উপকার হয় ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এমন কিছু দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

উপকার হয় ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এমন কিছু দোয়া

দুনিয়ার বুকে মানুষের উপকার হয় ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়- এমন অনেক দোয়া পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। দোয়াগুলো খুবই ছোট তাই সহজে মুখস্থ করা যায়।

পাঠকদের জন্য সহজে আমলযোগ্য কয়েকটি ছোট ছোট দোয়া পেশ করা হল—

সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে হেফাজতের দোয়া:  হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রত্যেহ সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করলে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।

দোয়া : বিসমিল্লাহিল্লাজী লা ইয়াদুররু মায়াসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি, ওয়ালা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলীম।

অর্থ : আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। -তিরমিজি  ও আবু দাউদ

কোনো সম্প্রদায় থেকে ক্ষতির আশংকা হলে দোয়া : হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) যখন কোনো সম্প্রদায় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা করতেন তখন বলতেন—

দোয়া : আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফী নুহুরিহীম, ওয়া নাউজুবিকা মিন শুরুরিহীম।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমাকেই তাদের মুখোমুখি করছি এবং তাদের অনিষ্টতা থেকে তোমারই কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। -আবু দাউদ ও নাসাই

রোগী দেখার দোয়া : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো বিপদগ্রস্ত বা রোগী দেখে এই দোয়া পাঠ করে সে কখনও এমন বিপদ কিংবা ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় না।

দোয়া : আলহামদুলিল্লাহিল্লাজী আফিনী মিম্মাবতালাকা বিহী, ওয়া ফাদ্দিলনী আলা কাছিরীম-মিম্মান খালাকা তাফদিলা।

অর্থ : ‘সমস্ত প্রসংসা আল্লাহর জন্য যিনি তোমাকে যে ব্যাধিতে আক্রান্ত করেছেন তা থেকে আমাকে নিরাপদে রেখেছেন এবং তার বহু সংখ্যক সৃষ্টির ওপর আমাকে মর্যাদা দান করেছেন। ’ –তিরমিজি

বিপদ-মসিবতের সময় পাঠ করার দোয়া : হজরত উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, মানুষের ওপর কোনো বিপদ এলে সে যদি এই দোয়া পাঠ করে- আল্লাহতায়ালা তাকে তার বিপদের প্রতিদান দেন এবং সে যা কিছু হারিয়েছে তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করেন।

দোয়া : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসিবাতী ওয়া আখলিফ-লী খাইরাম মিনহা।

অর্থ : আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমাদেরকে তারই দিকে ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ! বিপদে আমাকে সওয়াব দান করুন এবং যা হারিয়েছি তার বদলে তার চেয়ে ভালো কিছু দান করুন। -সহিহ মুসলিম

বিপদের সময় পাঠ করার দোয়া: হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বিপদের সময় এই দোয়াটি পাঠ করতেন—

দোয়া : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালীমুল হাকীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি- ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম।

অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরম সহিষ্ণু ও মহাজ্ঞানী। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহান আরশের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি আকাশমন্ডলী, জমিন ও মহাসম্মানিত আরশের প্রভু। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম

ঋণ মুক্তির দোয়া : হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, এক চুক্তিবদ্ধ দাস তার কাছে এসে বলে, আমি আমার চুক্তির অর্থ পরিশোধে অপারগ হয়ে পড়েছি। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিখিয়ে দিব যা আমাকে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) শিখিয়েছিলেন। যদি তোমার ওপর পর্বত পরিমাণ দেনাও থাকে তবে আল্লাহতায়ালা তোমাকে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন। তিনি বলেন, তুমি পাঠ করবে—

দোয়া : আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলীকা আম্মান সিওয়াক।

অর্থ : হে আল্লাহ! তোমার হালাল দ্বারা আমাকে তোমার হারাম থেকে দূরে রাখ এবং তোমার দয়ায় তুমি ভিন্ন অপরের মুখাপেক্ষি হওয়া থেকে স্বনির্ভর কর। -তিরমিজি ও বায়হাকি

আরও পড়ুন:


যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!


news24bd.tv কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইফতারের আগে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

ইফতারের আগে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন

চলছে পবিত্র রমজান মাস। রহমতের ষষ্ঠ রমজান আজ। আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার জন্য ঈমানদাররা রোজা রাখছেন। রোজাদারের জন্য সাহরি খাওয়া ও ইফতার করা সুন্নাত। বিশেষ কিছু না পেলে সামান্য খাদ্য বা কেবল পানি পান করলেও ইফতারের সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে।

ইফতার খুরমা কিংবা খেজুর দ্বারা করা সুন্নাত। তা না পেলে পানি দ্বারা ইফতার করবে। ইফতার আয়োজনে অপচয় বা লোক দেখানো বিষয়গুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

ইফতারের পূর্বে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়তে হবে

يَا وَا سِعَ الْمَغْفِرَةِ اِغْفِرْلِىْ

উচ্চারণ: ইয়া ওয়াসিয়াল মাগফিরাতি, ইগফিরলী।

অর্থ: হে মহান ক্ষমা দানকারী! আমাকে ক্ষমা করুন। (শু‘আবুল ঈমান: ৩/৪০৭)

بِسْمِ اللهِ وَعَلى بَرَكَةِ اللهِ

বিসমিল্লাহি ওয়া ‘আলা বারাকাতিল্লাহ বলে ইফতার শুরু করবে এবং ইফতারের পর নিম্নের দুটি দোয়া পড়বেঃ

১. اَللّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلي رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়ালা রিযকিকা আফতারতু।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্য রোজা রেখেছি, এবং তোমারই দেয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করলাম। (আবূ দাঊদ: ১/৩২২)


এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন


২. ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْـتَلَّتِ العُرُوْقُ وَثَبَتَ الاَ جْرُ اِنْ شَاءَ الله تَعَا لى

উচ্চারণ: যাহাবাযযমা ওয়াবতাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহু তায়ালা।

অর্থ: পিপাসা দূরিভূত হয়েছে, ধমনীসমূহ সতেজ হয়েছে, এবং ইনশাআল্লাহ রোজার সওয়াব নিশ্চিত হয়েছে। (আবূ দাঊদ: ১/৩২১)

news24bd.tv নাজিম 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

মুসলমানদের যে প্রাথমিক সাতটি বিষয় বিশ্বাস করতে হয়, তার অন্যতম হলো আসমানি কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। কিতাব মানে বই বা গ্রন্থ। শত সহিফা ও চারটি কিতাবের মধ্যে কোরআন হলো সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি গ্রন্থ।

কোরআন অধ্যয়ন বা গবেষণা ও তিলাওয়াত দুটি স্বতন্ত্র ইবাদত এবং একটি অন্যটির পরিপূরক বা সহায়ক। পূর্ণ কোরআন একবার পড়াকে ইসলামি পরিভাষায় ‘খতম’ বলা হয়।

খোলাফায়ে রাশেদিন ও আশারায়ে মুবাশ্শারাসহ বিশিষ্ট সাহাবিরা প্রায়ই সাত দিবসে এক খতম কোরআন তিলাওয়াত করতেন, যে কারণে কোরআন শরিফে সপ্ত মঞ্জিল হয়েছে। এক মাসে বা ৩০ দিনে পড়ার জন্য ‘পারা’ বা ‘সিপারা’ ভাগ করা হয়েছে।


সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

নারী ফুটবল দলে করোনার হানা

নিখোঁজের ১১২ দিন পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল নারীর লাশ


যা হোক আল কোরআন শুধু আরবিতে পড়লেই হবে না, বাংলা অর্থসহ বুঝে পড়ে তা বাস্তব জীবনে আমল করতে হবে। তা হলে মিলবে ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তি।

পবিত্র মাহে রমজানে পাঠকদের জন্য আল কোরআনের বাংলা অনুবাদ জানার সুযোগ করে দিয়েছে নিউজ টোয়েন্টিফোর অনলাইন। আজ আমরা তুলে ধরব সুরা তাওবা ও সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ।

সুরা তাওবার বাংলা অনুবাদ

সুরা ইউনুসের বাংলা অনুবাদ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। 

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। এই নামাজগুলো জামাতে পড়ার প্রতি বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জামাতে নামাজ আদায় করার তাগিদ দিয়ে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৩)

মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের অশেষ সওয়াব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জামাতে নামাজ পড়ার ফজিলত একা পড়ার চেয়ে ২৭ গুণ ঊর্ধ্বে। (বুখারি ও মুসলিম) 

তিনি আরও বলেছেন, একজন লোক ঘরে নামাজ পড়লে একটি নেকি পান, তিনি ওয়াক্তিয়া মসজিদে পড়লে ২৫ গুণ, জুমা মসজিদে পড়লে ৫০০ গুণ, মসজিদে আকসায় পড়লে ৫০ হাজার গুণ, আমার মসজিদে অর্থাৎ মসজিদে নববীতে পড়লে ৫০ হাজার গুণ এবং মসজিদুল হারাম বা কাবার ঘরে পড়লে এক লাখ গুণ সওয়াব পাবেন। (ইবনে মাজা, মিশকাত)

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি।’ (সহিহ বুখারি)। 

আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত প্রথম তাকবিরের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে দুটি পুরস্কার দান করবেন। এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। দুই. মুনাফিকের তালিকা থেকে তার নাম কেটে দেবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১)


পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যে ৩ প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিলেন মাওলানা মামুনুল

একজন ডাক্তারের ব্যবহার নিয়ে রঙ্গ-রসিকতা নয়

মাওলানা মামুনুলকে আদালতে হাজির করা হবে আজ

সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ


অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দিই আর নামাজের আজান দেওয়ার জন্য হুকুম দিই। তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে লোকদের নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওই সব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিই।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.) সারা জীবন জামাতের সঙ্গেই নামাজ আদায় করেছেন। এমনকি ইন্তেকালপূর্ব অসুস্থতার সময়ও জামাত ছাড়েননি। সাহাবায়ে কেরামের পুরো জীবনও সেভাবে অতিবাহিত হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৪)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজা ভঙ্গের কারণগুলো

অনলাইন ডেস্ক

রোজা ভঙ্গের কারণগুলো

রমজান মাসে রোজা রাখা একটি ফরজ বিধান। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সবল মুমিনের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক। রোজা ভঙ্গের অনেক কারণ রয়েছে। আসুন সেগুলো জেনে নেই।

রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ:

১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২. স্ত্রী সহবাস করলে ।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।

৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে।


করোনায় মারা গেলেন একুশেপদপ্রাপ্ত অভিনেতা এসএম মহসিন

যে সিনেমা নায়ক ওয়াসিমকে সুপারস্টারের খ্যাতি এনে দেয়

বিলবাওকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা খরা ঘুচালো বার্সা

একের পর নক্ষত্রের পতনে শূন্য হয়ে যাচ্ছে চলচ্চিত্র মাধ্যমটি: শাকিব খান


১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।

১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।

আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

মাহে রমজানের মহাপূণ্যময় কদর রজনীতে আল্লাহপাক পবিত্র কোরআন নাজিল করেছেন। কোরআনের প্রতি আমাদের প্রথম কর্তব্য হচ্ছে বিশুদ্ধভাবে এর তেলাওয়াত করা। কোরআন হচ্ছে মুমিনের সংবিধান, জীবন পরিচালনার গাইডলাইন।

রমজান মাসে নাজিল করা হয়েছে আল-কোরআন যা মানুষের দিশারী এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী। (সূরা বাকারা, আয়াত নং ১৮৫)।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, নিশ্চয়ই আমি একে (কোরআন) অবতীর্ণ করেছি কদর রজনিতে। (সূরা কদর, আয়াত নং ১)।

কোরআনে মহান আল্লাহ মানব জাতির জীবনকে সৎ ও সুন্দরের পথে পরিচালিত করতে নানা উপদেশ দিয়েছেন।

পবিত্র মাহে রমজানে পাঠকদের জন্য আল কোরআনের বাংলা অনুবাদ জানার সুযোগ করে দিয়েছে নিউজ টোয়েন্টিফোর অনলাইন। আজ আমরা তুলে ধরব সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ।

সুরা আরাফের বাংলা অনুবাদ

সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর