সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে ৩৬ নারী-শিশু আটক

দিনাজপুর প্রতিনিধি

সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে ৩৬ নারী-শিশু আটক

দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে বিনা পাসপোর্টে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা নারী-শিশুসহ ৩৬ জনকে বিজিবি আটক করে বিরামপুর থানায় সোপর্দ করেছে।

বিরামপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী খিয়ার মামুদপুর গ্রামস্থ সীমান্ত পিলার ২৯১/২৫ এস হতে ২৫০ গজ ভিতরে সোহেল রানা ও সাহার আলীর বসত আড়ির আঙ্গিনায় জড়ো করা ব্যক্তিদের ভাইগড় বিওপি’র ২০ বিজিবি আটক করে।

আটকরা হলেন- নওগাঁ জেলা আত্রাই উপজেলার বাঁকা গ্রামের বিমল, শ্রীমতি আলো, ভক্তি রাণী, নারায়ন চন্দ্র, দয়াল
চন্দ্র, ববিতা রাণী, রতন সরকার, পুর্ণিমা রাণী, মিলন চন্দ্র, আলো চন্দ্র, হৃদয় চন্দ্র, নমিতা রাণী, আদুরী রাণী, একই উপজেলার সিংসারা গ্রামের ধিরেন চন্দ্র, স্বরস্বতি, বিরেন প্রামানিক, পুর্ণিমা রাণী, নওদুলি গ্রামের জয়দেব, চাম্পা রাণী, মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর কিনার প্রামানিক, গৌরি রাণী, উৎপল চন্দ্র, কাজল রাণী, টাংগাইল বাসাইলের বনি কিশোরী গ্রামের পলাশ চন্দ্র, আশা সরকার এবং তাদের সাথে থাকা ১১জন শিশু রয়েছে।

আটকদের মধ্যে একজন পূণিমা রাণী বলেন, আমরা খুবই গরীর। তাই কাজের সন্ধানে ভারতে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলাম। আমার স্বামী শ্রী রতন সরকার বিরামপুরের খেয়ার মাহমুদপুরের শুকুর আলী, সোহেল রানা ও সাহার আলীকে ১০ হাজার
টাকা দিয়েছে তারা ভারতে যাবার সব ব্যবস্থা করে দেবে বলে।

আরও পড়ুন: দেবর-ভাবির পরকীয়া, প্রেমের ছলে হাত-পা বেঁধে খুন

বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, বিজিবি নারী ও শিশুসহ ৩৬ জনকে বিরামপুর থানায় সোপর্দ করেছে।
মানবপাচারকারী আসামি সাহার আলী, সোহেল রানা ও শুকুর আলী সরকার এই তিনজনকে আটক করার জন্য সব রকমের চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে দিনে দুপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের এই ঘটনায় শাহিনুর আলীসহ আরও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। 

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই গৃহবধূ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছেন। 

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তার একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান আছে। গত এক বছর ধরে স্থানীয় শাহিনুর তাকে প্রেম নিবেদনের পাশাপাশি নানাভাবে বিরক্ত করত। স্বামী বিদেশ যাওয়ার এক মাস না পেরোতেই শাহিনুর অধিকতর উগ্র হয়ে পড়ে। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এই অবস্থায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে ধর্ষণের শিকার নারী পশ্চিম শেখদি হযরত খাজা সাহের রোডের বাসা থেকে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। তিনি ভাঙ্গা প্রেস এলাকার ইত্তেফাক হাউসের সামনে পৌঁছামাত্র শাহিনুরসহ ওত পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোর করে একটি সিএনজিতে তুলে। পরে শাহিনুরের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক আছে। ইতোমধ্যে অজ্ঞাত আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। শাহিনুরসহ অজ্ঞাত আসামিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

এক প্রসূতির গর্ভ থেকে শিশুর শরীর বের হলেও মাথা ভেতরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে। আয়া দিয়ে ডেলিভারির সময় এমন ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানটির আয়া মোমেনা খাতুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর হলেন বেনাপোলের গাজীপুরের বাসিন্দা আন্না।

গতকাল শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটে এই ঘটনা ঘটে।

শার্শা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আন্না খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা বের হয়েছিল। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর ছিলেন প্রসূতি। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা আবার বের হয়ে এলে সে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্যে। কোনো ডাক্তার বা নার্স আসেননি সহযোগিতা করতে। একপর্যায়ে হাসপাতালের আয়া মোমেনা খাতুন এগিয়ে আসেন এবং শিশুর পা ধরে টান দেন। এতে শিশুটির মাথা এবং ধড় আলাদা হয়ে যায়। মাথাটি রয়ে গেছে ভেতরে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও রাত দশটা নাগাদ কোনো চিকিৎসক আসেনি আমার স্ত্রীর কাছে।

তবে কর্তব্যরত নার্সরা বলেন, প্রসূতির গর্ভের সন্তানের বয়স হয়েছে মাত্র ২০ সপ্তাহ, ওজন মাত্র ৩৯৯ গ্রাম। সকালে আলট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে, শিশুটি পেটের মধ্যে মৃত অবস্থায় রয়েছে। আয়া কখন কীভাবে কী করেছে তা জানা নেই বলে দাবি নার্সদের। 

এদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও আরিফ আহমেদ ওই আয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কোতয়ালী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, এরকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

রংপুরের বদরগঞ্জে জামায়াতের এক নেতার বাড়ি থেকে তার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেয়েটির মায়ের দাবি শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চিৎকার শুনে তিনি ঘরে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় মেরিকে ছটফট করতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সে নিস্তেজ হয়ে যায়। মেরির মা নূরজাহান জানিয়েছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃগিরোগে ভুগছিল। রোগ সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে।

রংপুরের বদরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটে।

রংপুরের বদরগঞ্জে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বুজরুক হাজিপুর গাছুয়াপাড়ায় মাহবুবা আক্তার মেরির বাবা মেনহাজুল হক রামনাথপুর বি ইউ দাখিল মাদ্রাসার সুপারিটেনডেন্ট এবং জামায়াতে ইসলামীর রোকন।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। ঘটনাটি অনেক পরে জানতে পেরে পুলিশে খবর দেওয়া হয় বলে সাংবাদিকদের জানান প্রতিবেশীরা। বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ছাড়াও সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলামত হিসেবে ওই ঘর থেকে রক্তাক্ত একটি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেরি আত্মহত্যা করেছেন না কি তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক পোচের দাগ থাকা, পরিবারের পক্ষ থেকে যথাসময়ে থানায় খবর না দেওয়াসহ পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে মেনে নিতে পারছে না পুলিশ। 

বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক হাবিবুর রহমান এটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেছেন, সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। মৃত্যুরহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেরি স্থানীয় ওয়ারেসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এক সময় পড়ালেখা করলেও অসুখের কারণে তা চালিয়ে যেতে পারেনি। ওই পরিবারটির সঙ্গে প্রতিবেশীদের তেমন কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মেরি শান্ত স্বভাবের ছিল বলে জানিয়েছেন আশপাশের লোকজন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ চোরাচালান

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

অনলাইন ডেস্ক

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি শ্রমিক আবুল হাসেম ও আলমগীর। কিন্তু তাদের এই পরিচয়ের আড়ালে তাদের আরও একটি বড় পরিচয় হলো তাদের স্বর্ণ চোরাকারবারি। পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) এই দুজনের হঠাৎ বিত্তশালী হয়ে ওঠার গল্প যেন কল্পকাহিনিকেও হার মানিয়েছে। অঢেল বিত্তবৈভবের নিচে এক সময় চাপা পড়ে তাদের আসল পরিচয়। দুজনেই সিঙ্গাপুরে এক সময় সুইপারের কাজ করতেন। কিন্তু স্বর্ণ চোরাচালানের সুবাদে তাদের ভাগ্যের চাকা খুলতে বেশি সময় লাগেনি। তারা এখন হাজার কোটি টাকার মালিক।

দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সুকৌশলে ঢাকায় স্বর্ণের চালান পাচার করে আসছিলেন। কিন্তু গত বছর তাদের ৩২ কোটি টাকার একটি চালান ধরা পড়লে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

কাস্টমসের নথি খুঁজে দেখা যায় ইতোমধ্যে পাচার হয়েছে আরও ২শ চালান। স্বর্ণ আনতে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয় প্রায় হাজার কোটি টাকা। আরও কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় সরকার।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


কাচ এবং টাইলসের স্যাম্পলের কার্টনে পাঠানো হয় স্বর্ণের বার। কিন্তু একই স্যাম্পল বারবার এলেও রহস্যজনক কারণে কাস্টমস কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। 

চোরাচালানের টাকায় হাসেম এবং আলমগীর দেশে-বিদেশে ব্যবসা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমিসহ অঢেল সম্পদ কিনেছেন। আছে সুপার শপ, টিকেটিং ও আদম ব্যবসা। এমনকি বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তারা সিঙ্গাপুরে নাগরিকত্ব পেতেও সক্ষম হয়েছেন।

বিমানবন্দর থানার ওসি বিএম ফরমান আলী বলেন, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণের চালান অহরহ ধরা পড়লেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেপথ্যের কারিগরদের গ্রেফতার করা যায় না। তবে এ মামলাটির ক্ষেত্রে জড়িত গডফাদারসহ পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। 

এ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে চক্রের মোট ৯ সদস্যকে চিহ্নিত করে পুলিশ। এরা হলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী আবুল হাসেম, আলমগীর হোসেন ওরফে আজিজুল, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলামিন ও জালাল আহম্মেদ, বিমানবন্দরের কার্গো লোডার জলিল মিয়া ওরফে জালাল, স্থপতি কাওসার আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পী, জুয়েল রানা ওরফে সদর, আব্দুল লতিফ এবং ফরহাদুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন সুমন। এদের একেকজন চোরাচালানের কাজে একেক ধরনের দায়িত্ব পালন করে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাাহ, গাজীপুর

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে আবু জাফর ওরফে আকাশ নামের একব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা করেছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সাথে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান জিএমপি’র উপ- কমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান।

তিনি জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সিটি করপোরেশনের সারদাগঞ্জ এলাকায় রুবেল হোসেন নামের ওই অটোরিক্সা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ। 

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, ভিকটিম রুবেল হোসেন প্রতিবেশী এক নারীকে প্রায় উত্যক্ত করতেন। এনিয়ে ওই নারীর স্বামী আবু জাফর ওরফে আকাশের সঙ্গে তার শত্রুতা তৈরি হয়। এরই জের ধরে আবু জাফর ওরফে আকাশ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার সহযোগীদের নিয়ে রুবেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নেয়।


দুই পৌরসভায় নির্বাচন কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রাকচালক গুলিবিদ্ধ

পিতার স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরল ছেলে, বাবার মৃত্যু


পরে সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকায় পতিত জমির ওপর রুবেলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে অটোরিক্সাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ শুক্রবার রাতে কাশিমপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মূল পরিকল্পনাকারী আকাশকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে, ফরহাদ হোসেন, জহিরুল ইসলাম ও ইজিবাইকের ব্যাটারী ক্রেতা রাশেদ আহাম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আকাশের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহত রুবেল নওগাঁর রানীনগর থানার দেবরাগাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি করোনার কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় অটো রিক্সা চালাতেন বলে জানা গেছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর