মহিউদ্দিন চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনটা দারুণ বর্ণিল

শরিফুল হাসান

মহিউদ্দিন চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনটা দারুণ বর্ণিল

শরিফুল হাসান

চট্টগ্রামের প্রাণপুরুষ ছিলেন মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আমাদের যাদের শৈশব কৈশোর চট্টগ্রামে কেটেছে তাদের কাছে মহিউদ্দিন চৌধুরী একটা মহিরুহ।

বিএনপি তখন ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দলে। আমরা সেই সময় দেখেছি, ১৯৯৪ সালে প্রচণ্ড প্রতাপে তিনি মেয়র নির্বাচিত হলেন। এরপর চট্টগ্রামকে পরিনত করেন নান্দনিক এক শহরে। আমি তখন প্রাইমারি  স্কুল শেষে করে হাইস্কুলে। চট্টগ্রাম শহরটা ঘুরলে আমার কাছে ছবির শহর মনে হতো। কী পরিচ্ছন্ন এক শহর। 

মহিউদ্দিন চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনটা দারুণ বর্ণিল। ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে বক্স আলী চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রেল কর্মকর্তা হোসেন আহমদ চৌধুরী এবং মা বেদুরা বেগম। 

ছাত্র অবস্থাতেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৬৮ ও ১৯৬৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। একাত্তরে গঠন করেন ‘জয় বাংলা’ বাহিনী। সেই সময় গ্রেফতার হন পাকিস্তানি সেনাদের হাতে। কিন্তু শত নির্যাতনের মুখেও নতি স্বীকার করেননি। পরে পাগলের অভিনয় করে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান ভারতে। সেখানে উত্তর প্রদেশের তান্ডুয়া সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি স্কোয়াডের কমান্ডার নিযুক্ত হন মহিউদ্দিন। এরপর শ্রমিক রাজনীতিতে যুক্ত হন।  

বঙ্গবন্ধু ভীষণ ভালোবাসতেন মহিউদ্দিন চৌধুরীকে। যখুনি তিনি চট্টগ্রামে আসতেন ট্রেন থেকে নেমে প্রথমেই জিজ্ঞেস করতেন, ‘আমার মহিউদ্দিন কই?’ 


আরও পড়ুন:

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইনাল না খেলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে সাকিব

'যুক্তরাষ্ট্র সাইবার হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হলেই রাশিয়ার ঘাড়ে দোষ চাপায়'

বোমা হামলায় কাবুলের ডেপুটি গভর্নর নিহত


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাম‌রিক আই‌নে সাজা ভো‌গের পর তি‌নি ভার‌তে চ‌লে যান। প‌রিকল্পনা ক‌রেন সশস্ত্র প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার। ১৯৮১ সা‌লে শেখ হা‌সিনা দে‌শে ফির‌লে যি‌নি চট্টগ্রা‌মের দল‌ীয় কার্যালয়‌কে দখলমুক্ত ক‌রে শেখ হা‌সিনা‌কে অ‌ফিস বু‌ঝি‌য়ে দি‌য়ে‌ছি‌লেন। 


ম‌হিউ‌দ্দিন চৌধুরীর পুরো জীবনটাই তার বিপ্ল‌বের। ত‌বে সব‌চে‌য়ে বড় প‌রিচয় তি‌নি সারাজীবন মানবতাবাদী ছি‌লেন। মানুষ ছি‌লো তার ধ্যান জ্ঞান। বি‌শেষ ক‌রে চট্টলার মানুষ। 

২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আবার তিনি যখন মেয়র নির্বাচন করবেন তার আগে ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আমি তখন বিডিনউজে। সেই সময়ে বিডিনিউজের বার্তা সম্পাদক বর্তমানে সানের সম্পাদক এনাম ভাই সবার সাথে তাঁর কাছে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন। আমি তখন বললাম আমি চট্টগ্রামে বড় হয়েছি ভীষণ খুশি হলেন। চট্টগ্রামর মানুষকে তিনি শুধু তার ভোটার মনে করতেন না, মনে করতেন নিজের স্বজন বা সন্তান। 

আমার মনে আছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা বছর কয়েক আগে তাকে মন্ত্রী কর‌তে চে‌য়ে‌ছি‌লেন। কিন্তু তি‌নি ভা‌লোবাসার চট্টগ্রাম ছাড়‌তে রা‌জি হন‌নি। গত বছর নি‌জের জন্ম‌দি‌নে অসুস্থ অবস্থায় ব‌লে‌ছি‌লেন, টিল ডেথ, আই উইল ডু ফর দ্য পিপল অব চিটাগং, চট্টগ্রামের মানুষকে আমি ভালোবাসি। 

আসলেই তাই হয়েছে। আফসোস এমন একজন নেতা ২০০৯ সালের নির্বাচনে হারেন শুধুমাত্র দলীয় কোন্দলে। এরপর চট্টগ্রামের অবস্থা কী হয়, সেখানকার রাস্তাঘাটের কী দশা সবাই এখন জানেন। আমার মনে হয় ওই যে ক্ষমতা হারানো, দলীয় কোন্দল এসবই তাকে অসুস্থ করে তোলে। ২০১৭ সালের এই দিনে তিনি মারা যান। তবে কীর্তিমানরা আসলে কখনোই মরে না।

আমি নি‌শ্চিত চট্টগ্রাম যতোদিন থাকবে মহিউদ্দিন চোধুরীর নাম মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।  আপনি আজীবন হয়ে থাকবেন চট্টলবীর, চট্টলশার্দুল কিংবা চট্টলপিতা। চশমা‌হিল থে‌কে শুরু ক‌রে লাল‌দিঘী, চট্টগ্রা‌মের প্র‌তি‌টি ইঞ্চি আপনা‌কে মিস কর‌বে। কারণ আপনি ছিলেন জনতার মেয়র। আল্লাহ আপনাকে বেহেশতে নিক।

শরিফুল হাসান, উন্নয়ন কর্মী, (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সবসময় রবীন্দ্রনাথের কথা শুনতে নেই

জিয়াউল হক

সবসময় রবীন্দ্রনাথের কথা শুনতে নেই

জিয়াউল হক

করোনা বিভিন্ন সময়ে প্রতিনিয়ত আমাদের শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষা নিচ্ছে। শরীরে  ভিটামিন সি এবং ডি ঠিক আছে কিনা, জিঙ্ক আছে কিনা ইত্যাদি মাথায় রাখতে হয়। মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে আছে ভীতি এবং শংকা। সর্দি, কাশি হলেই ভয়, জ্বর হল তো কথাই নেই। 

একবার আমার সর্দি, কাশি হলে আমার স্ত্রী বললেন, তুমি কোত্থেকে করোনা বাধিয়ে এসেছ, আল্লাহ মালুম; গতকাল থেকে আমারো কাশি শুরু হয়েছে। দু দিন পর আমার কাশি ভাল হয়ে গেল; তার ও হল। কিছুদিন পর তাঁর কাশি শুরু হল ভয়ানক ভাবে। আমার ও শুরু হল। 

আমি আর ভয়ে বলতেই পারলাম না তোমার কাছ থেকে আমার কাশি শুরু হয়ে গেছে যদিও বা দুজনেরই ছিল নরমাল কাশি। যাই হোক,  শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার পাশাপাশি করোনা অত্যন্ত মহা গুরুতপুর্ন আরেকটা পরীক্ষা নিয়েছে, সেটা হল দাম্পত্য পরীক্ষা। 

প্রথম আলোর রিপোর্ট ও বলছে করোনার সময়ে বিচ্ছেদ বেড়ে গেছে। যাদের বিয়ের বয়স এক বছর বা তার কম তারা বেশ ভাল সময় কাটিয়েছেন। যারা ঠিকে গছেন, তাদের দাম্পত্য নিয়ে ভবিষ্যতে কোন সমস্যা হবার সম্ভাবনা কম। 

দুজনেই ইতিমধ্যে বুঝে গেছেন, তাদের ফাস্ট ইন কমান্ড কে আর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড কে। বেড়াল যা মরার ইতিমধ্যে মরেছে। যাদের বিয়ের বয়স এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে, তারাও মোটামুটি এই সময়ের মধ্যে লকডাউনে থেকে পারস্পরিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠেছেন। তারা বুঝেছেন ফাস্ট ইন কমান্ড যাই কিছু বলুক, নীরবে সয়ে যেতে হবে। 

যদি পুরুষ ফাস্ট ইন কমান্ড হয় (সম্ভাবনা ক্ষীন!) সেক্ষেত্রে অযৌক্তিক কিছু বললেও স্ত্রীকে মেনে নিতে হয়েছে কারণ বাপের বাড়ি যাওয়ার উপায় নেই; দরজা বন্ধ। আবার স্ত্রী যদি ফাস্ট ইন কমান্ড হয়, সে ক্ষেত্রে তিনি কিছু বললে পুরুষকে মেনে নিতে হয়েছে; রাগ দেখিয়ে বের হওয়ার উপায় নেই আর কষ্টেসৃষ্টে বের হলেও বাইরে হোটেল বন্ধ। 

যাদের বিয়ের বয়েস দশ বছরের বা বিশ বছরেরও বেশি তাদের পরীক্ষা ছিল সবচেয়ে কঠিন; যদিওবা কেউ কেউ বলেন, স্বামী-স্ত্রী বিশ বছর সংসার করলে তাদের সম্পর্ক টা অনেকটা ভাই বোনের মত হয়ে যায়। 

যাই হোক, তারা সত্যিকার অর্থে করোনার মধ্যে খুব কঠিন পরীক্ষা দিয়েছেন। নরমাল রুটিন হল, স্ত্রী মশারি টাঙ্গাবে বা স্বামী সারাদিন চাকরি করেন তাই স্ত্রী বাসায় রান্না করে। করোনার সময় দেখা গেল রুটিন পাল্টে গেল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বামী বেচারা মশারি টাঙ্গিয়েছেন অথবা বাসায় রান্না করেছেন। এর বাইরে আরও কাজ আছে, যেমন ঘর ঝাড়ু দেয়া, ঘর মোছা ইত্যাদি। অর্থাৎ বহু দিনের প্রতিষ্ঠিত নিয়ম ভেঙ্গে গেল। 

আবার স্ত্রী কে কাটতে হয়েছে চুল। আমার কাছে মনে হয় এটা ছিল, স্বামীর বা স্ত্রীর অনেকটা মানোন্নয়ন পরীক্ষার মতো বা প্রমোশনের ইন্টারভিউ এর মত। প্রশ্নকর্তার খুব বেশি আগ্রহ নেই প্রশ্ন করার প্রতি আর উত্তর দাতার ও আগ্রহ কম উত্তর দেয়ার দিকে। বিশ বছরের দম্পতি রবীন্দ্রনাথ এর কথা কে ফলো করেছেন। 

রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, “লোকে ভুলে যায়, দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই”। বিশ বছরের দম্পতি্র পক্ষে তো আর প্রতিদিন দাম্পত্য সৃষ্টি করা সম্ভব না; করলেও মহা সমস্যা হয়ে যাবে। একটা কৌতুক বলি। স্ত্রী স্বামীকে বলছে, 
“কাল থেকে তোমার অফিস খুলবে, তাই আমার খুব  মন খারাপ।“
স্বামী জিজ্ঞেস করল “কেন”? স্ত্রী বলল, “তোমার হাতের কাজ আমাদের বাসার বুয়ার চেয়ে বহুগুণ ভালো”।  

এসময় একটা জিনিসের দারুন চর্চা হয়েছে। সেটা হলো রান্না। যারা পারেন তারা তো করেছেন। যারা পারেন না, তারা  তাদের বেস্ট দিয়ে চেষ্টা করেছেন। রমজানের ইফতারির মধ্যে জিলাপি খুব প্রিয় একটা আইটেম। রমজানের মধ্যে ইফতারির জন্য জিলাপির বানানোর দারুন চর্চা হয়েছে। নতুন নতুন জিলাপি উদ্ভাবিত হয়েছে। 

আমরা  জানি, জিলাপি আড়াই প্যাঁচ দিয়ে হয়। কেউ কেউ আবার সাড়ে তিন প্যাঁচ দিয়ে  জিলাপি বানিয়েছে। তারা হয়তো ভেবেছে, প্যাঁচ তো লাগানোর জিনিস, আস্তে আস্তে লাগাতে হয় তাই একটু বেশি করে দিলেই ভালো। এরমধ্যে আবার এসেছে পুরুষ জিলাপি। পুরুষ জিলাপি বুঝলেন না তো? পুরুষ জিলাপি হলো একদম সোজা, কোন প্যাঁচ থাকবে না। 

এখানেও একটা পরীক্ষা দিতে হয়েছে। যিনি রান্না পারেন না, তার বানানো জিলিপি বা অন্য কোন কিছু খেতে গেলেই যিনি খাবেন, তিনি বুঝতে পারবেন দুর্গতি টা কি! খাওয়ার সময় কিছুই বলা যাবে না; কোন বদনাম করা যাবেনা শুধু আলতো করে মুখে একটা মিষ্টি হাসি ধরে রেখে বলতে হবে, “তুমি কেমন করে গান কর হে গুনি, আমি অবাক হয়ে শুনি”!   

করোনার মধ্যে আবার সিনেমা বিশারদদের দেখলাম বেশ কদর রয়েছে। সিনেমা তো কমবেশি সবাই দেখি। কেউ ক্লাসিক পছন্দ করেন, কেউ একশন ধর্মী, কেউ আবার রোমান্টিক ঘরানার। অথবা কেউ পছন্দ করেন এডভেঞ্চারাস। ফেসবুকে দেখলাম, অনেককে সিনেমার লিস্ট জিজ্ঞেস করছে, কোন কোন সিনেমা দেখা দরকার। তখন সিনেমা বিশারদ যারা আছেন, তারা দেখলাম লিস্ট দিয়েছে। 

লিষ্টের মধ্যে আবার ভাগ আছে; আর্জেন্ট, সেমি  আর্জেন্ট, অডিনারি ইত্যাদি। লিস্ট এর মধ্যে সিনেমার নামের পাশে লেখা থাকে এটা কি রোমান্টিকধর্মী সিনেমা নাকি একশনধর্মী। রোমান্টিক সিনেমার ক্ষেত্রে আবার পাশে ডট ডট আছে। মানে, এই সিনেমাতে ডট ডট  আছে সুতরাং এটা একা একা দেখতে হবে। 


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


তবে অনেকের কমেন্ট পড়ে এবং সিনেমার লিস্ট থেকে মনে হয়েছে, ডট ডট ঘরানার সিনেমা গুলো একটু বেশি জনপ্রিয়! একটা কৌতুক বলি। মাননীয় প্রেসিডেন্ট মহোদয়ের বক্তৃতা থেকে শুনেছি। তাঁর এক বন্ধু একবার সিনেমা হলে গিয়ে একটা ছবি ৪/৫ বার দেখেছেন। ওই সিনেমায় একটা দৃশ্য ছিল, নায়িকা গোসল করছে আর সেই সময় একটা মেইল ট্রেন চলে যায়। তাঁর বন্ধু সিনেমাটা দেখেছিলেন ৫/৬ বার এই আশায় যে যদি একবার মেইল ট্রেন একটু লেট করে আসে!!

পুনশ্চঃ করোনার সময় সবাই সবাইকে সাবধান করেছে, এখন করোনা, ঘর থেকে খবরদার বের হবে না; তবে বের না হয়ে আবার জনসংখ্যা বাডিয়োনা। আল্লাহর রহমতে এখন করোনা কিছুটা কমেছে, তাই উপদেশ দেয়ার মত কেউ নেই। সে সুযোগে যদি কেউ দারুন উৎসাহে কাজে নেমে পড়েন আর গাইতে থাকেন, " আজ খেলা ভাংগার খেলা, খেলবি আয়, আয়, আয় আজ......" তাহলেই বিপদ। সবসময় রবীন্দ্রনাথের কথা শুনতে নেই।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় জানার আনন্দের মতো আর কিছু নাই

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক

অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় জানার আনন্দের মতো আর কিছু নাই

অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় জানার আনন্দের কাছে পৃথিবীর সকল আনন্দ নস্যি। এর মত মজা দুনিয়ায় আর কিছু নাই। অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য আমাদের কোন কাজে লাগেনা তবুও আমরা আড়ি পেতে সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের কথা শুনতেও পছন্দ করি। 

আর আমি মনে করি মানুষকে আনন্দ দেয়ার মত পুণ্যের কাজ আর কিছু নাই। তাই আমার ব্যাপারে আজকে কিছু নতুন FAQ এর আন্সার। 
প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন- দুলাভাই কেমন আছে ? উনার অনুভূতি কি ? - দুলাভাই এর স্ত্রী বিদেশ। উনি সামান্য খারাপ থাকবেন এটাই স্বাভাবিক তবে উনার সাথে আমার দিনে ঊনচল্লিশ বার কথা হয়।

উনার সাথে আমার সামান্য টানাপোড়েন আছে যা পৃথিবীর তাবৎ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘ দাম্পত্যে থাকে। এটা খুব স্বাভাবিক। আর সুযোগ থাকলে টানাপোড়েন না বাড়িয়ে মানুষের উচিত সামান্য ভৌগলিক দূরত্ব বাড়ানো। কারন কখনো কখনো ফিজিক্যাল প্রেজেন্স মেন্টাল ডিস্ট্যান্স আরো বাড়িয়ে দেয় কিন্তু সাময়িক দূরত্ব মানুষকে আবার কাছে আনে।

তবে আমার এই অন্তর্ধান এর পেছনে দুলাভাই এর ভূমিকা সামান্যই। আমিই এর মূল কারন। আমি মনে করি দুলাভাই এর স্ত্রী এবং পুত্রদের মাতা হওয়া ছাড়াও আমার একটা পরিচয় আছে, স্বাতন্ত্র্য আছে। আমার একটা আমি আছে। সেই আমিটা যেমন সংসারী ঠিক তেমনই  বৈরাগী। 

সেই সংসারী আমি চোখ বেঁধে সংসার করেছি একুশ বছর। আমার জীবনের অর্ধেকের বেশী। তারপর বছর খানেক আগে হঠাত বৈরাগী আমি মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো। 

সত্য কথা হল, সেই শিশু বয়সে বিয়ে, তারপর সন্তান, সংসার, বাজার, রান্না এই এক রুটিনে চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম।যে বয়সে মানুষ বন্ধুদের সাথে হই হুল্লোড় করে, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবে, সেই বয়সে আমি কোলে দুই কোলে দুই বাচ্চা নিয়ে নাক মুখ গুজে সংসার করেছি।১৮ বছরের পর থেকে আমার নিজের কোন জীবন নাই।


রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

সৌদি যুবরাজ সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহবান জাতিসংঘের

ইরানের সঙ্গে আইএইএ’র সম্পর্ক নষ্টের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক


কোন পার্থিব জিনিসের অভাব ছিল না। But some very important elements had been missing. সারাক্ষণ কি যেন নাই কি যেন নাই অনুভূতি।পরে খুঁজে বের করলাম আমার আসলে কাজ নাই। 

সারাক্ষণ মনে হত এই যে মহামূল্যবান জীবনটা আল্লাহ দিলেন এইটার তো কোন সদ্ব্যবহার করা হল না।সামান্য লেখালেখির অভ্যাস সেই ঘা এ কিছুটা মলমের কাজ করছিলো।কিন্তু তবুও আমি নিজেকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। 

I was tired of the being secured , I was tired of being protected. I was tired of being so sure of everything around me. 
আমি সেই সোনার খাঁচার বাইরে বের হয়ে জগতটাকে দেখতে চাইলাম। নিজের এবিলিটি পরখ করতে চাইলাম। দেখতে চাইলাম সারাজীবন পুরুষের কাঁধে ভর দিয়ে চলা একজন নারী একা সারভাইব করতে পারে কি না।

তারপর আর কি? Veni, Vidi, Vici অর্থাৎ এলাম দেখলাম এবং জয় করলাম। শারীরিক কষ্টে অনভ্যস্ত আমি সাতদিন সাতদিন কাজ করি এখন। শরীরে হাতুড়ি পেটা টাইপ ব্যথা নিয়ে ঘরে ঢুকি, পরেরদিন আবার যাই। জানি একদিন এই কষ্ট সয়ে যাবে। সবারই যায়। 

এই ভিন দেশে এসে পিজা বেচবো, ট্র্যাভেল এজেন্সিতে টিকেট বুকিং দিবো এমনও কোন টার্গেট না। সাতদিন কষ্ট করতে হবে এরও কোন কারন নাই।প্রথমে কাজ পাচ্ছিলাম না এখন ছাড়তে পারছি না। 

আর স্বামী সন্তান রেখে আরেক দেশে এসে ডলার ইনকাম করে খুব মহাভারত অশুদ্ধ করে ফেলছি তাও না। কিন্তু মনে হয় আরেকবার সুযোগ পেলে আমি দারুণ কিছু করব, আরেকবার আমাকে বড় হতে দিলে আমি আমার সমস্ত মেধাকে কাজে লাগাবো, আরেকবার সুযোগ পেলে আমি সৃষ্টিকর্তাকে বলতে পারবো আমি আমার মহামূল্যবান জীবনের সৎ ব্যবহার করেছি।এমনি এমনি নষ্ট করি নি। 

আমি আবার আঠারো বছর বয়স থেকে শুরু করতে চাই, অনেক পড়তে চাই, অনেক কাজ করতে চাই, বিশ্বজয় করতে চাই। আমি সদ্য কিশোরীর মত চিৎকার করে বলতে চাই-
Give me some sunshine. Give me some rain. 
Give me another chance, I will grow up once again....

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পাঠক সবসময় নিজেকেই সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী ভাবে

শওগাত আলী সাগর

পাঠক সবসময় নিজেকেই সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী ভাবে

শওগাত আলী সাগর

১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন অনেকেই আছেন, যাদের বক্তব্যে নতুন চিন্তার সুযোগ তৈরি হয়। অনেক কিছুকেই নতুন করে, নতুন অ্যাঙ্গেলে দেখার একটা  আগ্রহ তৈরি করে। এঁদের আমি মনোযোগের সাথে অনুসরণ করি, কখনো কখনো অনুকরণও করি। 

ভার্চুয়াল কিংবা রিয়েল, সবক্ষেত্রেই আমার মনোযোগ থাকে নতুন কিছু জানা, নতুন কিছু শেখা।যার সঙ্গ আমাকে নতুন কিছু শেখায় না, নিদেনপক্ষে আনন্দ দেয় না- সেই সঙ্গ আমাকে বেশিক্ষণ টানতে পারে না।

২. ফেসবুক নিয়ে মুশফিক ওয়াদুদ একটা পোষ্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আমার একটা হাইপোথিসিস হচ্ছে, স্যোসাল মিডিয়া একটিভিজম নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠীর জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ তৈরি করে না। বরং উপকার করে। উপকার করে এ অর্থে  যে, মানুষের ক্ষোভের ভেন্টিলেশন হয় এবং তারপর এই ক্ষোভ কিছুদিন পর হারিয়ে যায়।”

তার পরপরই মুরাদুল ইসলাম তার নিজের একটি পোষ্টে লিখেছেন, যখন ফেসবুকে কেউ কোন বিষয়ে মত দেন, তার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা অনেকে এই বিষয়ে সেকন্ড থট দেন। এভাবে, মত প্রকাশ, চিন্তা, আরো মত প্রকাশ ইত্যাদির মাধ্যমে সমাজের ন্যারেটিভ নির্মাণ হয়।কোন সমাজের ন্যারেটিভ বাজে হইলে বুঝতে হবে, এই সমাজে বাজে লোক বেশি এটাই না, এই সমাজে ন্যায় ন্যারেটিভে কথা বলার মত অল্প লোকও নাই “

মুশফিক এবং মুরাদুলকে আমি ফেসবুকে নিবিড়ভাবে ফলো করি। মুরাদুলের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছিলো বেশ কয়েক বছর আগে তার অণুগল্প পড়ে। মুশফিকের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার ফেসবুকের পোষ্ট  পড়ে। এদের দুজনের কেউই আমার চিন্তার শতভাগ সমর্থক কিংবা আমি তাদের চিন্তার সমর্থক- বিষয়টা এমন না। কিন্তু এদের চিন্তার স্টাইল এবং দেখার চোখটা আমার পছন্দ।

৩. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুক নিয়ে সারা দুনিয়ায় এখন বড় বড় গবেষণা হচ্ছে। এসব নিয়ে পশ্চিমের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের পন্ডিতদের লেখা বইয়ে পাবলিক লাইব্রেরীর সেল্ফ ঠাসা। ফেসবুক এখন কেবল নিজের বক্তব্য দেয়ার প্লাটফরমই না,  ফেসবুক এখন পড়াশোনার, জ্ঞানার্জনের একটি সাবজেক্টও।


দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে

বিরোধীতার রকমফের

স্কুল-কলেজ যদি ৩০ মার্চ খুলে, বিশ্ববিদ্যালয় কেন ২৪ মে?


৪. মুশফিকের  ‘স্যোসাল মিডিয়া একটিভিজম নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠীর জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ তৈরি করে না’ এবং মুরাদুলের ‘মত প্রকাশ, চিন্তা, আরো মত প্রকাশ ইত্যাদির মাধ্যমে সমাজের ন্যারেটিভ নির্মান হয়’- এই দুটি বক্তব্য নিয়েই আলোচনার সুযোগ আছে। আমি নিজে মনে করি, এগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকারও।

একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া আমরা আসলে কিভাবে ব্যবহার করছি- সেই আলোচনাও প্রয়োজনীয়। ব্যক্তিজীবনে আপনার বাড়ীঘর, বাড়ীর্ চারপাশ এবং আপনার মেলামেশা বা আত্মীয়তা করার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, ভার্চুয়াল জগতকে সাজানোর ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা দরকার বলে আমার নিজের মনে হয়। 

৫. সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে মুশফিক এবং মুরাদুলের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার নিজের কিছু বক্তব্য আছে। সেগুলো আলাদাভাবে কখনো বলা যাবে। আপাতত সাংবাদিকতায় আমার প্রথম সম্পাদক আলম রায়হানের একটা কথা এখানে উল্লেখ করি। 

সাংবাদিকতায় প্রথম কর্মস্থল ‘সাপ্তাহিক সুগন্ধা’র সম্পাদক ছিলেন আলম রায়হান। তিনি একটা কথা প্রায়ই বলতেন, ‘শুনেন, পাঠক সবসময় নিজেকেই সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী ভাবে। কারো লেখা যদি তার নিজের ভাবনার সাথে, চিন্তার সাথে মিলে যায়- তা হলে সেই লেখক, সাংবাদিককেও সে জ্ঞানী লোক মনে করে। নিজের চিন্তার বিপরীত হলে তাকে নানা উপাধীতে ভূষিত করে গালাগালি করে।’

আলম রায়হানের এই কথাটাই আজকাল সবচেয়ে সত্য বলে আমার কাছে মনে হয়।বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে

আব্দুন নূর তুষার

দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে

আব্দুন নূর তুষার

বিসিএস দেশের সেরা মেধাবীদের বেছে নেয়ার পরীক্ষা। সেখানে কলাম্বিয়ার শহর Cartagena এর নাম বাংলায় লিখেছে কার্টাগেনা। ভাইরে এটার উচ্চারণ হবে কার্টাহেনা। 

কার্টাহেনা। Proper Noun যেভাবে উচ্চারিত হয় সেভাবেই লিখতে হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় অ্যালান গিন্সবার্গের কবিতার নাম লিখেছে September on The Jessore Road.

এই The আমদানী হলো কি করে? কবিতাটার নাম September on Jessore Road. 

ড. জিভাগো এর সঠিক বানান হলো Zhivago আর লেখকের নাম Pasternak. দুটো বানানই ভুল লেখা হয়েছে।

উপন্যাসকে নভেল বলার মধ্যে কি নভেলটি (Novelty) সেটা বুঝতে পারি নাই। মার্কিন তালিবান চুক্তির তারিখ কত এটা কি মনে রাখার জিনিষ? এটা কি পৃথিবীর ইতিহাসের কোন তাৎপর্যপূর্ণ তারিখ?

মোবাইল ফোনের বিল নিয়ে একটা অংক দিয়েছে। সবগুলি উত্তর ভুল। ৪২০ টাকার মোবাইল বিল বারোমাস/ একবছর পরে ১০% বাড়লে,১৩ তম মাসে এটা হবে । ৪২০ + ৪২ = ৪৬২ টাকা।

৬ মাস পরে এটা আরো ২০% বাড়লে এটা ১৮ মাস পরে কত হবে?


স্কুল-কলেজ যদি ৩০ মার্চ খুলে, বিশ্ববিদ্যালয় কেন ২৪ মে?

চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

রমজান মাসেও খুলা থাকবে স্কুল-কলেজ: শিক্ষামন্ত্রী

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আগুন


৬ মাস পরে এটা যদি বাড়ে তবে বিল হবে ১৯ তম মাসে। তাই ৬ মাস পরে ২০% বাড়লেও বিল কিন্তু ১২+৬ =  ১৮ মাস শেষ হলে ৪৬২ টাকাই থাকবে। ১৯ তম মাসে এটা হবে ৪৬২+৪৬.২০  =  ৫০৮.২০

১৯ তম মাসে তো বিল কত জানতে চায় নাই। ১৮ মাস শেষ হবার পরে বিল ২০% বাড়বে। উত্তর হওয়া উচিত ৪৬২ টাকা। কিন্তু অপশন আছে ৪৬০.২০/৫৫৪.৪০/৬২০.৬০/৭৩০.৮০.

হয়তো এগুলোর মধ্যে একটা ঠিক। আমি অংকে খুবই কাঁচা। তাই এই উত্তরগুলির ব্যাখ্যা কি সেটা জানার বড় ইচ্ছা। এরকম আরো কিছু বিষয় আছে যা দেখে মনে হয়েছে বিসিএস এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে।

এই সব প্রশ্ন কেউ মডারেট বা তদারক করে কি?

আব্দুন নূর তুষার, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। 

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিরোধীতার রকমফের

আশরাফুল আলম খোকন

বিরোধীতার রকমফের

কেউ যদি এজেন্ডা নিয়ে কারো বিরোধিতা করে তার সাথে যুদ্ধটা নৈতিকতার মানদন্ডে বিচার করা যাবে না। এই এজেন্ডাবাজরা রাষ্ট্র ও সমাজের শত্রু। তারা বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে দেশ বিরোধী অপকর্মে লিপ্ত হয়। এটাই তাদের পেশা, রুটি রুজির পথ। কিন্তু কেউ যদি আদর্শগত কারণে বিরোধিতা করেন তার সাথে যুদ্ধটা আদর্শিকই হওয়া উচিত। আদর্শিক যুদ্ধের মধ্যে দিয়েই রাষ্ট্র এগিয়ে যাবে। সমাজ আরও বেশি শিক্ষিত হবে। 

আবার আরেকগ্ৰুপ আছেন, যারা “সবসময় সব সরকার”এর দোষত্রুটি তুলে ধরেন। তাদের অবস্থা দেখলে মনে হবে তারা বিরোধী পক্ষের চেয়েও কট্টর। খুব শক্তভাবে কথা বলেন কারণ তাদের নৈতিকতার ভিত্তিটা অনেক শক্ত। তারা বিরোধিতা করেন আবার সরকারের ভালো কাজের পক্ষেও কথা বলেন। যা যেকোনো রাষ্ট্রের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কেউ বিপথে গেলে তারা সেখানে একটা ঝাকুনি দিয়ে সঠিক পথে রাখার চেষ্টা করেন। তাদেরকে রাষ্ট্রের প্রয়োজনেই দরকার। 

দেশের সবাই আপনার আমার পক্ষের হবে না। কারণ সবাই একই আদর্শের মানুষ না। বিপক্ষ গ্ৰুপ থাকবেই। এখন কে কোন কারণে বিরোধীতা করেন তা বিশ্লেষণের দাবি রাখে। সবার ক্ষেত্রে একরকমের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত নয়।


স্কুল-কলেজ যদি ৩০ মার্চ খুলে, বিশ্ববিদ্যালয় কেন ২৪ মে?

চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

রমজান মাসেও খুলা থাকবে স্কুল-কলেজ: শিক্ষামন্ত্রী

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আগুন


লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খুঁজে বের করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মজার বিষয় হচ্ছে, যারা জেল খানায় জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের সমর্থনে কথা বলেন এবং হত্যাকারীদের আদর্শকে লালন করেন তারাও এখন সোচ্চার।

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর