যে কারণে শোকজ পেলেন শওকত-হাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

যে কারণে শোকজ পেলেন শওকত-হাফিজ

(ছবি-বাঁ দিক থেকে) শওকত মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন

দলের দুই ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি।

সোমবার রাতে এই নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, শওকত মাহমুদ দলের নাম ব্যবহার করে নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করে সংগঠনের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডের সুস্পষ্ট অভিযোগ পেয়েছে বিএনপি। আর বারবার সতর্ক করার পরও অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে অবজ্ঞা করে কথা বলেছেন বলে অভিযোগ দলটির।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেনো তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য শওকত মাহমুদকে ৭২ ঘন্টা এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে ৫ দিনের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত জবাব জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 


আরও পড়ুন:

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে শোকজ

এবার শোকজ পেলেন হাফিজউদ্দিন

শওকত মাহমুদ কর্মীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন: রিজভী

ইউটিউবসহ গুগলের বিভিন্ন সেবায় বিভ্রাট

‘সালমান শাহ’ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

'জীবনে অনেক ভুল করে দেউলিয়া হয়েছি'


রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত নোটিশ দুটি সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি। 

১/১১ এর সময়ে দলকে বিভক্ত করে মহাসচিব হওয়ার পরও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমা করে আবারো ভাইস চেয়ারম্যানের মত পদ দিয়েছেন হাফিজকে। 

এরপরও বিভিন্ন সময়ে দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দায়িত্ব দেয়া হলে তা করতে অপরাগতা প্রকাশ করা, কৃষক দলের মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হলেও তিনি তা করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অবজ্ঞা করে বক্তব্য প্রদান করেছেন বলে দাবি করেন রিজভী আহমেদ। 

এসকল অভিযোগের কারণেই মূলত তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন তিনি৷ আর এই নোটিশের বিষয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলেও জানান রিজভী। 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে হাফিজ উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি  জানান, এখনও এমন কোন চিঠি পাননি তিনি। এমন অভিযোগ সম্পর্কে আগে থেকে তিনি জানতেনও না বলে জানান হাফিজ। 

অন্যদিকে শওকত মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। 

অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে দলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের তিনি পানি সম্পদ মন্ত্রী ছিলেন।

শওকত মাহমুদকে ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়। এর আগে তিনি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

শওকত মাহমুদ বিএনপির সমর্থিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিএনপি সমর্থিত সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদেরও ভারপ্রাপ্ত আহবায়কও তিনি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অন্য ইসলামী দলের রাজনীতি করার অধিকার থাকলে জামায়াতেরও আছে: জাফরুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

অন্য ইসলামী দলের রাজনীতি করার অধিকার থাকলে জামায়াতেরও আছে: জাফরুল্লাহ

রাজধানীর পল্টনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামের পূর্বপুরুষরা অপরাধ করে থাকলেও বর্তমান তরুণরা কোনো অপরাধ করেনি। অন্য ইসলামিক দলের রাজনীতি করার অধিকার থাকলে জামায়াতে ইসলামেরও আছে।

রোববার সন্ধ্যায় ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘কথা বলতে না দেওয়া, গণতন্ত্র নিয়ে সমালোচনা করতে না দেওয়া ৭ মার্চের চেতনা নষ্ট করেছে।’


দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক সংকেত জারি

সন্ত্রাসীদের গুলিতে মাথার খুলি উড়ে গেল ইউপি সদস্যের

নারীকে ধর্ষণের পর ইয়াবা দিয়ে ধরিরে দেয় ছাত্রলীগ নেতা

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত

ডা. জাফরুল্লাহ ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, ঢাকার শাসন ইসলামাবাদের শাসনের চেয়ে খারাপ হয়ে গেছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম এবং বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি : আ.লীগের হুংকার, ক্ষমা চাইলেন মিনু

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি : আ.লীগের হুংকার, ক্ষমা চাইলেন মিনু

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবজ্ঞা ও তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার’ ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে ক্ষমা চাইতে বলেছিল আওয়ামী লীগ। এ জন্য তাকে ৭২ ঘণ্টার সময়ও বেধে দেয়া হয়। সেই সময় শনিবার সন্ধ্যায় শেষ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষমা না চাইলেও পরদিন তিনি দুঃখ প্রকাশ করলেন। যোগাযোগ করা হলে মিজানুর রহমান মিনু এই বিবৃতিটি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

রোববার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী নগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হক ডিকেন। এদিন দুপুরে তিনি এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন।

বিবৃতিতে মিনু উল্লেখ করেছেন, ‘আমার বক্তব্যের জন্য যারা ব্যথিত হয়েছেন, মর্মাহত হয়েছেন, আমি তাদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করছি।’

মিনু আরও বলেন, আমি এই মহানগরীতে জন্মগ্রহণ করে দীর্ঘদিন রাজশাহীবাসীকে নিয়ে রাজনৈতিক নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছি। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে পাশে পেয়েছি। সুতরাং কোন ব্যক্তি বিশেষ বা গোষ্ঠী বিশেষকে উদ্দেশ্য করে আক্রোশমূলক বক্তব্য প্রদান করা আমার স্বভাববহির্ভূত। তাই সকলকে আমার বক্তব্যে ষড়যন্ত্র না খোঁজার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


এর আগে গত মঙ্গলবার বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আজ রাত, কাল আর সকাল নাও হতে পারে। ৭৫ মনে নাই?’ সেই সমাবেশে মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে নগর আওয়ামী লীগ। পরদিনই বিক্ষোভ-সমাবেশ করে দলটি। সেই সমাবেশ থেকে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মিনুকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

লিটন ঘোষণা দেন, এই সময়ের মধ্যে মিনু ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। আর বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এক প্রতিবাদলিপিতে মিনুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। নগর ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে মিনুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ এবং আরেকটি ১৫ আগস্টের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। গত শুক্র ও শনিবার বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলেন। মিনু এত সাহস কোথায় পেলেন সেই প্রশ্নও তোলেন ওবায়দুল কাদের। অবশেষে মিজানুর রহমান মিনু গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন।

মিনুর দুঃখ প্রকাশ নিয়ে আওয়ামী লীগ কী ভাবছে জানতে চাইলে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার  বলেন, ‘সেটা আবার আলোচনার বিষয়। আমরা আবার একটু আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাব।’

এদিকে মিনুর বিবৃতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘এটা মিজানুর রহমান মিনুর একান্তই ব্যক্তিগত বক্তব্য। এ ব্যাপারে বিএনপি কী বলছে আমরা সেটা শুনতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘মিজানুর রহমান মিনু অতীতে জঙ্গিবাদে মদদ দিয়েছেন। সেটা প্রমাণিত। তাই অতীতের মতো এখনও তিনি জঙ্গিবাদ কিংবা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিনা সে ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওবায়দুল কাদের আজকে দিশেহারা: কাদের মির্জা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

ওবায়দুল কাদের আজকে দিশেহারা: কাদের মির্জা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের সাহেব আজকে দিশেহারা। 

আজকে কিছু ষড়যন্ত্রকারীর খপ্পরে পড়ে আজকে তার উস্কানিতে তাঁর মদদে আজকে এখানে তারা সমাবেশ করছে। অথচ আমাদের দল সমাবেশ বন্ধ করেছে। 


সালমান খানের তোয়ালে পরা ছবি ভাইরাল

দেব-মিমি-নুসরাত যে কারণে প্রার্থীদের তালিকায় নেই

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা

রণবীরের সঙ্গে ক্যাটরিনার খোলামেলা ছবি বিশ্বাস হয়নি সালমানের


রোববার (৭মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় বসুরহাট জিরো পয়েন্টের বঙ্গবন্ধু চত্তরে অগ্নিঝরা ৭মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার অপরাধ আমি কেন শেখ হাসিনার সাথে ডাইরেক্ট যোগাযোগ করি। এটাই হচ্ছে আমার অপরাধ। উনি বরদাস্ত করতেছে না। আমিতো নেত্রীর সাথে প্রথম থেকে যোগাযোগ করে নির্বাচনও করতেছি, সবকিছু করতেছি। আমি এটা থেকে সরতে পারব না। আমাদের শেষ ঠিকানা হচ্ছে নেত্রী। আজকে আমরা তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

একরামুল করিম চৌধুরী

‘নোয়াখালী আমি চালাই’ বলার একদিন পরই সুর পাল্টালেন নোয়াখালী-৪ আসনের (সদর ও সুবর্ণচর) সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী।

শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘গত ছয় দিন আমি ঢাকাতে ছিলাম। আমি নেত্রীকে কতগুলো ম্যাসেজ (বার্তা) পাঠিয়েছি, উনি ম্যাসেজগুলো দেখেছেন। ঢাকায় নেত্রীর সঙ্গে যিনি সব সময় থাকেন, তিনি আমার কাছে জানতে চান, নোয়াখালী চালায় কে? আমি বলি, নোয়াখালী চালাই আমি।’

বক্তব্যটি দেওয়ার একদিন পরই শনিবার (৬ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে আসেন তিনি। 

এসময় একরাম চৌধুরী বলেন, ‘নোয়াখালী আওয়ামী লীগ এক, অভিন্ন। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নাই। কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য আওয়ামী লীগ নয়। কোনো ব্যক্তিবিশেষ লাইভে কিছু বললেই ক্ষতি হবে, এটা সেই আওয়ামী লীগ না। নোয়াখালী আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালী আওয়ামী লীগ।’

প্রায় দুই মিনিটের লাইভে একরামুল করিম চৌধুরী৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বিকেলে সোনাপুর কলেজ মাঠে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিতে নেতা–কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। 


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


তিনি বলেন, ‘যারা মুজিব প্রেমিক, শেখ হাসিনার সৈনিক, আমি সকলকে অনুরোধ করব আপনারা যে যেখানে থাকেন; আপনারা যদি আপনাদের এমপিকে ভালোবাসেন, আগামীকাল বিকেল ৩টার প্রোগ্রামে যে যেখান থেকে পারেন ছুটে আসবেন। কারণ, নোয়াখালী আওয়ামী লীগ নিয়ে একটা চক্রান্ত চলছে। আমরা একটু বুঝিয়ে দিতে চাই, আমরা নোয়াখালী আওয়ামী লীগ এক, অভিন্ন।’

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ মির্জা ফখরুলের

মারুফা রহমান

ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ মির্জা ফখরুলের

সরকারের আড়ালে থেকে একটি ভয়ংকর শক্তি বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন করতে  ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভা থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে, এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার কোন ধরনের সমালোচনা সহ্য করতে পারে না, যারাই সরকারের খারাপ কাজের সমালোচনা করে তাদেরই হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া বিরোধী মত দমনে এই সরকার নির্যাতনের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে বলে দাবি করেন তিনি।


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


এদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ সমাবেশে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি নেতারা। এসময় নেতাকর্মীদের সাহস সঞ্চয় করে সরকারকে রুখে দেয়ার কথা বলেন তারা।

সমাবেশের মাঝে নিজেদের ভেতর কয়েকদফা গন্ডগোল করে, বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর