 ২. আল্লাহ প্রদত্ত বিধান ছাড়া বিচার ফায়সালা করা হলে তাদের মধ্যে দারিদ্র্য বিস্তারলাভ করে। 

৩. কোনো জাতির মধ্যে ব্যভিচার বিস্তারলাভ করলে তাদের মধ্যে মহামারি ছড়িয়ে পড়ে।

৪. কোনো জাতি পরিমাপে ও ওজনে কম দিলে তাদের ফসলহানি ঘটে এবং দুর্ভিক্ষ হয়। 

৫. কোনো জাতি যাকাত দিতে অস্বীকার করলে, তাদের মধ্যে বৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়া হয় (বাজজার, মুয়াত্তা)।

 অঙ্গীকার পূর্ণ করা: অঙ্গীকার পূর্ণ করা মুমিনের অন্যতম গুণ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ প্রসঙ্গে অনেক গুরুত্ব বর্ণনা এসেছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর অঙ্গীকার পূর্ণ করো। অবশ্যই অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল : ৩৪)।

অন্যত্র ইরশাদ করেছেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা অঙ্গীকারগুলো পূর্ণ করো।’ (সুরা : মায়েদা : ১। অঙ্গীকার ভঙ্গ করা হারাম এবং মুনাফেকি। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘চারটি দোষ যায় মধ্যে থাকবে সে পরিপূর্ণ মুনাফিক। আর যার মধ্যে এসবের একটি দোষ থাকবে, তার মধ্যে মুনাফেকির একটি উপাদান থাকবে, যতক্ষণ সে তা বর্জন না করে, কথা বললে মিথ্যা বলে, আমানত রাখলে খেয়ানত করে, অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে এবং ঝগড়া করলে সীমা ছাড়িয়ে ফেলে।’ (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।

কোরআন অনুযায়ী বিচার না করা : কোরআন অনুযায়ী বিচার করা আবশ্যক। কোরআনবর্জিত বিচারকার্য করা মুনাফেকি। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুযায়ী যারা বিচার করে না তারা কাফির।’ (সুরা : মায়েদা : ৪৪)।


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


 

অন্য আয়াতে এসেছে, ‘যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচারকার্য সম্পাদন করে না, তারা জালিম।’ (সুরা : মায়েদা : ৪৫)। যারা আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে বিচার করে না, তারা ফাসিক (সুরা : মায়েদা : ৪৭)।

মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে বিচারক আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার করে না, আল্লাহ তার নামাজ কবুল করেন না।’ (হাকেম)। হজরত ফুজাইল ইবন ইয়াজ বলেন, ‘একজন বিচারপতির উচিত এক দিন বিচারকার্য পরিচালনা করা, আর এক দিন নিজের জন্য কান্নাকাটি করা।’

ব্যভিচার করা: ব্যভিচার করা মারাত্মক গুনাহ। আল্লাহ তাআলা ব্যভিচারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। তা একটি অশ্লীল কাজ এবং খারাপ পন্থা।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল : ৩২)। ব্যভিচারের শাস্তিও মারাত্মক। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘(অবিবাহিত) ব্যভিচারী পুরুষ ও ব্যভিচারিণী নারী উভয়কে ১০০ করে বেত্রাঘাত করো।’ (সুরা : আন নূর :

আর বিবাহিত হলে তাদের শাস্তি হলো, কোমর পর্যন্ত মাটির নিচে পুঁতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা। মহানবী (সা.) বলেছেন, বিচার দিবসে তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না ও তাদের পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নির্ধারিত থাকবে। তারা হলো ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী শাসক এবং অহংকারী দরিদ্র। হজরত ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একদা আরজ করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ কী? তিনি প্রত্যুত্তরে বলেন, আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা। অথচ তিনি প্রত্যেক প্রাণীর স্রষ্টা। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তারপর কী? তিনি বললেন, তোমার সন্তান তোমার সঙ্গে আহার করবে—এ আশঙ্কায় তাকে হত্যা করা। আমি আবার আরজ করলাম, তারপর কী? তিনি প্রত্যুত্তরে বলেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে তোমার ব্যভিচার করা। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।

পরিমাপ ও ওজনে কম দেওয়া: পরিমাপ ও ওজনে কম দেওয়া করিরা গুনাহ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘যারা মাপে কম দেয়, তাদের জন্য দুর্ভোগ, যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়, আর যখন লোকদের মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।’ (সুরা: আত-তাফফিফ ১-৬)। আরো ইরশাদ করেন, মেপে দেওয়ার সময় পূর্ণ মাপে দেবে এবং সঠিক দাঁড়িপাল্লায় ওজন করবে। এটা উত্তম, এর পরিণাম শুভ (সুরা : বনি ইসরাঈল : ৩৫)। অন্যত্র ইরশাদ করেন, সোজা দাঁড়িপাল্লায় ওজন করো। মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না’ (সুরা : শুয়ারা : ১৮২-১৮৩)। আরো ইরশাদ করেন, ন্যায়ের সঙ্গে ওজন ও মাপ পূর্ণ করো (সুরা : আনআম : ১৫২)। হজরত শুয়াইব (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, তোমরা মাপ ও ওজনে পূর্ণ করো এবং মানুষকে তাদের দ্রব্যাদি কম দিয়ো না। (সুরা : আরাফ : ৮৫)

যাকাত না দেওয়া: জাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি এবং আর্থিক ইবাদত। কোরআন মজিদে যত স্থানে নামাজ কায়েম করার কথা রয়েছে, সেখানে জাকাত দাও—এ কথাও রয়েছে। স্বীয় সম্পদকে পবিত্র করার উত্তম পন্থা হলো জাকাত প্রদান। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর নামাজ কায়েম করো, জাকাত দান করো এবং নামাজে অবনত হও তাদের সঙ্গে যারা অবনত হয়।’ (সুরা : বাকারা : ৪৩)। আরো ইরশাদ করেন, আপনি তাদের সম্পদ থেকে জাকাত গ্রহণ করেন, যা দ্বারা পবিত্র এবং পরিশোধিত করবেন। (সুরা : তওবা : ১০৩)।

মহানবী (সা.) বলেছেন, তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদের জাকাত আদায় করো। আল্লামা শামি বলেছেন, জাকাত প্রদানের দ্বারা সম্পদে বরকত হয়। (রদ্দুল মুহতার, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা : ১)।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দোজখের আগুন থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি আমল

অনলাইন ডেস্ক

দোজখের আগুন থেকে বাঁচতে ছোট্ট একটি আমল

আল্লাহ তাআলা মানুষকে তার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। যারা সঠিক উপায়ে তার হুকুম-আহকাম তথা ফরজগুলো পালন করবে তাদের সব নফল ইবাদতের মাধ্যমে তাঁদের মর্যাদা বেড়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাকে জাহান্নামের আজাব থেকে মুক্তির জন্য রহমত বর্ষণ করবেন।

হাদিসে পাকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনই একটি ছোট্ট আমল ও দোয়ার কথা বলেছেন। যে দোয়ার নিয়মিত আমলে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি মিলবে। হাদিসে এসেছে-

হজরত আল-হারিস ইবনু মুসলিম আত্‌-তামীমী রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতার সূত্র বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে চুপে চুপে বলেন, ‘যখন তুমি মাগরিবের নামাজ থেকে অবসর হয়ে সাতবার বলবে-

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আঝিরনি মিনান নার।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।’


যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা

সালমান খানের তোয়ালে পরা ছবি ভাইরাল


তুমি তা বলার পর ওই রাতে মারা গেলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি লেখা হবে। আর যখন তুমি ফাজরের নামাজ শেষ করবে তখনও অনুরূপ বলবে। অতঃপর তুমি যদি ওই দিন মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি লেখা হবে।’ (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ, ইবনে হিব্বান)

মুহাম্মাদ ইবনু শুআইব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আবূ সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি আমাকে আল-হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তা চুপে চুপে বলেছেন, যাতে আমি আমার ভাইদের কাছে তা বিশেষভাবে প্রচার করি।’

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত, ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর এ দোয়াটি ৭ বার পড়া। আল্লাহ তাআলা হাদিসের সহজ আমল ও ছোট্ট মাসনুন দোয়ার মাধ্যমে তাঁর হুকুম-আহকাম পালনের পাশাপাশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর