বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর

ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্কের মধ্যে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য দুর্বৃত্তরা ভাঙচুর করেছে। এতে হাতসহ ভাস্কর্যের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা এই ভাঙচুর করে বলে শনিবার দুপুরে নির্মাণকারী শ্রমিকরা জানান।

গত নভেম্বর মাসের শুরুতে কুষ্টিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ের শাপলার ভাস্কর্য ভেঙে সেখানে তিনটি প্রধান সড়ককে সামনে রেখে নিচের দিকে জাতীয় চার নেতার ম্যুরালে ওপরে বঙ্গবন্ধুর তিনটি ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ শুরু করে। এর মধ্যে শহরের মজমপুরের অংশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ দেওয়ার একটি ভাস্কর্য তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। গতকাল শুক্রবার রাতে কে বা কারা সেটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখানে রাত ২টার দিকে দুজনকে ভাস্কর্য ভাঙচুর করতে দেখা যাচ্ছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অচিরেই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আরও পড়ুন: ‌‘শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র এখনও শৃঙ্খলমুক্ত নয়’

কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, আওয়ামী লীগের বিরোধী এবং বঙ্গবন্ধুকে যারা মানতে পারে না তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলাও করা হচ্ছে।

সূত্র- কালের কণ্ঠ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মরোক্কোয় যুবকের মানববেতর জীবন যাপন

মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে মানবপাচারকারী দলের এক সদস্যকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে জেলা সিআইডি পুলিশ। বুধবার বিকেল ৩টায় জেলা সিআইডি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মো.হানিফ প্রকাশ মাসুদ (৪০) বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউপির ৮ নং ওর্য়াড বসন্তেরবাগের মৃত আলী আজমের ছেলে। সে এবং অপরাপর মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের ফাঁদে ফেলে মরোক্কোতে এক যুবক মানববেতর জীবন-যাপন করছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা সিআইড আরও জানায়, ধৃত আসামিসহ সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের অপরাপর সদস্যদের ধোকায় পড়ে উপজেলার একলাশপুর গ্রামের রফিকউল্যার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩৯), বর্তমানে মরোক্কোর নাদোর শহরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ওই ভিকটিম দেশে বেকার অবস্থার প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানের চেষ্টা করে। বিষয়টি জানতে পেরে মানবপাচার কারী চক্রের সদস্য মো. হানিফ প্রকাশ মাসুদ ইউরোপের দেশ স্পেন যাওয়ার জন্য ভিকটিমকে প্ররোচিত ও প্রলুব্ধ করে। বিনিময়ে ধৃত আসামি ভিকটিমের নিকট হতে ১১ লক্ষ টাকা দাবি করে। 

ভিকটিম সরল বিশ্বাসে মানবপাচার কারীদের কাছে নগদ ১১ লক্ষ টাকা প্রদান করে। টাকা পাওয়ার পর গত ২০১৯ সালে ২০ মার্চে হজরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর থেকে এয়ার এরাবিয়ার বিমান যোগে ভিকটিম আলাউদ্দিকে দুবাই পাঠিয়ে দেয়। দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিকে পাচারকারীদের অপর দুই সদস্য রিসিভ করে তাদের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে রাখে। ভিকটিম আলাউদ্দিন এর সাথে থাকা ৩০০০ (তিন হাজার) ইউরো পাচার কারীরা জোর পূর্বক নিয়ে নেয়।

এরপরও পাচারকারীরা আরও টাকা পাচারকারীদের ব্যাংক একাউন্টে দিতে বললে ভিকটিমের ছোট ভাই মনির হোসেন আজিম গত ২০১৯ সালের ২৫ মার্চে ওয়ান ব্যাংক লিঃ চৌমুহনী শাখায় নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশহাজার) টাকা পাচারকারীদের একাউন্টে জমা করে। পরবর্তীতে পাচারকারীরা দুবাই থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিনের পাসপোর্টে আফ্রিকার দেশ মালির ভিসাইস্যু করে গত ২০১৯ সালের ৩ এপি্েরল দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে ইউথোপিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান যোগে আফ্রিকার দেশ মালিতে পাচার করে দেয়।

মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য আফ্রিকান ইউরো ও ইব্রাহিমদ্বয় মালির বামাকো এয়ারপোর্ট থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিনকে রিসিভ করে তাদের বাড়িতে জিম্মি করে অস্ত্রের মুখে জোর পূর্বক ভিকটিম আলাউদ্দিনের পাসপোর্ট নিয়ে যায়। ভিকটিম আলাউদ্দিনসহ মানবপাচারের শিকার মোট ১৯ (উনিশ) জনের একটা দল তৈরীকরে। আফ্রিকার দেশ মালি থেকে ইউরোরও ইব্রাহিম দ্বয়ের নেতৃত্বে পায়ে হেঁটে অনেকটা পথ যাওয়ার পর লরি গাড়িতে চড়ে সাহারা মরুভূমিও বড়বড় পাহাড়ি রাস্তা পাড়ি দিয়ে ৫ (পাঁচ) দিন অনাহারে থেকে মরক্কোর নাদোর শহরে পাচার করে দেয়।

মানবপাচারকারী চক্রের অপরাপর সদস্যরা তাদেরকে রিসিভ করে আলাউদ্দিনসহ মোট ০৯ (নয়) জনকে তাদের নাদোর শহরের ভাড়াবাড়িতে জিম্মি করে রাখে। তখন ভিকটিম আলাউদ্দিন জিম্মির বিষয়টি তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার নুপুর(২৫) কে ফোনে জানালে তখন ভিকটিমের মুক্তির জন্য তার স্ত্রী একলক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য ধৃত আসামি মো. হানিফ প্রঃ মাসুদকে মুক্তিপন হিসেবে দেয়।


পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা দাবি করলেন তিন যুবক


পরে নুপুর বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে ধৃত আসামিসহ মানবপাচারকারী চক্রের অপরাপর সদস্যদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বেগমগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭, তারিখ-১০/১২/২০২১খ্রিঃ ধারা-মানবপাচার ও প্রতিরোধ দমন আইনের ৭/৮/১০(১)রুজু হয়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় সিআইডি, নোয়াখালী মামলাটি স্ব-উদ্যোগে অধিগ্রহণ করে। পরবর্তীতে বিশেষ পুলিশ সুপার সিআইডি, নোয়াখালী এর তত্বাবধানে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় মো. হানিফ প্রকাশ মাসুদকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কালে সে জানায় যে, সে এবং তার ভাই আব্দুল ওয়াদুদ ও অপরাপর আসামীরা একসঙ্গে অত্র মামলার ভিকটিমকে ইউরোপের দেশ স্পেনে পাঠানোর কথা বলে তাকে প্রথমে দুবাই নেয়, সেখান থেকে মালি নেয় এবং সাহারা মরুভুমি পার করে ভিকটিমকে মরোক্কোর নাদোর শহরে নিয়ে আটক রেখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অংকের মুক্তিপন দাবি করে বাদীর নিকট হতে সু-কৌশলে বিভিন্ন একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪,০০,০০০/-(চৌদ্দ লক্ষ) টাকা নিয়ে যায়। গ্রেপ্তাকৃত আসামি এলাকায় বেকার এবং বিদেশ গমনে ইচ্ছুকদের বিভিন্ন ভাবে প্রলুব্ধ করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়া বিদেশ পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন লোকজনকে পাচার করে দিত।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

নববধূকে বাড়িতে নেওয়ার পথে রাস্তায় রেখে পলিয়ে গেল বর। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বরের নাম জাহিদ হাসান (শোভন)। স্থানীয় চাতাল ব্যবসায়ী রেজাউনুল হক লিটনের ছেলে তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল বিকেলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে নলডাঙ্গা ট্রাকচালক সমিতির কার্যালয়ে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে হয়।

এরপর নলডাঙ্গা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধা শহরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন শোভন। সাদুল্লাপুরের কালিবাড়ি মন্দিরের পাশের রাস্তায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে বসিয়ে রেখে অটোরিকশা থেকে নেমে পালিয়ে যান তিনি।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


ঘটনার পর থেকে শোভনের মোবাইল ফোন বন্ধ। কোনো উপায় না পেয়ে হয়ে রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নববধূ ইতি আক্তার।

তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে শোভনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। কয়েকদিন আগে শোভন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিয়ের দাবিতে তার এলাকায় গেলে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শোভন আমাকে বিয়ে করে। সেখান থেকে বাড়ি নেওয়ার পথে সাদুল্লাপুরে পৌঁছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়।’

‘প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের পর শোভন এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারিনি। এমন ঘটনার জন্য শোভনের কঠিন শাস্তি চাই আমি।’

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘নববধূর অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। শোভনের অবস্থান চিহ্নিতসহ তাকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বিষপানে দুই বোনের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ পরিদর্শক  মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতরা রাতে নিজ বাড়িতে একসাথে ঘুমিয়ে ছিল। মাঝ রাতে তাদের বিষ খাওয়ার বিষয়টি পরিবারের লোকজন টের পায়।

পরে তাদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিস্ট জেনালের হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে দুই বোন মারা যান। 


এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থা সংকটপূর্ণ

পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য


তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষপান করার কারন জানা না গেলেও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

নাটোর প্রতিনিধি:

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

নাটোরের বড়াইগ্রামে সুদি মহাজনের চাপে বিক্রিত শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। বুধবার দুপুরে নাটোরের জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ ওই শিশুকে তার মায়ের কোলে তুলে দেন। এ সময় বড়াইগ্রামের ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম, অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম, নগর ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালু উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত সোমবার সুদি মহাজনের চাপে বাধ্য হয়ে উপজেলার নগর ইউনিয়নের কয়েন গ্রামে ভ্যানচালক বাবা রেজাউল করিম তার  চাঁদনী আক্তার লিজা নামে ২২ দিন বয়সী কন্যা শিশুকে এক লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। 


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতেই ভুক্তভোগির বাড়িতে গিয়ে অনুসন্ধানে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করেন ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম। পরে বিক্রিত শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

শিশুকে ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপশি জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাকে নগদ অর্থ, ফলমুল ও খাবার এবং একটি ভ্যান কিনে দেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমিসহ একটি ঘর এবং চলমান ঋণ পরিশোধের, নগর ইউপি চেয়ারম্যান ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

১৭ ভরি সোনা ও শিশু সন্তানকে নিয়ে পালাল প্রবাসীর স্ত্রী

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

১৭ ভরি সোনা ও শিশু সন্তানকে নিয়ে পালাল প্রবাসীর স্ত্রী

নাটোরের গুরুদাসপুরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ ৭ বছরের ছেলেসন্তান নিয়ে পালিয়েছেন প্রবাসীর স্ত্রী। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের মাঝপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্বামী বাদী হয়ে ওই রাতেই গুরুদাসপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে প্রবাসী মো. আবুল বাশার (৩২) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিনের মেয়ে শম্পা খাতুনের (২৫) সঙ্গে বিয়ে হয় ২০১৩ সালে।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


বিয়ের চার মাস পরে স্ত্রীকে রেখে সৌদি আরবে যান আবুল বাশার। বিয়ের এক বছর পরে তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। যার বয়স এখন ৭ বছর।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি থেকে তিনি বাসায় আসেন। বাসায় আসার কয়েক দিনের মধ্যেই আবুল বাশারের মা অসুস্থ বোধ করলে তিনি তার মাকে নিয়ে হাসপাতালে আসলে তাদের অগোচরে বাড়িতে থাকা ১৭ ভরি স্বর্ণের অলংকার যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকাসহ তার ৭ বছরের সন্তান মো. বাঁধন পারভেজকে নিয়ে তার স্ত্রী পালিয়ে যান। তবে কীভাবে কার সঙ্গে পালিয়ে গেছেন, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

ভুক্তভোগী প্রবাসী আবুল বাশার জানান, তিনি তার স্ত্রী সন্তানকে খুব ভালোবাসতেন। তাদের কোনো চাহিদা কখনও অপূর্ণ রাখেননি। সৌদি থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী শম্পা খাতুনকে তিনি দুই বার ওমরা হজ ও করিয়েছেন। কয়েক দিন আগে বাসায় এসে তার মা অসুস্থ হওয়ায় গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।

তাদের অগোচরে তার স্ত্রী বাড়িতে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণ অলংকারসহ তার ৭ বছরের ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তার স্ত্রীর পরিবার-পরিজনদেরকে তার উধাও হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তিনি তার পালিয়ে যাওয়া স্ত্রী ও সন্তানকে খুঁজে পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আশা করি, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের সন্ধান পাওয়া যাবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর