অতিরিক্ত সুন্দরী তাই কাজ পাইনি: দিয়া মির্জা

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত সুন্দরী তাই কাজ পাইনি: দিয়া মির্জা

বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। মিস ইন্ডিয়া আর মিস এশিয়া-প্যাসিফিকের মুকুট মাথায় উঠেছিল ২০০০ সালে। এর পরের বছরই ‘র‌্যাহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ ছবি দিয়ে শুরু করেন বলিউডযাত্রা। প্রথম সিনেমায় সুপার হিটের তকমা পেয়েছিল।

শুনলে মনে হতেই পারে যেন কোনও রূপকথা। বিউটি পেজ্যান্ট জিতে খুব সাবলীলভাবেই সিনেমার জগতে ক্যারিয়ার তৈরি করেন তিনি। কিন্তু বাস্তবের ছবিটা কিছুটা অন্যরকম। সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ্যেই তা তুলে ধরলেন দিয়া মির্জা। বলেন, ‘আমার উত্তর শুনলে মনে হবে, আমি অকৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি যা বলছি তা-ই সত্যি। সিনেমা আর আমার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার রূপ।

“যে কোনও ধরনের প্রচলিত ধ্যান ধারণা ক্ষতিকর হতে পারে। আমার লুক অনেক সময়ই আমার পেশায় অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি চাকরি হারিয়েছি এবং একটি চরিত্রে আমাকে কাস্ট করা হয়নি, কারণ আমি দেখতে সুন্দর। এটা একটা অদ্ভুত ধরনের অসুবিধা।”

গায়ের রং শ্যামবর্ণ বলে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ না পাওয়ার কথা নতুন নয়। তবে দিয়ার ক্ষেত্রে উলট-পুরাণ। অভিনেত্রী জানালেন গায়ের রং ফর্সা বলে তিনি অনেক সময় অসুবিধায় পড়েছেন। তিনি যে ধরনের ছবিতে কাজ করতে চেয়েছেন, তাঁর গায়ের রঙের জন্য সেই ধরনের ছবি করতে পারেননি বলে মনে করেন দিয়া।

ইউনাইটেড নেশনসের (ইউএন) এই গুডউইল অ্যাম্বাসেডর আরও বলেন, ‘আমি যখন পেছনে ফিরে তাকাই, মনে হয় এসব হওয়ারই ছিল। ১৬ বছর বয়সে আমি মডেলিং শুরু করি। তারপর মিস ইন্ডিয়ার মুকুট আমার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিল। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই দৌড়াতে শুরু করলাম। এখনো নানা কাজ করছি।’

যদিও স্বীকার করেছেন, বিউটি পেজ্যান্ট জিতেই তিনি মানসিক এবং আর্থিক ভাবে আত্মনির্ভর হয়েছেন। পাশাপাশি এই খেতাব প্রচুর কাজের সুযোগ এনে দিয়েছে তাঁকে।


আরও পড়ুন: ২০ বছরের ছেলের বাবা-মা ইমরান হাশমি ও সানি লিওন!


২০০১ সালে ‘রহেনা হ্যায় তেরে দিল মে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। অভিনেত্রী হিসাবে ছাপ না ফেলতে পারলেও পরবর্তীকালে প্রযোজনা এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তিনি। তবে অভিনয়কে বিদায় জানাননি দিয়া। তিনি আশাবাদী। আগামী দিনে আরও ভাল কাজ করবেন বলে মনে করছেন তিনি।

‘লাগে রাহো মুন্না ভাই’, ‘হেই বেবি’, ‘সঞ্জু’ ছবিগুলোতে দিয়া মির্জাকে দেখা গিয়েছিল। শেষ দেখা দিয়েছিলেন ‘থাপ্পড়’ সিনেমায়। এরপর তাঁকে দেখা যাবে তেলেগু সিনেমা ‘ওয়াইল্ড ডগ’-এ। এখানে দিয়ার সঙ্গে থাকবেন দক্ষিণ ভারতীয় তারকা নাগার্জুনা। এ ছাড়া ইউএনের টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করছেন নারীবাদী ও পরিবেশবাদী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া দিয়া।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিত্রনায়ক শাহিন আলম মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চিত্রনায়ক শাহিন আলম মারা গেছেন

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা চিত্রনায়ক শাহিন আলম আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। সোমবার রাত ১০ টা ৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।  

এর আগে গত শুক্রবার (৫ মার্চ) রাতে জরুরি ভিত্তিকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। জানা যায়, পাঁচ বছর আগে থেকে শাহীন আলম কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে গত সাড়ে ৪ বছর ধরে তিনি ডায়ালাইসিস করে আসছেন। গত শুক্রবার রাতে খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েন শাহীন আলম। ওই হাসপাতালে ৬ মার্চ থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন চিত্রনায়ক শাহীন আলম।

শাহীন আলম ১৯৮৬ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগবস, বাবা ও বাঘের বাচ্চা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিউ ইয়র্কে প্রিয়াঙ্কার নতুন বিজনেস

অনলাইন ডেস্ক

নিউ ইয়র্কে প্রিয়াঙ্কার নতুন বিজনেস

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এখন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা। নিক জোনসের সাথে বিয়ে হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তিনি। নিজেদের সুখী দাম্পত্য জীবন প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন।

তবে সংসারের পাশাপাশি এই মুহূর্তে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস ব্যস্ত রয়েছেন লন্ডনে। ‘সিটাডেল’ শোয়ের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী। কয়েকদিন আগেই প্রিয়াঙ্কা শেষ করেছেন তাঁর আপকামিং ছবি ‘টেক্সট ফর ইউ’র শুটিং।

এবার নতুন রেস্তরাঁ খুলতে চলেছেন এই অভিনেত্রী। স্বপ্নের এই রেস্টুরেন্টের নাম দিয়েছেন ‘সোনা’।

নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে নিজের নতুন রেস্তোরার কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, “তিনি উচ্ছ্বসিত আপনাদের সঙ্গে সোনার পরিচয় করাতে পেরে। নিউইয়র্কে একটা নতুন রেস্তরাঁ যা ভারতীয় খাবারের প্রতি ভালবাসা তুলে ধরবে। সোনা হল এমন একটা রেস্তরাঁ যেখানে ছোটবেলা থেকে ভারতীয় খাবারের যে স্বাদ নিয়ে বড় হয়েছি, তা নিয়ে আসবে সকলের সামনে। আর এই অতুলনীয় স্বাদ তুলে ধরবেন শেফ হরি নায়েক। যিনি তার দেশের নানা প্রান্তের খাবারের স্বাদ তুলে ধরবেন এখানে। এই মাসের শেষেই পথ চলা শুরু করবে সোনা। সকলের অপেক্ষায় রইলেন।”


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


এরপরেই রেস্তোরাঁর কাজের সঙ্গে যুক্ত বাকি সদস্য মণীশ গয়াল, ডেভিড রবিন ও ডিজাইনার মেলিসা বোয়ার্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, এই দুইজন বন্ধু ছাড়া তাঁর স্বপ্ন পূরণ করা মোটেই সম্ভব হত না। এছাড়া ধন্যবাদ ডিজাইনার মেলিসা বোয়ার্স এবং গোটা টিমকেও।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সন্তানদের নিয়ে রাজনীতি করবেন না : শ্রীলেখা

অনলাইন ডেস্ক

সন্তানদের নিয়ে রাজনীতি করবেন না : শ্রীলেখা

টলিগঞ্জের লাস্যময়ী অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র ২০০৩ সালের ২০ নভেম্বর সিনেমাটোগ্রাফার শিলাদিত্য মৌলিককে বিয়ে করেছিলেন। তাদের ১০ বছরের সংসার জীবনের ছেদ পড়ে ২০১৩ সালে। এরপর থেকে এ অভিনেত্রী সিঙ্গেল আছেন। তবে একমাত্র মেয়ের মাধ্যমে মাঝেমধ্যে সাবেক স্বামীর সঙ্গে তার দেখা-সাক্ষাৎ হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে সাহসী মন্তব্যের কারণে হরহামেশাই খবরের শিরোনাম হন শ্রীলেখা। এবার নারী দিবসে ফের আলোচনায় শ্রীলেখার একটি লেখা।

শ্রীলেখা লিখেন, ‘নারী দিবসে এক মায়ের কথা লিখতে বসেছি। এই মা’টি আমি নিজেই। কিন্তু প্রথমেই বলে রাখা দরকার, আমি আমার মেয়েকে একা মানুষ করি না। বাবা-মায়ের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় বহু সন্তানকেই তার ফল ভুগতে হয়। তাই প্রথম থেকেই আমরা ঠিক করে নিয়েছিলাম, এমনটা যেন আমাদের মেয়ের ক্ষেত্রে না হয়।

আমার মেয়ে নিজের ইচ্ছেমতো আমার সঙ্গে থাকে, আবার ওর বাবার সঙ্গেও থাকে। শুধু তাই নয়, আমাদের ৩ জনের যখন একসঙ্গে কাটানোর কথা, সেই সময়গুলো আমরা সেখানে আর কাউকে রাখি না। এ ভাবেই এখনও আমার মেয়ের জীবনটা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি।

এ বার আসি আমার কথায়। নিজের কাজ, ব্যস্ততা, পেশাদার জীবন এর মাঝে কী করে মেয়ের দায়িত্ব মা হিসেবে আমি সামলালাম? প্রথমেই বলা দরকার, মেয়ে একটু বড় হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলাম। তখন শুধু ওকেই সময় দিতাম। ও বড় হওয়ার পরে কাজে ফিরেছি। কিন্তু তার মধ্যেও ওকে যতটা সময় দেওয়ার, সেটা দিই।


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


এর পাশাপাশি কতগুলো নিয়ম মেনে চলি। আমি মনে করি, একটি শিশুর কাছে তার বাবা আর মা— দু’জনেরই গুরুত্ব আছে। তাই কখনও ওর বাবার নামে ওর কাছে নিন্দা করি না। হয়তো মজা করে কখনও বললাম, ‘‘একদম তোর বাবার মতো হয়েছিস!’’ কিন্তু সেটাও ঠাট্টার ছলেই বলা। ও যখন নিজের বাবার কাছে থাকতে চায়, আমি ওকে বাধাও দিই না।

নারী দিবস দিনটা আমার কাছে মহিলাদের স্বনির্ভরতার প্রতীক। আমার মেয়েকে নিয়ে সুবিধা একটাই। ও ছোট থেকে খুবই স্বনির্ভর। ওকে নিয়ে আমায় খুব একটা ভাবতে হয়নি। নিজের মতো করে সব কিছু শিখে নিয়েছে। কিন্তু সব মেয়ে ওর মতো জীবন পায় না। ওর মতো স্বনির্ভরও সবাই হয় না।

নারী দিবসে তাই একটাই কথা বলব বাকিদের। স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা অনেক সময় হয় না। তাতে বিবাহ বিচ্ছেদ হতেই পারে। কিন্তু সন্তানদের নিয়ে কোনও রাজনীতি করবেন না। তাতে ওদের ভবিষ্যৎটাই নষ্ট হবে’।

অন্য তারকারা যেখানে নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় কিংবা বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে রাখঢাক করতে চান শ্রীলেখা সেক্ষেত্রে পুরোপুরি ব্যতিক্রম। জীবনসঙ্গী পছন্দের ক্ষেত্রে মানসিকতার পাশাপাশি বাহ্যিক রূপেও জোর দেন তিনি। এ ব্যাপারে আপস করতে পারেননি বলেই এত বছরে দ্বিতীয় কোনও পুরুষকে তার মনে ধরেনি। এখনও তার চোখে সাবেক স্বামীই সবচেয়ে ‘হ্যান্ডসাম’! 

বিচ্ছেদ হলেও গেল ২০ নভেম্বর বিয়ের ১৭তম বার্ষিকীর দিনে ১৭ বছর আগের নস্টালজিয়ার কথা এভাবেই বলেছিলেন এ লাস্যময়ী অভিনেত্রী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রতিদিনই নারী দিবস কোয়েলের

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিদিনই নারী দিবস কোয়েলের

বিয়ের পর থেকে সিনেমা করা বেশ খানিকটা কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রশংসনীয়। তবে বাকি টলিউড অভিনেত্রীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের লাইফস্টাইলে নিয়ে খোলসা হলেও কোয়েল সেভাবে খুব বেশি সক্রিয় নন সোশ্যাল লাইফে৷ ব্যক্তিগত জীবনকেও তিনি ‘ব্যক্তিগত’ রাখতেই বেশি পছন্দ করেন তিনি।

গত বছর ৫ই মে প্রথম মা হয়েছেন কোয়েল মল্লিক। কিন্তু মা হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে অভিনেত্রী কোভিড-১৯ -এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে এক সন্তানের মা হলেও তাকে দেখে এখন কিছুই বোঝার উপায় নেই।

কেননা নিজের পুরোনো ফিগার ফিরিয়ে আনতে শরীর চর্চা আর ডায়েট শুরু করে দিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক্সারসাইজ, দৌড়ঝাঁপ কোনোটিই বাদ দেননি তিনি। আর তার ফলস্বরূপ পুরোনো চেহারা ফিরে পেয়েছেন।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই দিন ভারতীয় সাজে ধরা দিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

একটি সাদা সাদা লেহেঙ্গা সাথে ম্যাচিং ওড়না। আর পুরো ড্রেসে হরেক রকম সুতোর কাজ করা। সাথে মাথায় খোপা আর সাথে ড্রেসের সাথে গোল্ডেন মানানসই গয়না আর কপালে ছোট্ট টিপ আর নিউড মেক আপ। এই ছবি দেখে কেউ বলবেনা অভিনেত্রী এক ছেলের মা।


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


নিজের লাস্যময়ী রুপে সবাইকে ঘায়েল করে ক্যাপশনে লিখলেন, “প্রতিদিনই নারী দিবস”। এরপর ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রীকে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে কারিনা

অনলাইন ডেস্ক

সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে কারিনা

অবশেষে সদ্যজাত সন্তানের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন কারিনা কাপুর। আর সন্তানের ছবে প্রকাশের জন্য আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই দিনটিকেই বেছে নিলেন তিনি।

সোমবার ইনস্টাগ্রামে সদ্যজাত সন্তানের সঙ্গে সাদা-কালো একটি ছবি পোস্ট করেছেন কারিনা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সন্তান মায়ের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এমন কোনো কাজ নেই যা একজন নারী করতে পারেন না’। সেই সাথে সবাইকে নারী দিবসের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন তিনি।


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


তবে ছবিতে সদ্যোজাতকে দেখা গেলেও তার মুখ আড়াল করা রয়েছে। তাই সাইফ-কারিনা দম্পতির পুত্রের মুখদর্শনের সাধ মিটিল না নেটিজেনদের। 

গত ২১ ফেব্রুয়ারি সাইফ আলী খান এবং কারিনার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই তাকে দেখতে মুখিয়ে ছিলেন ভক্তরা। এক ঝলক দেখার চেষ্টা বিফলে যায় পাপারাজ্জিদেরও। অবশেষে তার জন্মের ১৬ দিনের মাথায় ইচ্ছাপূরণ হল সবার। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর