অভিযানের পরও জব্দ তালিকায় নেই মনিরের গাড়ি

মৌ খন্দকার

প্রিন্ট করুন printer
অভিযানের পরও জব্দ তালিকায় নেই মনিরের গাড়ি

রাজধানীর প্রগতি স্মরণিতে মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের গাড়ির শোরুম। প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করার জন্য দামি গাড়িই ছিল তাঁর জাদুর কাঠি। মনিরের বাসার গ্যারেজে রাখা গাড়ি দুটিই আনা হয় শুল্কমুক্ত সুবিধায়। র‌্যাবের অভিযানের পরও গাড়ি দুটি পড়ে আছে মনিরের গ্যারেজে। একটি এক কোটি দশ লাখ; অন্যটি ৯৬ লাখে কেনা হয় বলে জানা গেছে গোয়েন্দা তথ্যে। অভিযানের পরও জব্দ তালিকায় নেই, এসব গাড়ি। 

অটো কার সিলেকশন। অবৈধ সব কাজকারবারের বৈধতা দিতে গোল্ডেন মনির এই শোরুমেই নিয়ে আসতেন বড় বড় কর্তাব্যক্তি আর প্রভাবশালীদের। শোরুমের দামি গাড়ির চাবি পেয়ে মনিরের পকেটে ঢুকে যেতেন অনেকেই।

মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্টে ১১ নম্বর সড়কে মনিরের বাসায় পড়ে আছে বিলাসবহুল দুটি গাড়ি। বিআরটিএ বলছে, গাড়ি দুটি শেরপুরের এমপি ও সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক এবং কুড়িগ্রাম-৩ এর সাবেক এমপি ড. আক্কাস আলী সরকারের নামে।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট নিবন্ধন হওয়া গাড়ির ঠিকানা দেওয়া হয় মানিক মিয়া এভিনিউ-এর ন্যাম ভবন।

গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, গাড়ি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা হলেও ব্যবহার করতেন গোল্ডেন মনির। আর নাম্বার প্লেটে অটো কার সিলেকশনের নাম লেখা।

হুইপ আতিউর রহমান আতিক স্বীকার করেন, গাড়ি তিনি নিজেই রেখেছিলেন মনিরের কাছে।

আরেক গাড়ির মালিকানা কুড়িগ্রামের সাবেক এমপি ড. আক্কাস আলী সরকারের নামে। ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি এই গাড়িটির ঠিকানা দেওয়া হয় প্রগতিসরণির বারিধারা জে ব্লকের ৭৪ নাম্বার প্লট। এই প্লটেই মনিরের শোরুম অটো কার সিলেকশন। সাবেক এমপি আক্কাস আলি দাবি করেন, সমস্যা দেখা দেওয়ার গাড়ি ঠিক করতে দিয়েছিলেন শোরুমে।
তবে গোল্ডেন মনিরের অর্থ ও সম্পদের কয়েকপৃষ্ঠার জব্দ তালিকার কোথাও নেই এই গাড়ির তথ্য।

চতুর্থ দিনের মতো রিমান্ডে গোল্ডেন মনির। জিজ্ঞাসাবাদে নানা তথ্য মিলছে বলে জানায় পুলিশ। তবে অধিকতর তদন্তের জন্য গোল্ডেন মনিরকে শিগগির দেওয়া হবে ডিবির কাছে।

স্পেনের মূল রাজনীতিতে বাংলাদেশের রাসেল

গেল শনিবার আটকের রোববার গোল্ডেন মনিরকে ১৮ দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য