দিনে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত?

অনলাইন ডেস্ক

দিনে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত?

ডিম এমনই এক খাবার যার স্বাস্থ্য গুণ যেমন সর্বজনবিদিত, তেমনই ডিম খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষও প্রায় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এমন পরিস্থিতিতে একদিনে কতগুলো ডিম খাওয়া যাবে এ প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়।

যারা ডিম খেতে ভালোবাসেন, তারা একসঙ্গে একাধিক- এমনকি দিনে ৩-৪টি ডিমও খেয়ে ফেলেন। আবার অনেকেই মনে করেন, এতে কি স্বাস্থ্যহানি বা অন্য কোনো প্রভাব পড়তে পারে?

পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা প্রতিদিন শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম করেন না, তাদের কখনই দিনে দুটির বেশি ডিম খাওয়া উচিত নয়। খুব বেশি গরমের দিনে একটির বেশি কখনই খাওয়া উচিত নয়।


এক মাসে ৩৩ লাখ ছাড়াল ওবামার বইয়ের বিক্রি

চুরি করতে দেখে ফেলায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা

চাঁদপুর থেকে ঢাকায় নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ


ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তায় ডিম খেলে দুপুরের আগ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ঠিক একইভাবে ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ক্যালোরি গ্রহণ করার মাত্রাও কমে যায়। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৩০ নারীর ওপর এ গবেষণা করা হয়েছিল।

পেশি ও হাড়ের জোর বাড়াতেও সাহায্য করে ডিম। সেই সঙ্গেই কীভাবে ডিম খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। তেল না থাকার জন্য সিদ্ধ ডিম সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পায়ের যত্নে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

পায়ের যত্নে করণীয়

রোজ রোজ যাদের বাড়ির বাইরে বেরোতে হয়, তাদের পায়ে ধুলোবালি লাগাটাই স্বাভাবিক। এতে করে পা নোংরা হয়ে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার করলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।পায়ের যত্ন না নিলে ব্যথা, ফোলা, ফোসকা ও অন্যান্য সমস্যার আবির্ভাব ঘটে। তাই পা দুটিকে ভালো রাখতে চাইলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই যত্নশীল হতে হবে। প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পায়ের ত্বকের সুরক্ষা নেবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডাই হেলথ রেমিডি ডট কম’। 

পরামর্শগুলো একটু জেনে নেওয়া যাক।

পদ্ধতি  ১:

উপাদান

দই

হলুদ গুঁড়ো

প্রস্তুত প্রণালি

রোদে ত্বক পোড়ার সমস্যা বা অতিরিক্ত ধুলার কারণে পায়ের ত্বকে কালচে দাগ পড়ে। ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে ঘরে বসেই নিতে পারেন একটু পরিচর্যা। একটি পাত্রে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ দই এবং দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ দূর করতে প্যাকটি খুবই কার্যকর।

পদ্ধতি ২:

উপাদান

লেবুর রস

মধু

প্রস্তুত প্রণালি

একটি কনটেইনারে এক টেবিল চামচ মধু নিন। এর মধ্যে সম্পূর্ণ একটি লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি প্রতিদিন পায়ে ম্যাসাজ করুন। লেবুর রস ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে। আর মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

পদ্ধতি  ৩:

উপাদান

চিনাবাদাম

গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালি:

পা ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা সমাধানে চিনাবাদাম খুবই কার্যকর। এক মুঠো চিনাবাদাম পানিতে ভিজিয়ে নিন। থেঁতলে পেস্ট করে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। পায়ে ম্যাসাজ করে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের ত্বক মসৃণ ও কোমল হয়ে উঠবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার 
ঘরোয়া উপায়

বিভিন্ন কারণে চোখের নিচে কালি বা ডার্ক সার্কেল দেখা দিতে পারে। চোখের কালচে ভাব চেহারার সতেজতা অনেকটাই কেড়ে নেয়। অল্প বয়সে চেহারায় পড়ে বয়সের ছাপ।

কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে উপকারী। চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার দুই উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

শশা:

শশার মধ্যে রয়েছে ত্বক উজ্জ্বলকারী উপাদান এবং হালকা অ্যাসট্রিসজেন্ট উপাদান। এগুলো চোখের নিচের কালো দাগ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।

একটি শশাকে গোল করে কেটে ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে দিন। আক্রান্ত ত্বকে ১০ মিনিট এটি রাখুন। এবার জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
এ ছাড়া সমপরিমাণ শশা ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

কাঁচা আলু:

আলুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং অ্যাজেন্ট। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে উপকারী। পাশাপাশি এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায়।

একটা বা দুইটা আলুর খোসা ছিলে, কুচি করে এর রস বের করুন। একটি তুলার বলের মধ্যে ভেজান এবং বলটি চোখের ওপর দিন। এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখের পাতা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের জন্য দিনে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। রস দেওয়ার পাশাপাশি, আলু গোল করে কেটেও চোখের ওপর দিতে পারেন।

এছাড়া আরও কিছু উপায় রয়েছে। সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

টমেটো:

টমেটো ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই কার্যকরি। এক চা চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এমন দিনে দুইবার করুন। নিয়মিত ব্যাবহারে উপকার পাবেন।


২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

সাংবাদিকদের সঙ্গে বিজিবি কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণ


তরমুজ:

তরমুজ বিটা ক্যারোটিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এতে ৯২ ভাগ পানি রয়েছে যা শরীরকে হাইড্রেট করতে পারে। এছাড়া তরমুজে ভিটামিন এ,বি১, বি৬, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

বিটরুট:

বিটরুটের লাল রঙে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরকে ডিটক্সাইফাই করতে সহায়তা করে এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। এ ছাড়া বিটরুটে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা চোখের নিচের দাগ দূর করতে সহায়তা করে।

পেঁপে:

পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। এতে  ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সিও রয়েছে। পেঁপে প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে। এছাড়া পেঁপে ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে এবং পেঁপের অ্যান্টি-এজিং সুবিধাগুলোও আছে।

এছাড়া পানি খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমের কোন বিকল্প নেই। যত কিছুই করেন না কেন ঘুম যদি ভালো না হয় তবে চোখের নিচে কালি পড়বেই। এজন্য পর্যাপ্ত ঘুম ও নিজের শরীরের দিকে নজর দিন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

অনলাইন ডেস্ক

রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

তুলসি পাতার রয়েছে অসাধারণ ওষধি গুণ। রোগ সারাতে তুলসি পাতার তুলনা নেই। বিভিন্ন রকমের রোগ সারাতে তুলসি পাতা বেশ কার্যকর। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও তুলসি পাতার ওষধি গুণের কথা উল্লেখ ছিল। 

তুলসি পাতা নিয়মিত খেলে যেসব উপকার পাওয়া যেতে পারে-

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২-৩ টি তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিন শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়। 

ডায়াবেটিস দূরে থাকে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। প্রসঙ্গত, মেটাবলিক ড্য়ামেজ-এর হাত থেকে লিভার এবং কিডনি-কে বাঁচাতেও তুলতি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরকার ক্যান্সার সেল যাতে কোনওভাবেই জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারের কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না। 

একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর তুলসি পাতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে।

তুলসি পাতার এসব গুণাবলি সত্যি খুবই উপকারি। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করা নিয়ে আপনি চিন্তিত? তবে বলবো চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এক প্রতিবেদনে কাপড় থেকে সহজে লিপস্টিকের দাগ দূর করার বেশ কিছু টিপস দিয়েছে। টিপসগুলো একটু জেনে নেই:

টুথপেস্ট:

টুথপেস্টের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করা যায়। দাগযুক্ত জায়গায় টুথপেস্ট লাগান, তারপর হালকা করে স্ক্রাব করুন। স্ক্রাবিংয়ের পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কি করার আছে?: প্রধানমন্ত্রী

মিছিল থেকে গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের


শেভিং ক্রিম:

ছেলেদের শেভিং ক্রিমের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করতে পারেন। কাপড়ের যেখানে লিপস্টিকের দাগ লেগেছে, সেখানে শেভিং ক্রিম দিয়ে স্ক্রাব করুন। কিছুক্ষণ রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।

হেয়ার স্প্রে:

লিপস্টিকের দাগ দূর করতে হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। কাপড়ে লেগে থাকা লিপস্টিকের দাগ দূর করতে সেই জায়গায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিটের জন্য তা রেখে দিন। এরপর গরম পানি দিয়ে দাগযুক্ত জায়গায় ধীরে ধীরে ঘষুন। দেখবেন দাগ মুহূর্তেই গায়েব!

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হজম শক্তি বাড়াতে আদা বেশ কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক

হজম শক্তি বাড়াতে আদা বেশ কার্যকর

আদা একটি দারুণ মসলা। আদার রয়েছে যাদুকরি সব ওষধি গুণ। আদা আমাদের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি দেহের সুস্থতার জন্য বেশ উপকারি।আদার দারুণ সব উপকারিতা জেনে নেই। 

রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজম শক্তি। আদার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে।  

অনেক সময় আমাদের দেহে অস্থিরতা কাজ করে, তখন কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। বমি বমিভাব বা বমি হয়ে যায়। এমন সময় আপনি যদি আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করেন। তাহলে তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন। 

দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে। পেশি ব্যথায় আদা কার্যকর। 

আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী। প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আদার গুঁড়ো ১২ সপ্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে ১০ ভাগ।


মহাসমাবেশে যোগ দিতে খুলনায় ইশরাক, পথে বাধার অভিযোগ

ইহুদিদের উৎসব উপলক্ষে ইব্রাহিমি মসজিদের আজানে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে ৬ মন্ত্রণালয়

নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করে অতি উৎসাহী প্রার্থী ও নেতারা: ইসি শাহাদাত


আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা। সুতরাং ক্যান্সার এর অনেক ভাল প্রতিরোধক।

আদা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

তাই সবসময়ই আমাদের খাবারে আদা রাখা উচিত। খাদ্য তালিকায় যাই থাকুক না কেন আদা রাখাটা খুব দরকার। আদতার এই বিশেষ গুণের কারণে আদিকাল থেকেই আদার ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই এমনিতে আদা খেতে না পারলেও তরকারির সাথে আদা খাওয়া যেতে পারে। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর