ঢাকায় চলবে ৬ রংয়ের বাস, নিয়ন্ত্রণ করবে ২২ কোম্পানি

আশিকুর রহমান শ্রাবণ

৯টি ক্লাস্টারে ভাগ হয়ে, ঢাকায় ৪২ রুটে বাস চলবে। নিয়ন্ত্রণ করবে ২২টি কোম্পানি। আগামী বছরের এপ্রিল থেকে, একটি রুটে শুরু হচ্ছে পরীক্ষামূলক বাস চলাচল। 

ঢাকার দুই মেয়রই বলছেন, এতে নিয়ন্ত্রিত হবে গণপরিবহনের নৈরাজ্য। বিশ্লেষকরা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, পরিকল্পনা ভালো কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, কঠোরভাবে। 

কোন রকম শৃঙ্খলা ছাড়াই রাজধানীতে যানবাহন চলছে। দিন দিন বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। যে কেউ ইচ্ছা করলেই নতুন নতুন বাস কোম্পানি করছেন। 

পরিসংখ্যান বলছে, যানজটের কারণে এখন বাসের গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ চার কিলোমিটার। আগামী চার বছর পর, বাসের গতি আর মানুষের হাঁটার গতি সমান হওয়ার আশঙ্কা করছে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার জরিপ।

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থার আমূল বদলে দিতে, দেরিতে হলেও, বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রক্রিয়ার, বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে সরকার। 

মঙ্গলবার দক্ষিণের নগরভবনে, কমিটি’র ১৪তম বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকাকে ৯টি ক্লাস্টারে ভাগ করে, ৪২টি রুটে বিন্যাস করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণে করবে ২২টি কোম্পানি। 


আরও পড়ুন: 

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসছে আজ

করোনা: জাপানের পাঠাগারে ইউভি মেশিন, স্বস্তিতে পাঠক

ইরানের তেলখাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান রাশিয়ার


রাজধানীর ভেতরে বাইরের বাস প্রবেশ করতে পারবে না, শহরের বাইরে হচ্ছে নতুন ১০টি টার্মিনাল। মূল প্রকল্পে যাওয়ার আগে, ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে, উত্তর সিটির ঘাটারচর থেকে, দক্ষিণের মতিঝিল পর্যন্ত, একটি রুটে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে, বাস চলাচল। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে, পরিবহন মালিকদের প্রস্তুতি কতটুক?

নগর পরিকল্পনাবিদ ও গণপরিবহন বিশ্লেষকরা, উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জের প্রতি দৃষ্টি দিতে পরামর্শ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে, ঢাকার গণপরিবহনগুলোর এই ভাঙাচোরা, রংচটা চেহারা বদলে যাবে। কারণ, ৪২ রুটে বিভক্ত ঢাকায় ৬টি রংয়ের বাস চলাচল করবে। হবে নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষাও।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পানির প্রবাহ বেড়েছে ঢাকা উত্তর সিটির ১৪টি খালে

তালুকদার বিপ্লব

পানির প্রবাহ বেড়েছে ঢাকা উত্তর সিটির ১৪টি খালে

খাল পরিস্কার করার তিনশ দিনের বিশেষ কার্যক্রমে ধীরে ধীরে পানি প্রবাহ পেতে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৪টি খাল। কিন্তু অভিযোগ আছে চলমান কাজের মধ্যেও খালের ফেলা হচ্ছে বাসা-বাড়ি আর কল-কারখানার ময়লা-আবর্জনা। এদিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৬১ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে বলে জানায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

আগামী বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিকে দূর করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৪টি খাল পরিষ্কারের তিনশ দিনের বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর  সিটি কর্পোরেশন।

মঙ্গলবার এসব খালের সার্বিক অবস্থা ঘুরে দেখা যায়, খালে পরিষ্কার অভিযান শুরুর পর পরিস্থিতি বদলে পানির প্রবাহ বেড়েছে।এছাড়া খাল থেকে ভেসে আসা উৎকট গন্ধও অনেকটা কমেছে। 

কিন্তু খাল পরিস্কার অভিযানের মধ্যেও খালে ফেলা হচ্ছে বাসা বাড়িসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনা।

এর ফলে খাল পরিস্কার করার প্রকল্প ব্যায় বেড়ে যাওয়া আশংঙ্কা করছেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সংস্থাটির বর্জ্য-ব্যবস্তাপনা বিভাগ বলছে, ১০ মাসে খাল পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমে পরিচ্ছন্ন-কর্মী ও বর্জ্য-অপসারণে পরিবহন খরচ বাবদ ব্যায় ধরা হয়েছে তিন কোটি বেয়াল্লিশ লাখ উনষাট হাজার টাকা।

আরও পড়ুন:


বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান বলছেন, কর্মীদের বেতন ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদির খরচ আছে। এছাড়াও এর সাথে যুক্ত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ পরিবহন ব্যায়।

কিন্তু গত পৌনে দুই মাসে ৮ হাজার পাঁচশ ৩৬ টন বর্জ্য-অপসারণে ব্যায় হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। প্রকল্প ব্যায় বাবদ আর ৬১ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় থেকে। আশংঙ্কা করা হচ্ছে এর ফলে প্রকল্প ব্যায় বাড়বে কয়েক গুণ।

কমডোর এম সাইদুর রহমান আরও জানান, এ পর্যন্ত আনুমানিক এক থেকে দেড় কোটি টাকা এই প্রকল্পে ব্যায় হয়েছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে আরও ৬১ কোটি টাকা মন্ত্রণালয়ের কাছে চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন বলছে, নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে এসব খাল পাড় বাঁধাই করে গাছের সারি, ওয়াক ওয়ে, সাইকেল লৈন তৈরি করে নান্দনিক রূপে সাজিয়ে তোলা হবে। সহযোগিতা পেলে খুব শিগগ্রহই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

নাঈম আল জিকো

বেশিরভাগ সুপারশপেই নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা

বড় বড় সুপার শপ খুললেও নেই পার্কিংয়ের কোন ব্যবস্থা। তাই বাজার করতে আসা ক্রেতারা নিজ নিজ গাড়ি পার্কিং করছেন রাস্তার ওপরেই। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

পুলিশ বলছে, পার্কিংয়ের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট নিরশনে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবে নিজেস্ব পার্কিং ব্যবস্থা না রাখলে, অভিযান পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বিশ্বের সব সুপার শপে পার্কিং ব্যবস্থাপনা থাকলেও দেশে তার কোন বালাই নেই। রাজধানীর স্বনামধন্য সুপার শপগুলোর সামনের পার্কিং না থাকায় নিষেধাজ্ঞা সত্তেও নিরুপায় হয়ে যত্রতত্র মোটর সাইকেল কিংবা গাড়ি পাকিং করছেন ক্রেতারা। 

পার্কিং বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, সুপার শপ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অকপটে স্বিকার করেন। অজুহাত পুরোনো ভবন হওয়ায় এতে পার্কিং সুবিধা নেই। 

ট্রাফিক আইন ভঙ্গ ও অনিয়ন সম্পর্কে পুলিশ বলছে, অভিযান চালিয়েও সুপারশপ ব্যবসায়ীদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারছেন না তারা। এরজন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কঠোর হস্তক্ষেপ।

আরও পড়ুন:


এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ


ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুনিবুর রহমান জানান, বহুতল ভবনগুলোর পার্কিং ব্যবস্থা না থাকলে এই সব ভবন তৈরিতে যে প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দিচ্ছে তাদের উপর দায়িত্ব পড়ে এগুলো মনিটর করার।

তবে প্রতিটি সুপার শপ ও শপিংমলে পাকিং ব্যবস্থা নিশ্চিতে মাঠে নামতে যাচ্ছে সরকার। নিজস্ব পার্কিং না থাকলে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হবে বলে জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমাদের এই শহরটি পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠে নাই। তাই পরিকল্পিত ব্যবস্থার মধ্যে আনতে একটু সময়ের দরকার। তবে আমরা এসব নিয়ে কাজ করছি।

পার্কিং ব্যবস্থা ছাড়া নতুন করে আর কোন বাণিজ্যিক কিংবা আবাসিক ভবন নির্মানের অনুমোতিও দেয়া হবেনা বলে জানান, স্থানিয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

মাহমুদুল হাসান

এক যুগেও শেষ হয়নি বিডিআর হত্যার দুই মামলার বিচার

পিলখানার নির্মম হত্যাকণ্ডের এক যুগ পূর্ণ হলেও এই ঘটনায় দুটি মামলার বিচারকাজ এখনো শেষ হয়নি। হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হলেও এখনো শুরু হয়নি আপিল শুনানি। অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, শুনানি শুরু হতে পারে এ বছরের ডিসেম্বরে।

আর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলাটি এখনো রয়েছে সাক্ষগ্রহণ পর্যায়ে। ফলে হত্যা মামলায় খালাস পাওয়ারাও মুক্তি পাচ্ছেন না এই মামলার কারণে। বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি নিহত সেনাসদস্যদের পরিবারের।

২০০৯ সালের আজকের দিনটি দেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায়। তৎকালীন বিডিআরের বার্ষিক দরবার শুরুর একটু পরই, মুহুর্মুহু গুলির শব্দ ভেসে আসে পিলখানার ভেতর থেকে। একদল বিপৎগামী সৈনিকের বিদ্রোহে প্রাণ হারান ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। দেশের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়ে জাতি আজও শোকাচ্ছন্ন।

সেই ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলাটির হাইকোর্টের রায় পাওয়া গেছে, রায়ে মৃত্যদণ্ড বহাল রয়েছে ১৩৯ জনের। নানা কারণে ঝুলে থাকা আপিল ও লীভ টু আপিলের শুনানি দ্রতই শুরু হবে, আশা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমীন উদ্দিনের।

তিনি বলছেন, তিনজন বিচারপতি রায় দিয়েছেন। বিভিন্ন কাগজপত্রসহ প্রায় ৫০ হাজার কাগজ জমা দিতে হয়েছে। আশা করছি এ বছরের শেষের দিকে শুনানি হতে পারে।

একই ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্যের মামলাটির এতবছর পরেও কেবল সাক্ষগ্রহণ চলছে। হত্যা মামলা থেকে ২২২ আসামি খালাস পেলেও মুক্তি মিলছে না বিস্ফারক দ্রব্য মামলার কারণে। ফলে হতাশা বাড়ছে দুইপক্ষেরই।

আসামি পক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলছেন, এই ঘটনার দুটি মামলা একটি হত্যা অপরটি বিস্ফোরক আইনে করা। হত্যা মামলাটি হাইকোর্টে রায় হয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। কিন্তু বিস্ফোরক মামলাটি এখনও নিম্ন আদালতে। এবং এই মামলায় এখন পর্যন্ত মাত্র ১৮০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


ফেনীতে ফুড কারখানায় ভয়াবহ আগুন

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ

যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ


সেদিনের ঘটনার শিকার পরিবারগুলো ভুলতে পারেন না দুঃসহ সেই স্মৃতিকে। নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবার দিনটি পালন করছে শোক ও শ্রদ্ধায়। নিহত পরিবারের পাশে রয়েছে সরকার।

নিহত সেনা শহীদ মেজর মোহম্মদ মমিনুল ইসলামের স্ত্রী সানজানা সোনিয়া বলছেন, ২৫ তারিখের এই ঘটনার পরে আমি খবর পাই। আমার স্বামীর চেহারাটাও আমাকে দেখানো হয়নি। তবে ওই সময় যদি না দেখতাম আমি কখনও বিশ্বাসই করতে পারতাম না এটাই আমার স্বামী।

শহীদ সুবেদার নুরুল ইসলামের মেয়ে নাসরিন আক্তার ইতি বলছেন, বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত এই স্মৃতি তাড়া করে বেড়াতো। বিভিন্ন সময় অনেক অনুষ্ঠানে যখন বাজি ফুটানো হয় তখন আমার কাছে মনে হয় সেদিনের সেই গুলির আওয়াজ।

বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন নিহত সেনাদের পরিবাররা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিউজ টোয়েন্টিফোরের সঙ্গে সাক্ষাৎকার: রাজনীতি নিয়ে নিজের ভাবনার কথা বললেন ইশরাক

মারুফা রহমান

রাজনীতির সুস্থ ধারা হারিয়ে যাওয়ায়, মেধাবীরা রাজনীতি বিমুখ। অথচ তারা এলেই চলমান রাজনীতির চেহারা বদলে যেতে পারে-এমনটাই মনে করেন, তরুণ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তার মতে, দেশের তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে ফেরাতে, শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রের মানসিকতার বদল।  

ইশরাক বিশ্বাস করেন, পদ-পদবী কাউকে নেতা বানায় না। একজন কর্মী নেতা হয়ে ওঠেন মানুষের ভালোবাসায়। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যত নিয়ে আরো কথা বলেছেন বিএনপির এই তরুণ নেতা। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নানা কর্মসূচিতে সরব ভূমিকা রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত মুখ বিএনপির তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। 

নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বেশ অকপটে বলেন দেশের চলমান রাজনীতি আর আগামীর রাজনীতি নিয়ে তার ভাবনার কথা। 

বিএনপির মত বড় দলে কাজ করতে গিয়ে, সিনিয়রদের সাথে সমন্বয় করে কতখানি জায়গা পাচ্ছেন বা কাজ করতে পারছেন তরুণ নেতা ইশরাক হোসেন?


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


বাবা গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকাকে কাছ থেকে রাজনীতিতে দেখে আসা ইশরাক জানান, এখন রাজনীতি থেকে মেধাবীরা, ভাল মানুষেরা হারিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করতে চান তিনি।

ইশরাক মনে করেন, রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন আনতে শুধুমাত্র সরকার বদল নয়, পরিবর্তন আনতে হবে রাষ্ট্রীয় মানসিকতায়, সংবিধানেও।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে সাথী ফসলের আবাদ

খোকন কর্মকার

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে সাথী ফসলে আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষক। হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের বিভিন্ন চরের সাথী ফসলের আবাদ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। 

এই পদ্ধতি প্রচার ও প্রশিক্ষণ দিয়ে পুরো জেলায় কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হলে ফসল উৎপাদন বহু গুণ বৃদ্ধি পাবে আশা কৃষি বিভাগের। 

চাঁদপুরের দুর্গম চরাঞ্চলে একই জমিতে একসাথে মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন  আবাদ করছেন চাষিরা। কেউ কেউ এরসাথে কালিজিরাও আবাদ করেছেন।

গেল বছরের বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রায় প্রতিজন কৃষক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জমিতে এমন সাথী ফসল চাষাবাদের কথা জানান। 


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


বিভিন্ন পরামর্শসহ সরকারির প্রণোদণার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। চলতি বছর চাঁদপুর জেলার দেড় থেকে দুই হাজার হেক্টর জমিতে সাথী ফসল আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর