শেরপুরে হত্যা-ধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

শেরপুরে হত্যা-ধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

শেরপুরে চাঞ্চল্যকর তাজেল হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আরও একজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ের আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

আজ দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এসব রায় ঘোষণা করেন। 

হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- সদর উপজেলার চান্দেরনগর চক্কারপাড় গ্রামের মৃত আহসান শেখের ছেলে বাদশা মিয়া, তার ছেলে ফকির আলী ও আলিনাপাড়া গ্রামের মৃত মিরাজ আলীর ছেলে হাসমত আলী। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল (৩৩) নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাও ইউনিয়নের ধোপাকুড়া গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৭ অক্টোবর সদর উপজেলার চান্দেরনগর গ্রামের দিনমজুর তাজেল মিয়াকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে বাদশা মিয়া, ফকির ও হাসমতসহ কয়েকজন লোহার রড, লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন তাজেলের ভাই মো. জিয়ার বাদী হয়ে সদর থানায় ১১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১২ জুন ৭ জনকে আসামি করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সজীব খান। বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলার বাদী, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকসহ ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল (পিপি) এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুল।


আরও পড়ুন:

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইনাল না খেলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে সাকিব

'যুক্তরাষ্ট্র সাইবার হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হলেই রাশিয়ার ঘাড়ে দোষ চাপায়'

বোমা হামলায় কাবুলের ডেপুটি গভর্নর নিহত


এদিকে, ২০০৭ সালের ১৪ অক্টোবর ঈদের দিন নালিতাবাড়ী উপজেলার ধোপাকুড়া গ্রামে ব্র্যাক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) ফুসলিয়ে ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে একই গ্রামের বখাটে যুবক আশরাফুল। 

এ ঘটনায় ১৭ অক্টোবর নালিতাবাড়ী থানায় আশরাফুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই শিশুর পিতা। মামলার তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাদী, ভিকটিম, জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি আশরাফুল পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

অনলাইন ডেস্ক

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

রাজধানীর কলাবাগানে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের 'ও' লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারো পিছিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২ মার্চ) এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আ ফ ম আসাদুজ্জামান প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা প্রতিবদনের জন্য আগামী ২১ মার্চ নতুন করে ধার্য করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান এর আগে জানিয়েছিলেন, আসামি দিহানের ডিএনএ টেস্ট করা হয়েছে, তবে রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগকে ডিএনএ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে পর্যালোচনা করে দ্রুতই অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

আরও পড়ুন:


ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের

ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়


গত ৭ জানুয়ারি সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের 'ও' লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিন। এরপর আনুশকাকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান। ফাঁকা বাসায় শারীরিক সম্পর্কেরে একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা।

ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায়  গত ৭ জানুয়ারি রাতে ফারদিন ইফতেফার দিহানকে একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা।

গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দিহান। 

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চরক্লার্ক ইউনিয়নের চর উরিয়া গ্রামে ‘যৌতুকের টাকার জন্য’ স্ত্রীকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করেছে স্বামী।

অপরদিকে, গৃহবধূ রুনা বেগমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সোমবার বিকেল চারটার দিকে ঘাতক স্বামীকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সোমবার সকালের দিকে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে মারা যায়।

নিহত গৃহবধূ রুনা বেগম (২১), চরক্লাক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মো.জামাল উদ্দিনের মেয়ে।


প্রতিদিন নতুন নারী লাগত তার, পরতেন ত্রিশ দিনে ৩০ সানগ্লাস

১৭ বছরের কিশোরীর পেটে ৪৮ সেন্টিমিটার লম্বা চুলের দলা

ছোট ভাই মাকে বলল,‘আপুকে পেছনের রুমে নিয়ে গেছে এক ভাইয়া

স্ত্রীকে সৌদি পাঠিয়ে ৮ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে বাবা


নিহতের চাচা সিরাজ বেপারী অভিযোগ করেন , একই ইউনিয়নের রাসেলের সাথে দুই বছর আগে তার ভাতিজির পারিবারিক ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। ওই সময় যৌতুক হিসেবে স্বামীকে ১ লাখ ২০হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন সময় ব্যবসা করার অজুহাতে টাকার কথা বলে রাসেল তার স্ত্রীকে চাপ প্রয়োগ এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। এসব বিষয় নিয়ে সামাজিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হয়।

গত শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যৌতুকের টাকার জন্য ফের সে তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে এবং লাথির আঘাতে রুনার নাড়ি ছিঁড়ে ফেললে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহীম খলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত স্বামী পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাদক মামলা থেকেও ইরফান সেলিমকে অব্যহতি

অনলাইন ডেস্ক

মাদক মামলা থেকেও ইরফান সেলিমকে অব্যহতি

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে চকবাজার থানায় দায়েরকৃত মাদক মামলা থেকেও অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান এ আদেশ দেন।

গত ৪ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এরফান সেলিমের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন।


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


এর আগে রাজধানীর চকবাজার থানার অস্ত্র মামলায়ও ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি দেয় আদালত। ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাকে অব্যাহতি দেন।

উলেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে এরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে মারধর করে। 

ওই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। বর্তমানে আসামিরা কারাগারে রয়েছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে ইয়াবা মামলায় 
আসামির ১৫ বছর কারাদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ইয়াবা মামলায় এহেছান উল্যাহ্ প্রকাশ ওরফে আমান উল্যাহকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বিকালে জেলা জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন। এসময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত এহেছান উল্যাহ কক্সবাজার চকরিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আনোয়ারুল হক এর ছেলে। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে সড়কে অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এহেছান, তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া ও শ্যালিকা রাজিয়া বেগম প্রকাশ জারিয়াতুল মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


পরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত মোট ৯জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামী জান্নাতুল মাওয়া ও রাজিয়া বেগমমে খালাস দেয় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামী এহেছানকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। 

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

শাকিলা ইসলাম জুঁই, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলায় মেহেরুনন্নেছা নামে এক গৃহবধুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

আজ (২৮ফেব্রুয়ারি) রোববার সাতক্ষীরা বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষনা করেন।

মামলার একমাত্র আসামি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের নিহত জাকির হোসেন ওরফে ছোট বাবুর স্ত্রী মেহেরুনন্নেছাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের স্বশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে জামিনে থাকা আসামি মেহেরুনন্নেছা পালিয়ে যান।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মোল্যার মেয়ের সাথে একই উপজেলার  শরাফপুর গ্রামের জহির উদ্দিন সরদারের ছেলে জাকির হোসেন ওরছে ছোট বাবুর বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী মেহেরুনন্নেছার পরকিয়ার কারনে স্বামী জাকির হোসেনের সাথে বিরোধ চলচ্ছিল। হঠাৎ ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মেহেরুনন্নেছা তার স্বামী জাকির হোসেনকে কুড়াল দিয়ে স্বামীর বাড়ীতেই কুপিয়ে হত্যা করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় রক্তমাখা অবস্থায় গ্রামবাসী আটক কওে আশাশুনি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আজহারুল সরদার বাদী মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মনজিত কুমার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় ২২ জন স্বাক্ষীরা মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ কোটের পিপি অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর