‘সাঈদী ওয়াজে বলতেন মন্দিরে দান শেরকী, অথচ তিনি পুজামন্ডবে গেছেন’

অনলাইন ডেস্ক

‘সাঈদী ওয়াজে বলতেন মন্দিরে দান শেরকী, অথচ তিনি পুজামন্ডবে গেছেন’

দেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

হানিফ বলেন, এ দেশে বাস করতে হলে সংবিধান মেনে চলতে হবে। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এজন্য প্রতিটি মাদ্রাসায় বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ায় সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও নাশকতামূলক কার্যক্রম প্রতিহত করণের লক্ষ্যে মসজিদের ঈমাম ও ওলামাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে কুষ্টিয়া পৌর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন- কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আ. ক. ম. সরওয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ, কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত, কুষ্টিয়া পৌর মেয়র আনোয়ার আলী ও কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান।

মসজিদের ঈমামদের উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, ভাস্কর্য নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। আপনারা মসজিদে খুতবায় এ ব্যাপারে পরিস্কারভাবে বলবেন ইসলামে ভাস্কর্য সাংঘর্ষিক নয়, নিষিদ্ধও নয়। ভাস্কর্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলবে না।

তিনি বলেন, কুসংস্কার লালন করে ঘরমুখী রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করে যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, কোনো ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে সমাজের পরিবর্তন হয়েছে? আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইউটিউবে ৫০০ এর উপরে ওয়াজ মাহফিল শুনেছি। কমবেশি সব বক্তার বক্তব্য শুনেছি। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার ওয়াজে বলতেন, মন্দির গির্জায় দান করা শেরকী কাজ। অথচ এই সাঈদী ২০০১ সালে যখন এমপি। তখন তিনি নিজেও পুজামন্ডবে গেছেন এবং নিজের পকেট থেকে তৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা অনুদানও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এরা নিজের সুবিধামতন ওয়াজের বয়ানও পরিবর্তন করে ফেলে। তারিক মনোয়ার এক মাহফিলে বললেন, তিনি নাকি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়াম লীগও খেলেছে। ভণ্ডামির একটা সীমা থাকা উচিত। আরেক মাওলানা ইব্রাহিম; তার নাকি করোনা ভাইরাসের সাথে দেখা হয়েছে কথা হয়েছে। সে ওষুধের ফর্মুলাও দিলো। আমার প্রশ্ন হলো এসব মিথ্যাচার করে কোন নৈতিকতা শেখাচ্ছে এরা ? এদের কাছ থেকে সাধারণ মানুষ কি শিখবে? সৎ কাজ করলে আল্লাহ তায়ালা কি পুরস্কৃত করবেন সেটার ব্যাখ্যা তারা কিন্তু তাদের ওয়াজে করে না। আরেকজন আছে আমির হামজা। একের পর এক উদ্ভট ব্যাখ্যা নিয়ে জাতির সামনে হাজির হয়। আপনারা আসলে কোন ইসলাম কায়েম করছেন?

আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনারা যে ইসলামের কথা বলছেন সেটা মওদুদীপন্থী ইসলাম। আপনারা সৌদি আরব, মিশর, তুরস্ক, ইরান, ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে দেখেন, সব দেশে ভাস্কর্য আছে। ইরানে তো এমন কোনো শহর নেই যেখানে ভাস্কর্য নেই। ‘৪৭ এর ইসলাম কায়েমের চেষ্টা এখানে চলবে না। পাকিস্তানেও অসংখ্য ভাস্কর্য আছে।

তিনি বলেন, ইসলাম অন্তরের ধর্ম। হেফাজত ইসলাম এখানে রাজনীতি করছে ইসলাম রক্ষার নামে। ইসলামকে হেফাজতের জন্য কোনো হেফাজত ইসলামের দরকার নেই। সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং ইসলামের হেফাজত কর্তা।

হানিফ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কখনো কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নেননি। গোটা জাতিকে একত্রিত করে, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ‘৭১ এর ৭ই মার্চ তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। যে চারটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে তিনি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছিলেন তার অন্যতম ছিল ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে কিন্তু ধর্মহীনতা নয়। যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে। আমাদের নবী করীম (সা.) ও ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা তো এটা বলতে পারি না, আল্লাহ পাক শুধু আমাদেরই সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র কোরআনের আলোকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা এক এবং অদ্বিতীয়।

তিনি বলেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে এই গোষ্ঠী আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। ইসলামে কোনো ‌অনাচার অবিচারের জায়গা নেই। এরা রাজাকার আলবদর বাহিনী তৈরি করেছিলো ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে। নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়েছিলো। ফতোয়া দিয়েছিলো নারীরা গণিমতের মাল। এদেরকে ভোগ করা জায়েজ। এই গোষ্ঠী কখনোই স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা মানতে তাদের আপত্তি কিন্তু কায়েদে আজম মোহম্মদ আলী জিন্নাহ জাতির পিতা মানতে তাদের কোনো অসুবিধা হয়নি।

আলেমদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমার আলেম ভাইদেরকে বলছি, আপনাদেরকে ভুল বুঝিয়ে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখছে এই দৃর্বত্তরা। আপনারা চোখ-কান খোলা রাখুন। আসল আর নকলের পার্থক্য বুঝতে পারবেন। শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে কোন নৈরাজ্য, অশান্তি কায়েম করার চেষ্টা করবেন না। এদেরকে প্রতিহত করার এখনই সময়।

আরও পড়ুন: প্রতিটি মাদরাসায় জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে: হানিফ

রাজৈর পৌর নির্বাচন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী

‘আমরা স্বাধীন, সংবিধান অনুযায়ী দেশ চলে, ফতোয়ায় নয়’

মাহবুবউল আলম হানিফ প্রশ্ন করেন, মাদরাসার শিক্ষকরা এখন বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছে। তাদের নৈতিকতা কোথায়?

তিনি বলেন, পোষাকে নয় ইসলামকে ধারণ করতে হবে অন্তরে। পাকিস্তানপন্থী ইসলাম নয়; নবী করীম (সা.) এর ইসলাম কায়েম করতে হবে। ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। ধর্মের সঠিক চর্চা, সততা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। তবেই প্রকৃত ইসলাম কায়েম হবে।এই সমস্ত অপ্রাসঙ্গিক, অযৌক্তিক, কল্পকাহিনী নির্ভর ওয়াজ মাহফিলে ইসলামের কোনো লাভ হবে না। ইসলাম হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। ইসলামের জীবনবিধানগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে ইহকালের পথ সুন্দর হয় এবং সেই পথ ধরে পরকালেও বেহেশতের রাস্তা সুগম হয়।

আরও পড়ুন: ঈদের দিন কারাগারে যা খেলেন সাঈদী-বাবর

সাঈদীর জানাজায় লাখো মানুষ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

অনলাইন ডেস্ক

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

আওয়ামী লীগ এখন গাছের পাতায় পাতায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

তিনি বলেছেন, এটা খুবই বিপদজনক ব্যাপার। এটা যদি রাজনীতিবিদদের হাতে থাকত তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু এটা যদি প্রফেশন হয়ে যায় তাহলে খুব মারাত্মক ব্যাপার।

‘আমি মনে করি প্রফেশনাল হিসেবে যারা আছেন তাদের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে আপনার প্রফেশনে আপনি সাকসেসফুল কিনা সেটা লক্ষ্য রাখা। আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী সেটা দেখার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস দেখতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিনা।’

সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শামীম ওসমান বলেন, আমি এই কথাগুলো বললাম কারণ আমার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি। যদিও আমার মৃত্যু আজ থেকে বিশ বছর আগে ১৬ জুন হয়ে গেছে। আমার ডানে বায়ে যারা ছিল সবাই মারা গেছে। আমি যে সাক্ষী দিয়েছি সে সাক্ষীও বদলে দেওয়া হয়েছে এবং সেটা আমার সরকারের আমলেই। আমি কোর্টে তা ডিনাই করে এসেছি।

আরও পড়ুন:


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার। আমরা সবাই এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছি পরীক্ষা দিচ্ছি। আমাদের রেজাল্ট দেখবেন আমাদের সৃষ্টিকর্তা। আমি পুলিশ ভাইদের বলতে চাই মানুষ আপনাদের কাছে অনেক কিছু আশা করে। তা পূরণ করবেন কী করবেন না আপনাদের ইচ্ছা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জীবনে কোনো কৈশর ও যৌবন নেই। গতকাল ষাট বছরে পা দিয়েছি। জীবনটা খুব ছোট। জীবন একবারের জন্যই আসে দুইবার আসে না। তো আমি এই জীবনটাতে কী করলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুই ধরনের মানুষ আছে। একধরনের মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি করে। আরেক ধরনের মানুষ তাদের মাথার বুদ্ধি দিয়ে। যারা আবেগ দিয়ে করে তাদের জন্য রাজনীতিটা খুব কঠিন হয়ে যায়। আবেগ না থাকলে কোনো মুক্তিযোদ্ধা কী যেত যুদ্ধ করতে। বাঁশ দা-কুড়াল নিয়ে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিল তারা। আমি দেখেছি আমার বাবা যখন নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বল্লম দা নিয়ে তারা উদ্যত হয়েছিল। একজন বঙ্গবন্ধুর কারণেই এই বিষয়টা সম্ভব হয়েছে।

হাদীসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি অবৈধ কাজ করি আমার ছেলে-মেয়েও হাশরের ময়দানে আমাকে চিনবে না। সুতরাং আমি এমপি গাজী ভাই মন্ত্রী আমাদের এ সম্মান আল্লাহ দিয়েছেন। সব ধর্মই ভালো কথা বলে কোনো ধর্ম খারাপ কথা শেখায় না। ভুল করার পর র‍্যে সংশোধন করে তাকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন। এখানে অনেকে আছেন যাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধ না করলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে বাবা মা একসাথে যুদ্ধ করেছে আমার বড় ভাই নাসিম ওসমানের নেতৃত্বে।

‘আজকে দেশে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা আপনারা আমার চেয়ে কম জানেন না। এটা শুধু শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র না। এটা হচ্ছে রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। রাষ্ট্রের মূল কাঠামেগুলোকে দেশের বাইরে থেকে বসে প্রতিনিয়ত আঘাত করা হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রটাকে তালেবান রাষ্ট্র বানাতে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশে থাকবে। আপনারা ভালো কাজ করবেন আপনাদের প্রশংসা করবো খারাপ কাজ করবেন আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলব। এখানে কোনো ছাড় হবে না। কারণ আল্লাহর কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু কোনো নির্বাচনের যোগ্য নয় মন্তব্য করে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

গতকাল শনিবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস দেখিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থাতেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে, এই কমিশন কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের যোগ্য নয়।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


বিএনপির মতে, এই সরকার অনির্বাচিত একটি সরকার এবং সরকারের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান কাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে বলা হয়, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সব সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে বিভিন্ন কালাকানুন, বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একটি ভয়ংকর নির্যাতনমূলক আইনের মাধ্যমে জনগণের বাকস্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, সব সাংবিধানিক অধিকার, স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে চলেছে।

বিএনপির দাবি, এই আইনের আওতায় ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদকসহ অসংখ্য সাংবাদিক, লেখক, পেশাজীবীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বিনা বিচারে কারাগারে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করা হয় সভায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্বিচারে আটক এবং সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতে পুলিশ দিয়ে বাসমালিকদের ধর্মঘটে যেতে বাধ্য করা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মীদের পুলিশি তল্লাশি ও বাধা প্রদান করা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা। পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আজ সকালে বেলা ১১টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ভিতরে দাঁড়িয়ে ছিল এবং বাইরে অবস্থান করছিল পুলিশ সদস্যরা। এর কিছুক্ষণ পর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় আসে। এসময় পুলিশের সাথে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার সূচনা হয়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এসময় ছাত্রদলের কর্মীরা পুলিশকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশও তাদেরকে লাঠিচার্জ করে। এসময় ছাত্রদেলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জিয়াউর রহমানের অবদানকে অস্বীকার করা মানে স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা। দেশের স্বাধীনতায় অবদান রাখা জাতীয় নেতাদের অবদানকে অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। একইভাবে জিয়াউর রহমানের অবদানকেও স্বীকার করতে হবে।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে গুলশানে হোটেল লেকশোরে বিএনপির মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কারও দয়ায় নয়, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার জন্যই খেতাব পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তার খেতাব বাতিল করা হলে, জনগণ তা মেনে নেবে না।’

আরও পড়ুন:


সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রিটেইলার মিট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

অবরুদ্ধ খুলনায় নৌপথেও পারাপার বন্ধ, ভোগান্তি চরমে


ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাধীনতা কোনো গোষ্ঠী, দল বা ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পত্তি। ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব অস্বীকার করার কিছু নেই। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ঘোষণার গুরুত্বও স্বীকার করতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব অস্বীকার করার কিছু নেই। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ঘোষণার গুরুত্বও স্বীকার করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বিএনপির বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, কারো খেতাব বাতিল করার এখতিয়ার জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের নেই।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রক্ত দিয়ে অর্জিত এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলন্ঠিত করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। 

শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী তাঁর রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সম্মেলনে যুক্ত হন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার মূল্যবোধকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিলেন,মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বণি জয়বাংলাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। স্বাধীনতার পরবর্তীকালে তাঁর ভূমিকা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো। জিয়াউর রহমান নিজেই নিজেকে বিতর্কিত করেছে বলেও মত দেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, একজন সেক্টর কমান্ডারের এমন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি তোষণ ও পোষণ নীতিতে ইতিহাস নিজেই জিয়াউর রহমানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। ১৫ আগস্ট পৃথিবীর ইতিহাসের নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের প্রধান বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনিই খুনীদের পূনর্বাসন করেছিলেন, বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন এবং খুনিদের বিদেশে পালিয়ে যেতেও সহযোগিতা করছেন বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির জনক। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে বলেন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। বিতর্কিত ও বসন্তের কোকিলদের দলে আনা যাবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:


বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রিটেইলার মিট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

অবরুদ্ধ খুলনায় নৌপথেও পারাপার বন্ধ, ভোগান্তি চরমে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ ছাত্র ফেডারেশনের


আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য  ৫ম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করে ওবায়দুল কাদের বলেন অন্যান্য ধাপের মতো আগামীকালের নির্বাচনেও সরকার কোনরূপ হস্তক্ষেপ করবে না।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন তৃণমূলে জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে এগিয়ে নিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রার্থীতাসহ অন্যান্য বিষয়ে দলীয় নির্দেশনা বা গাইড লাইন ইতিমধ্যেই জেলায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান। 

প্রত্যেক ইউনিয়ন কমিটি সভা করে এক থেকে তিনজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে দলের ইউনিয়ন কমিটির রেজুলেশন বা লিখিত সুপারিশ উপজেলা ও জেলা কমিটির স্বাক্ষরসহ ধানমন্ডির দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন স্থানীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সুপারিশকৃত নামসমূহ যাচাই বাছাই ও বিভিন্ন জরিপ শেষে দলীয় সভাপতির নেতৃত্বে মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থীতা চূড়ান্ত করবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর