যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড: আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড: আপিল বিভাগ

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। তবে আদালত চাইলে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির। 

এর আগে গত বছর ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে রিভিউ আবেদনটির রায় (সিএভি) অপেক্ষমান রাখেন। তার আগে রিভিউ শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত পাঁচ অ্যামিকাস কিউরির বক্তব্য শোনেন। তারা হলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এএফ হাসান আরিফ, আবদুর রেজাক খান, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও এএম আমিন উদ্দিন।

প্রসঙ্গত ২০০১ সালে সাভারে জামান নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৩ সালে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল। হাইকোর্টে আপিলের পর বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল থাকে।

এর বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন সর্বোচ্চ আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস’ এমন মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদ জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। 

তবে ওই দিন অন্যান্য মামলার আসামির ক্ষেত্রেও এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে কিনা সে বিষয়ে প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছিলেন, সবার ক্ষেত্রে এ রায় প্রযোজ্য হবে কিনা সেটি পূর্ণাঙ্গ রায় না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।


আরও পড়ুন: সেন্ট মার্টিনে সীমিত করা হচ্ছে পর্যটক সংখ্যা


ওই দিন খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, রায়ের সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস। আমি প্রতিবাদ করে বলেছিলাম, দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অর্থ ৩০ বছর। এ ছাড়া যাবজ্জীবনের আসামিরা কারাগারে রেয়াত পেয়ে দণ্ড সাড়ে ২২ বছরে নেমে আসে। যদি আমৃত্যুই হয়ে থাকে, তা হলে তাদের রেয়াতের কি হবে? আমি আরও বলেছিলাম, প্রধান বিচারপতির এ মন্তব্য যেন মূল রায়ে না থাকে। তবে যদি থাকে, তা হলে সব আসামির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে এ মামলার ৯২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশিত হয়। পরে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর আতাউর রহমান মৃধার আইনজীবী ওই রায়ের রিভিউর কথা সাংবাদিকদের জানান।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় 
আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ইয়াবা মামলায় এহেছান উল্যাহ্ প্রকাশ ওরফে আমান উল্যাহকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বিকালে জেলা জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন। এসময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত এহেছান উল্যাহ কক্সবাজার চকরিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আনোয়ারুল হক এর ছেলে। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে সড়কে অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এহেছান, তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া ও শ্যালিকা রাজিয়া বেগম প্রকাশ জারিয়াতুল মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত মোট ৯জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামী জান্নাতুল মাওয়া ও রাজিয়া বেগমমে খালাস দেয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামী এহেছানকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। 

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলায় মেহেরুনন্নেছা নামে এক গৃহবধুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

আজ (২৮ফেব্রুয়ারি) রোববার সাতক্ষীরা বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষনা করেন।

মামলার একমাত্র আসামি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের নিহত জাকির হোসেন ওরফে ছোট বাবুর স্ত্রী মেহেরুনন্নেছাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের স্বশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে জামিনে থাকা আসামি মেহেরুনন্নেছা পালিয়ে যান।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মোল্যার মেয়ের সাথে একই উপজেলার  শরাফপুর গ্রামের জহির উদ্দিন সরদারের ছেলে জাকির হোসেন ওরছে ছোট বাবুর বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী মেহেরুনন্নেছার পরকিয়ার কারনে স্বামী জাকির হোসেনের সাথে বিরোধ চলচ্ছিল। হঠাৎ ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরুনন্নেছা তার স্বামী জাকির হোসেনকে কুড়াল দিয়ে স্বামীর বাড়ীতেই কুপিয়ে হত্যা করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় রক্তমাখা অবস্থায় গ্রামবাসী আটক কওে আশাশুনি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আজহারুল সরদার বাদী মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মনজিত কুমার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় ২২ জন স্বাক্ষীরা মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ কোটের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের পর গলায় ও যৌনাঙ্গের চারপাশে ১০ কোপ, আসামির যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের পর গলায় ও যৌনাঙ্গের চারপাশে ১০ কোপ, আসামির যাবজ্জীবন

বরগুনায় ২১ বছরের এক তরুণীকে  ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় দেন। আসামির নাম শাহিন (২৫)। বরগুনা পৌর শহরের উকিল পট্টির বাসিন্দা মৃত সফিজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে শাহিন।

আসামিকে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড , অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০৭ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আমরা এই রায়ে সন্তষ্ট হয়েছি।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি শাহিনের সঙ্গে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া এলাকার এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিষয়টি পরিবার জানতে পরে ওই তরণীকে শাহিনের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। এই ঘটনার পর তরুণী প্রথমে তার এক স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যান এবং পরে সেখান থেকে কুয়াকাটায় যান। পরের দিন সেখান থেকে ফিরে বরগুনা শহরের টাউনহল এলাকায় শাহিনের সঙ্গে দেখা হয়। সেখানে অনেকক্ষণ কাথাবার্তা শেষে শাহীন তাকে নিয়ে ঢাকা যেতে চাইলে তরুণী রাজি হন। পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে শাহীন একটি বটিসহ মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন।

শাহীন ওই তরুণীকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের পশ্চিম ধুপতি এলাকার ইটভাটায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে সঙ্গে থাকা বঁটি দিয়ে তরুণীর গলার ডানপাশে দুইটি কোপ দেন। এছাড়া যৌনাঙ্গের চারপাশে ৮টি কোপ দেন। তরুণী মারা গেছে ভেবে নদীর পাড়ে ফেলে চলে যান শাহীন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ঘটনার পরের দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তরুণীর বাবা বাদী হয়ে ২০০৮ সালে বরগুনা সদর থানায় শাহিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

এ ব্যাপারে আসামিপক্ষের আইনজীবীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

স্বামীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এই রায় দেন।

মামলার একমাত্র আসামি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের নিহত জাকির হোসেনের স্ত্রী মেহেরুননেসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের  কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এর আগে জামিনে থাকা আসামি মেহেরুননেসা পালিয়ে যান।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরেুননেসা তার স্বামী জাকির হোসেনকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আশাশুনি থানা-পুলিশ মেহেরুননেসাকে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ। আসামে পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চলন্তবাস থেকে লাফিয়ে চালক-হেলপারের শ্লীলতাহানি থেকে রক্ষা

অনলাইন ডেস্ক

চলন্তবাস থেকে লাফিয়ে চালক-হেলপারের শ্লীলতাহানি থেকে রক্ষা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় বাসচালক ও হেলপার কে আটক করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোডে বাসসহ ওই চালক ও হেলপারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয় বলে নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ।

ওসি জানান, চালকের নাম রিয়াদ মিয়া (৪৫) ও হেলপার ইব্রাহিম খলিল রুবেল (৩৫)। রিয়াদ মিয়া ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার ছেলে ও হেলপার ইব্রাহিম খলিল রুবেল নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ইসাখালি গ্রামের রফিজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার তিমিরপুর গ্রামে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অনার্স প্রথমম বর্ষের ছাত্রী কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়কের তিমিরপুর এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং-হবিগঞ্জ-ঢাকা সড়কে যাতায়াতকারী ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লাকী পরিবহনের বাস তিমিরপুর দাঁড় করিয়ে ওই ছাত্রীকে গাড়িতে উঠায়।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


পথিমধ্যে ছাত্রীকে অশ্লীল ভঙ্গিতে নানা ধরনের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। বার বার গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার কথা বললেও বাস চালক ও হেলপার বাস না থামিয়ে ঢাকার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। একপর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন ওই শিক্ষার্থী। পরে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি অবগত করেন।

রোববার দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোডের আরজু হোটেলের সামনে স্থানীয় জনসাধারণ লাকী পরিবহনের ওই বাসসহ বাস চালক রিয়াদ ও হেলপার রুবেলকে আটক করে।

পরে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে বাস চালক ও হেলপারকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর