বড়দিনের ছুটিতে কড়া লকডাউনে জার্মানি

অনলাইন ডেস্ক

বড়দিনের ছুটিতে কড়া লকডাউনে জার্মানি

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আরো কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি লিওপলডিনা। বড়দিনকে সামনে রেখে দেশটির স্যাক্সনি প্রদেশে আগামী সপ্তাহ থেকেই কড়াকড়ি শুরু হতে যাচ্ছে।

ডয়চে ভেলে জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জার্মানির বিধিনিষেধে আরো কড়াকড়ি হতে পারে বলে মঙ্গলবার জার্মান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান জানান।

পাবলিক ব্রডকাস্টার ফোনিক্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে করোনায় সফল হওয়ার জন্য সম্ভবত স্বল্প এবং ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

২ নভেম্বর থেকে জার্মানিতে আংশিকভাবে লকডাউন এবং সামাজিক দূরত্বও চালু রয়েছে, যা দেশব্যাপী সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রবণতা কমালেও  সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের হার না কমলে এ বিষয়ে নতুন করে আলোচনা করতে হবে বলে স্পান জানান।

আরও পড়ুন: 

ইরানের তেলখাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান রাশিয়ার

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়া আরো ২ বন্দি উদ্ধার

ইরানের তেলখাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান রাশিয়ার

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এমন সময় এ মন্তব্য করেন যখন দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন করোনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।

এর আগে চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল রাজনীতিকদের করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে মত ব্যক্ত করেন। মার্কেল তার সহকর্মীদের প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার কথা বলেন।

মঙ্গলবার জার্মানির প্রভাবশালী জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি, লিওপলডিনা করোনার বিস্তার কমাতে ২৪ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত কঠোর লকডাউনের দাবি জানায়। তাদের পরামর্শ বড়দিনের অন্তত দু'সপ্তাহ পরেও পুরো জার্মানিতেই কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা।

বড়দিনের ছুটিতে জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হারকে আবার নিয়ন্ত্রণে আনার এক মোক্ষম সুযোগ বলে ডয়চে ভেলেকে বলেন লিওপলডিনা ও বার্লিনের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটের মনোবিজ্ঞানী প্রফেসর রাল্ফ হ্যার্টভিগ।

এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১২ লাখ ৪২ হাজারের মতো মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ২০ হাজার ৭শ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একমাস পরে সুচিকে দেখা গেল

অনলাইন ডেস্ক

একমাস পরে সুচিকে দেখা গেল

একমাস পরে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে দেখতে পাওয়া গেল। তবে সটা সরাসির না। ভিডিও কনফারেন্সে। গত ১লা ফেব্রুয়ারি সনোবাহিনী সু চিসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আটক করে ক্ষমাতা দখল করে। তারপর থেকে সু চির আর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। গতকাল (সোমবার) আদালতে শুনানিতে হাজিরা দিতে তাকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, নেত্রীর শরীর ঠিক আছে। তার উপর অত্যাচারের কোনো বিষয় সু চি জানাননি। তবে এ দিন আদালতে তার বিরুদ্ধে আরো দুইটি নতুন অভিযোগ করা হয়েছে। কবে তিনি মুক্তি পেতে পারেন, সে বিষয়েও এখনো পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। 

১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই সুচি-র নেতৃত্বে গঠিত মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দেশের সেনা। বিনা রক্তপাতে তারা ক্ষমতা দখল করে। সু চি সহ একাধিক মন্ত্রী এবং শাসকদলের নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সেনা কিছু জানায়নি।


নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো

উচ্চ বেতনে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ


সোমবার জানা গেছে, সু চিকে নেপিদতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ সেনা শাসনকালে এই শহরটিকেই রাজধানী হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এখনো এই শহরে সেনার প্রভাব বেশি। গোটা শহরটিকে কার্যত ঘিরে রেখেছে সেনা।

আগে সু চি-র বিরুদ্ধে দুইটি বিষয়ে মামলা করা হয়েছিল। আইন ভেঙে ওয়াকিটকি বিদেশে আমদানি করেছেন তিনি। এবং দুই, করোনাকালে দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আইন ভেঙেছেন তিনি। সোমবার তার বিরুদ্ধে আরো দুইটি নতুন ধারায় মামলা করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি কার্যত দেশদ্রোহের সামিল। বলা হয়েছে, তিনি এমন লেখা প্রচার করেছেন, যা দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে চিন্তাজনক।

এদিকে রোববারের পর সোমবারেও মিয়ানমারে গোটা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গণতন্ত্রপন্থিরা। এদিনও সেনা আন্দোলনকারীদের দমন করতে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। বহু মানুষকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

রোববার সেনার গুলিতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারই জেরে সোমবার বিক্ষোভ আরো জোরদার হয়। এদিন কতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হওয়া লেখক মুশতাক আহমেদের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সাথে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতেরও আহবান জানানো হয়েছে।

সোমবার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পুনর্বিবেচনা চেয়ে বলেন, আইনটির পুংখানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ জরুরি। আইনটির অধীনে আটকদের দ্রুত মুক্তির দাবিও করেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক ওই দূত।

লেখক মুশতাককে গত বছর মে মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। বিনা বিচারে নয় মাস তিনি কারাবন্দি ছিলেন। বার বার তার জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কারাগারেই মারা যান মুশতাক। একই অভিযোগে এখন আটক রয়েছেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কিশোর। তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, অভিযোগের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কিশোরের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন:


ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো


এ সময় মানবাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারকেই মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অপর আটককৃতদের সঙ্গে অসদাচরণের যে অভিযোগ এসেছে তারও দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত। মুশতাকের মৃত্যুর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের হামলায় ৩৫ জন আহত এবং সাত জন আটকের খবরেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট।

মুশতাকের মৃত্যুতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ায় রুহুল আমিন নামে একজনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা করা হয় জাতিসংঘের বিবৃতিতে। ব্যাসেলেট বলেন, সরকারের সমালোচনার শাস্তি দিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুর্বলভাবে সংজ্ঞায়িত বিধানগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।

জরুরি ভিত্তিতে আইনটির প্রয়োগ স্থগিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর বিধানগুলো পর্যালোচনা করা দরকার। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপে তিনি এবং তার দপ্তর প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান জাতিসংঘ দূত।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

অনলাইন ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

ভারত-পাকিস্তানকে চির শত্রু বললে খুব বেশি ভুল হবে না মনে হয়। সেই জন্ম লগ্ন থেকেই দুই দেশের মধ্যে কোন না কোন ইস্যু নিয়ে বিরোধ লেগেই আছে। যুদ্ধও হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। প্রায়ই শোনা যায় দু’দেশের সীমান্তে গোলাবর্ষণের খবর।

এমন অবস্থায় দুই প্রতিবেশী দেশের উদ্দেশে শান্তির বার্তা দিলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি মালালা ইউসুফজাই।

রোববার জয়পুর সাহিত্য উৎসবে ভার্চুয়ালি যোগ দেন নোবেলজয়ী মালালা একথা বলেন। ওই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে মালালা আরও বলেন, “আপনি ভারতীয়, আমি পাকিস্তানি। এবং আমরা আমাদের মতো ভাল আছি। তাহলে এত বিদ্বেষ কেন? সীমান্ত, বিভাজন এবং বিভাজনের মাধ্যমে আলাদা করে জয় করা- এসব পুরনো দর্শন এখন আর কাজ করে না। মানুষ হিসেবে আমরা সবাই শান্তিতে থাকতে চাই।

ভারত-পাকিস্তানের আসল শত্রুতো হল - দারিদ্র, বৈষম্য ও অসাম্য। নিজেদের মধ্যে লড়াই না করে দুই দেশের উচিত এই শত্রুগুলির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে নামা। আমি চাই ভারত ও পাকিস্তানকে প্রকৃত বন্ধু হিসেবে দেখতে।”

আরও পড়ুন:


নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো

উচ্চ বেতনে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ


এই অনুষ্ঠানে, সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়েও সরব হন মালালা। ইসলামাবাদকে অস্বস্তিতে ফেলে তাঁর বক্তব্য, “পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ ও খ্রিস্টান সংখ্যালঘুরা বিপন্ন। একইভাবে ভারতে মুসলিম ও দলিতরা ভারতে সুরক্ষিত নন।”

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সমাজকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে গুলি করেছিল এক সন্ত্রাসবাদী। সেই ঘটনায় শিউরে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। তখন মালালা ছিলেন স্কুলছাত্রী। তারপর থেকে জল অনেকটাই গড়িয়েছে। নারীদের শিক্ষার অধিকার থেকে শুরু করে বৈষম্য ও সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ওপর আসছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ার ওপর আসছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমালোচক অ্যালেক্সেই নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

বাইডেন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কি কি থাকবে এবং এর সঠিক সময় নির্ধারণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বয় করবে যুক্তরাষ্ট্র।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


এক কর্মকর্তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন গণতন্ত্রের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়ে আসছে রাশিয়া। এছাড়া সম্প্রতি রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতার ওপর বিষ প্রয়োগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে নিষেধাজ্ঞাকেই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার ওপর এটাই হয়তো বাইডেন প্রশাসনের প্রথম নিষেধাজ্ঞা হবে। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই চোখে পড়েছে। কিন্তু বাইডেন হয়তো তার পূর্বসূরীর চেয়ে ভিন্ন পথেই হাঁটছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যুবরাজের বিশেষ বাহিনী বিলুপ্ত করতে সৌদির উপর মার্কিন চাপ

অনলাইন ডেস্ক

যুবরাজের বিশেষ বাহিনী বিলুপ্ত করতে সৌদির উপর মার্কিন চাপ

সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যায় দেশটির যুবরাজ জড়িত বলে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে আসায় প্রচণ্ড চাপে আছে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এখন সুর পাল্টাতে শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসনও। এত দিন সৌদি যুবরাজকে রক্ষা করে এলেও এখন ভিন্ন সুরে কথা বলছে জো বাইডেনের প্রশাসন।

সোমবার এক বিবৃতিতে সৌদি যুবরাজের বিশেষ বাহিনী বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইজ।

যুবরাজের সুরক্ষায় কাজ করে অভিজাত বাহিনী র‌্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্স। তাদের জবাবদিহিও একমাত্র যুবরাজের কাছে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ও সৌদির নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করতে ইস্তাম্বুল কনস্যুলেটে পাঠানো ঘাতক টিমের ১৫ সদস্যের মধ্যে সৌদি যুবরাজের বিশেষ বাহিনীর সাতজন ছিলেন।

মানুষ খুনে অভিযুক্ত কোনের বাহিনীকে রাষ্ট্রীয় কাজে নিয়োজিত করা আইনসিদ্ধ নয় বলে জানায় মার্কিন প্রশাসন।এ কারণে সৌদি আরবকে এই বাহিনী বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর