প্রতিটি উপজেলা থেকে বছরে একহাজার কর্মীকে বিদেশে পাঠাবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিটি উপজেলা থেকে বছরে একহাজার কর্মীকে বিদেশে পাঠাবে সরকার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সরকার প্রতি উপজেলা থেকে বছরে গড়ে ১ হাজার কর্মীকে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'বৈশ্বিক চাহিদার ভিত্তিতে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ তৈরি, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সার্বিক অটোমেশন এবং বিভিন্ন ধরনের ডিজিটালাইজড সেবা প্রদানের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।'

শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য-‘মুজিববর্ষের আহ্বান, দক্ষ হয়ে বিদেশ যান’।

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়নে প্রবাসী কর্মী ও অনিবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির জন্যও বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে দেশে প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারকে সহজ শর্তে বিনিয়োগ ঋণ প্রদান এবং তাদের জন্য রিইন্টিগ্রেশন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে সাতশ কোটি টাকার তহবিল গঠন করে তা থেকে ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সরকার প্রধান আরো বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে সামগ্রিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদ শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করতে আমরা সক্ষম হবো। বাণীতে অভিবাসী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব অভিবাসীসহ দেশে-বিদেশে অভিবাসীদের কল্যাণে ব্যাপৃত সব ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।


করোনার ঝুঁকি এড়াতে সিডনির বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান

আজকের ফাইনালে কত টাকার পুরস্কার পাবেন খেলোয়াড়রা

এক মাসে ৩৩ লাখ ছাড়াল ওবামার বইয়ের বিক্রি

চুরি করতে দেখে ফেলায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, অভিবাসী কর্মীদের কল্যাণ ও স্বার্থসংরক্ষণ, তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোত্তম ব্যবহার এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ অভিবাসন ব্যবস্থাপনাকে নিরাপদ, স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত ও গতিশীল করতে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে বৈধ চ্যানেলে প্রেরিত রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রণোদনার সুফল হিসেবে অভিবাসী কর্মীদের শ্রম ও মেধার বিনিময়ে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে বলেও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছেন ৫১৫ জন।

মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। সে হিসাবে কোভিড-১৯ শনাক্তের ৩১১তম দিন পার করছে বাংলাদেশ।


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের উপদ্রব শুরু হয়। এটি বর্তমানে বিশ্বের ২১৩ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ১১ মার্চ কোভিড ১৯-কে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস

অনলাইন ডেস্ক

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস

সম্প্রতি কুয়েতে মুদ্রা (দিনার) ছিটিয়ে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকের অশ্লীল নৃত্যের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রবাসীদের সতর্ক বার্তা দিয়েছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। শুধু তাই নয় ওই চার প্রবাসী বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস।

আজ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই চার বাংলাদেশির সন্ধান চাওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুয়েতে প্রবাসী সকল বাংলাদেশির অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-টিকটকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চারজন বাংলাদেশিকে কুয়েতি দিনার ছিটিয়ে অশ্লীল নৃত্য করতে দেখা যায়। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কুয়েতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই ভিডিও’র সঙ্গে জড়িতদের ঠিকানা-পরিচয়-মোবাইল নম্বর জানা থাকলে দ্রুত বাংলাদেশ দূতাবাসকে (কুয়েত) জানানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা এবং স্থানীয় আইন কানুন মেনে চলার জন্য কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিটি সবার জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমরা নিজেদের মধ্যে দলাদলি করেছি, কোন্দল করেছি, বিভক্ত হয়েছি: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

আমরা নিজেদের মধ্যে দলাদলি করেছি, কোন্দল করেছি, বিভক্ত হয়েছি: মির্জা ফখরুল

একাত্তরের স্বাধীনতার স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘এই বছর আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পুরনের বছর, এই মাসটা স্বাধীনতার মাস। এই মাসে বাংলাদেশের মানুষেরা আমরা নিজেদেরকে মুক্ত করবার জন্যে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠির হাত থেকে, আমরা যুদ্ধে নেমেছিলাম। সত্যিকার অর্থে যুদ্ধ কিন্তু। কোনো খেলা খেলা যুদ্ধ নয়।

‘‘ সেই যুদ্ধে ডাক দি্য়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নামে এই প্রতিষ্ঠান। তিনি ওই সময়ে সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। তারপরে যুদ্ধ ৯মাস হয়েছে, বহু মানুষ মারা গেছে, বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে, প্রায় ১ কোটি মানুষ বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো। এখানে গণহত্যা হয়েছে। সেনা বাহিনীর লোকেরা বহু প্রথ্যাত শিল্পীকে হত্যা করেছে। এ্খন সময় এসেছে আমাদের যে, এই ৫০ বছরে আমরা কী পেয়েছি আর কি দিয়েছি।

শিশুদের উন্নয়ন ও বিকাশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে টেলিভিশনে নতুনকুঁড়ি অনুষ্ঠান চালুর কথাও তুলে ধরেন বিএনপি।

‘‘ অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলো নতুনকুড়ি অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে অনেক অনেক শিল্পী নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আমি জানি অনেকে রাজনীতি অঙ্গনে গিয়ে মন্ত্রীও হয়েছেন। এটা যখন বন্ধ হয়ে যায় তারপরেই জিয়া শিশু একাডেমী ও শাপলাকুড়ি প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমীর উদ্যোগে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ১১ তম জাতীয় শিশু শিল্পী প্রতিযোগিতা শাপলা কুঁড়ি-২০১৯ এর পুরস্কার বিতরণী এর এই অনুষ্ঠান হয়। প্রধান অতিথি মির্জা ফখরুল নিজ হাতে শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এই শিশু প্রতিযোগিতার সারা দেশে ২২ হাজার ক্ষুদে শিল্পীরা বাছাই পর্বে অংশ নিয়ে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪শ ৭৬ জন।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে শিক্ষায় অধ্যক্ষ সেলিনা আখতার, স্বাস্থ্য সেবায় অধ্যাপক হাসিনা আফরোজ, সঙ্গীতে এএসএম শফি মন্ডল, শিল্পায়নে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, প্রবাসী কল্যাণে খান মনিরুল মনি, জনপ্রতিনিধি মনিরুল আলম সেন্টু ও আদর্শ মা মৌসুমি সাহাকে কমলপদক-২০২০ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শিশুদের জন্য আবাসস্থল না করতে পারায় দায় আমাদের: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

শিশুদের জন্য আবাসস্থল না করতে পারায় দায় আমাদের: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশের শিশুদের জন্যে সুন্দর-শান্তিময় আবাসস্থল নির্মাণে সকলকে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার দুপুরে শিশু-কিশোরদের এ্কটি অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এই আহবান জানান।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার এই ৫০ বছরের আমাদের শিশুদের জন্য কি সত্যিকার অর্থে একটা ভালোবাসার দেশ, একটা প্রেমের দেশ, একটা স্বপ্নের দেশ নির্মাণ করতে পেরেছি? তখন নিজের কাছে একটা ঘৃণা আসে, ধিক্কার আসে যে না আমরা সেটা করতে পারিনি। আমরা আমাদের শিশুদের জন্য সেই আবাসস্থল তৈরি করতে পারিনি যেখানে তারা নিরাপদে গড়ে উঠবে মানুষের মতো। সেখানে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসা, শান্তিময় একটা জগত তৈরি করা সম্ভব হবে।

সকলের কাছে আমার আহবান থাকবে যে, আসুন আমরা সবাই মিলে উদ্যোগ নেই, চেষ্টা করি যে, আমরা আমাদের শিশুদের জন্যে একটা সত্যিকার অর্থেই একটা শান্তিময় নিরাপদ একটা পৃথিবী গড়ে তুলি, একটা জগত গড়ে তুলি। আসুন আমরা সবাই মিলে এই বাংলাদেশটাকে সত্যিকার অর্থেই হাসি-গান আর ফু্লের একটা দেশ বানিয়ে তুলি। এটাই হোক আমাদের লক্ষ্য।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমাদের অনেক বয়স হয়েছে। আমরা কিছু পরে হয়ত পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো। এই সময়ে কোবিডের মধ্যে আমাদের অনেক বহুগুনী মানুষ চলেও গেছেন।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


আমরা দেখে যেতে চাই সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ শিশুদের জন্যে সন্দুর, ন্যায়ভিত্তিক, সত্যভিত্তিক জগত আমরা তৈরি করতে পেরেছি, আনন্দময়-প্রেমময়। তোমাদের মধ্যেই আমাদের ভবিষ্যত দেখতে পাই।

তিনি বলেন, বার বার করে আমার মনে হয় যে, শিশুদের জন্য আবাসস্থল না করতে পারায় দায় আমাদের। আমরা যারা এদেশ স্বাধীন করেছিলাম, লড়াই করে যুদ্ধ করে. আমরা যারা কথা দিয়েছিলাম যে, এই দেশ একটা গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব, এই সমাজকে এই রাষ্ট্রকে আমরা সহনশীল, উদার একটা রাষ্ট্র গঠন করবো। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য পুরোপুরিভাবে সেটা আমরা করতে পারিনি।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সৌজন্য: বিবিসি বাংলা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তনের আভাস আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তনের আভাস আইনমন্ত্রীর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় আইনটি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। একইসাথে আইনটির কিছু ধারা বিকর্তিত উল্লেখ করে দেশব্যাপী শুরু হয় বিক্ষোভ। এমন প্রেক্ষাপটে সরকার এখন আইনটির অপপ্রয়োগ বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এ আইনে কোনো অপরাধের অভিযোগ এলে পুলিশের তদন্তের আগে কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না বা তার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া যাবে না-এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জামিন হওয়া না হওয়ার প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, সাজা যতটা হলে জামিন হবে এবং যতটা হলে জামিন হবে না-ঠিক সেই প্রিন্সিপালটা ফলো করে আমরা বিধান করেছি। সারা পৃথিবীতেই এটা করা হয়। এমনকি এ উপমহাদেশেও। বিষয়টা নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করছি। সব আইনই যখন করা হয়, তখন কিন্তু একটা ট্রায়াল অ্যান্ড এরর বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। কথা হচ্ছে, এখানে যদি কিছু অ্যাবিউজ এবং মিসইউজ হয়, সেটা কি করে বন্ধ করা হবে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি।

বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সঙ্গেও আলোচনা করার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, "জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের অফিসের সঙ্গে আমি আলাপ চালাচ্ছি। সারা বিশ্বের সঙ্গে আমরা এটার তুলনা করছি। মিসইউজ যেগুলো ধরা পড়ছে বা অ্যাবিউজ যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর জন্য একটা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স সিস্টেম কীভাবে ডেভেলপ করা যায়, এ আইনের মধ্যেই কীভাবে সেটা থাকতে পারে সেই ব্যবস্থা আমরা করছি।"

আওয়ামী লীগ সরকার নানা বিতর্কের মধ্যেই ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে। আইনটি যখন খসড়া করা হয়, তখনই গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার কর্মীরা আপত্তি তুলেছিলেন আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে। এই আইনে ৯ মাস ধরে আটক থাকা লেখক মুশতাকের মৃত্যুর পর অভিযোগ উঠেছে যে, ছয় বার আবেদন করেও জামিন মেলেনি তার।

বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, এই আইনের কারণে গণমাধ্যমের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মত প্রকাশ বা বাক স্বাধীনতা খর্ব করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শাহনাজ হুদা বলেন, "ভিন্নমত যাতে না আসে, সেজন্য সরকার আইনটি করেছিল বলে আমি মনে করি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটা ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সত্যি কথা বলতে, আমাদেরই কিন্তু ভয় লাগে কোন কিছু সম্পর্কে একটা কমেন্ট করতে। একটা সেলফ সেন্সরশিপ কিন্তু এসে গেছে সবার মনে।"

আরও পড়ুন:


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা বাক স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ মানতে রাজি নন আইনমন্ত্রী এবং সরকারের অন্য মন্ত্রীরাও। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সরকার এবং দলের উচ্চ পর্যায়ে তারা আলোচনা করছেন। ডিজিটাল দুনিয়ায় নানা অপরাধের প্রেক্ষাপটে আইনটির প্রয়োজন আছে বলেই সরকার মনে করছে।

ড. রাজ্জাক বলেন, আইনের অপব্যবহার হচ্ছে কীনা-সেটা আমরা অবশ্যই পর্যালোচনা করছি। এটা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হচ্ছে। তারপরও সাথে সাথে এটাও আমাদের চিন্তা করতে হচ্ছে যে, প্রযুক্তিগত এই সুযোগ বা সুবিধাটাকে আমরা অপব্যবহার করছি কিনা-এবং দেশের উন্নয়ন ও শান্তি আমরা বিঘ্নিত করছি কি না-এটাও আমাদের দেখতে হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আইনটি নিয়ে বিতর্ক বা সমালোচনার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমূর্তির ওপর দেশে ও বিদেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর