‘দ্যা স্প্রিং চার্চ’ আয়োজন করেছিল ‘ড্রাইভ ইন সার্ভিস’

শওগাত আলী সাগর

‘দ্যা স্প্রিং চার্চ’ আয়োজন করেছিল ‘ড্রাইভ ইন সার্ভিস’

ম্যানিটোবার উইনিপেগে অবস্থিত ‘দ্যা স্প্রিং চার্চ’ আয়োজন করেছিল ‘ড্রাইভ ইন সার্ভিস’। কফি হাউজের ড্রাইভ থ্রুর আদলে ড্রাইভ ইন সার্ভিসের লক্ষ্য ছিল উপাসনার বিকল্প ব্যবস্থা করে দেয়া। 

কোভিডের কারণে উপাসনালয়গুলোতে জনসমাগম নিষিদ্ধ থাকায় চার্চে প্রার্থনা অনুষ্ঠান করা যাচ্ছিল না। ’ক্রিয়েটিভ’ চার্চ কর্তৃপক্ষ পার্কিং লটে গাড়িতে বসেই উপাসনার বিকল্প ব্যবস্থা চালু করে।

কিন্তু ম্যানিটোবার স্বাস্থ্য বিভাগ এটিকেও স্বাস্থ্যবিধির লংঘন হিসেবে অভিহিত করে চার্চকে ৫ হাজার ডলার জরিমানা করে দেয়। চার্চ কর্তৃপক্ষ এরপরও আরো কয়েকটি উপাসনার আয়োজন করে। প্রতিবারই স্বাস্থ্যবিভাগ জরিমানা করে বসে। 

৩১ হাজার ডলারের বেশি জরিমানা হয়ে যাওয়ার পর চার্চ কর্তৃপক্ষ আদালতের শ্মরণাপন্ন হয়। তাদের দাবি, ভক্তরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ গাড়িতে বসে থেকেছে। কাজেই এটি স্বাস্থ্যবিধি লংঘন হতে পারে না। কিন্তু ম্যানিটোবার প্রধান বিচারপতি চার্চের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, পার্কিং লটে অনেকগুলো গাড়িতে বসে প্রার্থনা স্পষ্টতই স্বাস্থ্যবিধির লংঘন।

’খ্রিষ্টানদের দেশ’ কানাডায় ‘খ্রীষ্টানদের ধর্ম চর্চ্যার উপর স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ’ কিংবা আদালতের রুলিং এর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বাদ প্রতিবাদ বা সেনসেশন তৈরির চেষ্টা করেনি কেউ। চার্চও বলেনি-’খ্রীষ্টানদের ধর্ম চর্চ্যায়’ হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। চার্চ বরং নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে এর পর থেকে সব প্রার্থনা অনলাইনে হবে, আগ্রহীরা অনলাইনে সেইসব প্রার্থনায় যোগ দিতে পারবেন।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুন দেশ (ফেসবুক থেকে)

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই

সাদিয়া নাসরিন

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই

পুঁজিবাদের ঘাড় তাজা করা নারী দিবসের কোন গুরুত্ব আমার কাছে আর নেই। তবুও বছরের তিনশো পয়ষট্টি দিনই আমি নারীদের বলতে চাই, সমতার জন্য নারীকেই প্রস্তুত হতে হবে। কোন পুরুষ সমতা এনে নারীর হাতে তুলে দিয়ে বলবেনা,‘এই নাও’। 

এটা আপন যোগ্যতায়, সক্ষমতায়, সাহসে অর্জন করতে হয়। আরেকজনের পকেটে জীবন ঢুকিয়ে রেখে, স্বামীর গাড়ি বাড়িকে ‘আমার’ বলে, সেইফ জোনে বসে বা এসাইলামের ধান্ধা নিয়ে নিজের জন্য সমতার লড়াই করা যায়না। 

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই। তার জন্য সবার আগে নিজের জীবনটা নিজের হাতে নিতে হয়। নিজের মুক্তির লড়াই নিজেকেই করতে হয়। লড়াই ছাড়া মুক্তি মেলেনা, সমতা আসেনা। "মুক্তি" নিরাপদ আরামে স্নান করার চৌবাচ্চা নয়। সে অপার সমুদ্র। এখানে আছে হাঙ্গর, কুমির আর উত্তাল ঢেউ। 

তবুও জীবন চাইলে প্রতিটি মেয়েকে নিজের যা আছে, যতটুকু আছে তাই দিয়েই এই মুক্তির লড়াই করে যেতেই হবে। সবার আগে লড়াই করতে হবে নিজের সাথে। তোতাপাখির মতো যেসব ন্যাকামো এতোদিন শিখেছে আগে তা ভুলতে হবে। ঘাড়ের উপর মাথাটা শক্ত করে বসাতে হবে। 


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


নিজের খাওয়া পরা সাচ্ছন্দ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে কিভাবে সম মর্যাদা আশা করে মানুষ? দাতা গ্রহীতা কি কখনো এক হয় ? 

পুরুষকেও মুক্ত হতেই হবে। মানুষ হতে হবে। পুরুষকে ভুলে যেতে হবে সে নারীর অন্নদাতা, আশ্রয়দাতা, রক্ষাকর্তা...এসব ভুলে যেদিন পুরুষ নারীর সহযোদ্ধা হতে পারবে সেদিন আমরা একসাথে সত্যিকারের মানব দিবস পালন করবো।

সাদিয়া নাসরিন,উন্নয়ন কর্মী

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস

তসলিমা নাসরিন

প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস

নারী দিবসে আমার আজ আলাদা করে কিছু বলার দরকার নেই। আমার প্রতিটি দিনই নারী দিবস। প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস, প্রতিটি দিনই অবহেলিত পশু  দিবস, অবহেলিত শিশু দিবস, অবহেলিত প্রকৃতি দিবস, আমার প্রতিটি দিনই সত্যের জন্য, সুন্দরের জন্য জেগে ওঠার দিবস, আমার প্রতিটি দিনই অসত্য, অন্যায়, অত্যাচার, অনাচার, অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের দিবস।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল

শরিফুল হাসান

আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদানের কথা এলেই আমরা কেবল ধর্ষণ আর নিপীড়নের কথা বলি। 

কিন্তু এই ছবিগুলো বলছে আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সেই ইতিহাসের কথা আমরা খুব বেশি বলি না। কেবল আন্তর্জাতিক নারী দিবসে না।

সারাবছরই এই ছবিগুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। ‌আমাদের মুক্তির ইতিহাসে নারীর সাহসী এই ভূমিকাকে স্যালুট। জয় বাংলা।

শরিফুল হাসান, উন্নয়নকর্মী

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আজকের দিনটি আসলে পুরুষদের উদ্দেশ্যে

মাসুদা ভাট্টি

আজকের দিনটি আসলে পুরুষদের উদ্দেশ্যে

আজকের দিনটি নারী দিবস হিসেবে চিহ্নিত হলেও আসলে দিনটি পুরুষদের উদ্দেশ্যে এই কথাটিই জোর দিয়ে বলার জন্য যে, বন্ধুরা পৃথিবী থেকে আসুন বৈষম্য দূর করি, আর্ধেক আনন্দ নিয়ে বেঁচে থেকে কী লাভ বলুন? 

আসুন সবাই মিলে পূর্ণ আনন্দে বাঁচি। ভোগী আর ভোগ্যের বিভাজন থেকে বেরিয়ে সমতার পৃথিবীতে এসেই দেখুন, আপনার ভেতরকার অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হয়েই দেখুন, পৃথিবী আসলে সুন্দর। 

আপনি মনে মনে একথা জানেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে আপনি যাকে ক্ষমতায়/শক্তিতে/বৈষম্যে পরাজিত, পদানত, পর্দানত করতে চেয়েছেন তারা আপনাকে শত্রুজ্ঞান করেনি, তারা আপনার পাশে দাঁড়িয়ে, আপনার সংগে থেকে কাজ করতে চেয়েছে সমতার ভিত্তিতে, সমানতর সক্ষমতা নিয়ে। 

আজকের দিনে এসব কথাই আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আমরা। দিনটি তাই কেবল আমাদের নয়, আপনারও, আমার প্রিয় পুরুষ বন্ধু-পিতা-ভাই-সহকর্মী-সহযাত্রী আপনাদেরও।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


আজকের দিনটি নারী দিবস হিসেবে চিহ্নিত হলেও আসলে দিনটি পুরুষদের উদ্দেশ্যে এই কথাটিই জোর দিয়ে বলার জন্য যে, বন্ধুরা পৃথিবী থেকে আসুন বৈষম্য দূর করি, আধেক আনন্দ নিয়ে বেঁচে থেকে কী লাভ বলুন?

 
আসুন সবাই মিলে পূর্ণ আনন্দে বাঁচি। ভোগী আর ভোগ্যের বিভাজন থেকে বেরিয়ে সমতার পৃথিবীতে এসেই দেখুন, আপনার ভেতরকার অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হয়েই দেখুন, পৃথিবী আসলে সুন্দর। 

আপনি মনে মনে একথা জানেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে আপনি যাকে ক্ষমতায়/শক্তিতে/বৈষম্যে পরাজিত, পদানত, পর্দানত করতে চেয়েছেন তারা আপনাকে শত্রুজ্ঞান করেনি, তারা আপনার পাশে দাঁড়িয়ে, আপনার সংগে থেকে কাজ করতে চেয়েছে সমতার ভিত্তিতে, সমানতর সক্ষমতা নিয়ে।
 
আজকের দিনে এসব কথাই আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আমরা। দিনটি তাই কেবল আমাদের নয়, আপনারও, আমার প্রিয় পুরুষ বন্ধু-পিতা-ভাই-সহকর্মী-সহযাত্রী আপনাদেরও।

মাসুদা ভাট্টি, সাংবাদিক, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার

শরিফুল হাসান

কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার

এই তো গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আবারও প্রথম অবস্থানে উঠে এলো। এর মধ্যেই আজ শুনলাম শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি চার জন বিচারক নারী যাচ্ছেন। দারুণ খবর। 

এই চার বিচারকের মধ্যে তিন জন দক্ষিণ সুদানে এবং অন্যজন সোমালিয়ায় অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (ইউএনএসওএম) যোগ দেবেন। আইন মন্ত্রণালয় বলছে, এই চার বিচারক জাস্টিস অ্যাডভাইজার হিসেবে বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ও উন্নয়নে কাজ করবেন।


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আফসানা আবেদীন, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন মাহবুবাকে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন মানে ৮ মার্চ সকাল সাড়ে ১০ টায় দক্ষিণ সুদানের উদ্দেশে তাঁরা ঢাকা ত্যাগ করবেন। কক্সবাজার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) জেবুন্নাহার আয়শা দক্ষিণ সুদান যাবেন আগামী ১৯ মার্চ। আর জামালপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ লুবনা জাহান আগামী ১৫ মার্চ সোমালিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

আমি মনে করি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী বিচারকদের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। পাশাপাশি এ বছর ৮ মার্চের স্লোগান  কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার। আমি মনে করি এই স্লোগানটা অর্থবহ করে তুললেন আমাদের নারী বিচারকরা। কাজেই অভিনন্দন এই চার নারী বিচারককে। অভিনন্দন বাংলাদেশ। শুভ কামনা জগতের সব নারীদের জন্য।

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর