তুরাগ তীরে জোড় ইজতেমা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

তুরাগ তীরে জোড় ইজতেমা শুরু

রাজধানীর অদূরে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয়েছে দুই দিনের জোড় ইজতেমা।

শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে মাওলানা যোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমার কর্মসূচি শুরু হয়। বুধ ও বৃহস্পতিবার আগেভাগেই ইজতেমা ময়দানে জড়ো হন মুসল্লিরা। শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে জোড় ইজতেমার প্রথম পর্ব।

ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের পেশ ইমাম শুরা-ই-নেজামের তত্ত্বাবধানে ও তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের আহম্মেদের অনুসারী তিন চিল্লার সাথীরা এ জোড় ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।


কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর

চুরি করতে দেখে ফেলায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা

চাঁদপুর থেকে ঢাকায় নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ


এই জোড় ইজতেমায় চারটি জেলার মুসল্লিরা অংশ নিয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা জেলার দুই হাজার পাঁচশ’, গাজীপুর জেলার সাতশ’, টাঙ্গাইল জেলার চারশ’ এবং মানিকগঞ্জ জেলার চারশ’ মুসল্লি অংশ নেয়ার সীমা নির্দিষ্ট করা আছে। সব মিলিয়ে চার হাজার মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন এই জোড় ইজতেমায়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঋণ মুক্তির দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ঋণ মুক্তির দোয়া

ঋণ মানুষের জন্য মারাত্মক বোঝা। এ ঋণগ্রস্ততা মানুষের দুশ্চিন্তা, অশান্তি ও অনৈতিকতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য মুমিন মুসলমানের উচিত, আল্লাহ তাআলার কাছে ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়া। বেশি বেশি এ দোয়া করা যে, তিনি যেন ঋণ গ্রহণ ছাড়াই সব প্রয়োজন পূরণ করে দেন।

যেভাবে আশ্রয় চাইতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।  হাদিসে এসেছে- একবার হযরত আলী রা. এর কাছে এক ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধের জন্য কিছু সাহায্য চায়। এ সময় আলী রা. তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে কয়েকটি শব্দ শিক্ষা দেবো, যা আমাকে রাসূলুল্লাহ সা. শিক্ষা দিয়েছেন?


অনুমোদনের অপেক্ষায় সিএমপির ছয় থানা

৩৩৭ জনকে উপসচিব পদে পদোন্নতি

আটকে গেল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার লড়াই

শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম মাদ্রাসার শিক্ষক প্রেপ্তার


যদি তুমি এটা পাঠ করো, তাহলে আল্লাহই তোমার ঋণমুক্তির ব্যাপারে দায়িত্ব নেবেন, যদি তোমার ঋণ পর্বতসমানও হয়। এরপর আলি রা. ওই ব্যক্তিকে এই দোয়া পড়তে বলেছিলেন। (তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৬৩, আহমদ, হাদিস: ১৩২১)।

দোয়া-

আরবি:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-‘আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-বুখলি ওয়াল-জুবনি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন দ্বালা‘য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল।

বাংলা অর্থ:
 ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে। (বুখারি, ৭/১৫৮, ২৮৯৩)।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত সমূহ

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত সমূহ

নামাজকে দ্বীনের খুটি বলা হয়। খুঁটি ছাড়া যেমন ঘর হয় না, তদ্রুপ নামাজ ছাড়া দ্বীন পরিপূর্ণ হয় না। নামাজের ফরজ ও ওয়াজিবগুলো কি তা এরইমধ্যে আমাদের ‘ধর্ম ও জীবন’ অনুচ্ছেদে তুলে ধরা হয়েছে। নামাজের মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক সুন্নাত কাজ। এখানে তা তুলে ধরা হলো-

০১. তাকবিরে তাহরিমার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত ওঠানো এবং উভয় হাতের আঙ্গুলগুলো স্বাভাবিকভাবে কিবলামুখী ও খুলে (খাড়া) রাখা।
০২. পুরুষের নাভী ও মহিলাদের বুকের উপর হাত বাধা। ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠের ওপর রাখা। ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল ও কনিষ্ঠাঙ্গুল দিয়ে বাম হাতের কব্জি ধরা। বাকি আঙ্গুলগুলো বাম হাতের ওপর বিছিয়ে রাখা। মহিলারা ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখবে। কব্জি ধরতে হবে না।
০৩. তাকবিরে তাহরিমার সময় মস্তক অবনত না করা।
০৪. তাকবিরে তাহরিমাসহ এক রুকন হতে অন্য রুকনে যাওয়ার সময় ইমামের উচ্চ স্বরে আল্লাহু আকবার বলা।
০৫. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া।
০৬. প্রথম রাকাআতে ছানার পর আউজুবিল্লাহু পড়া।
০৭. প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতিহার পর বিসমিল্লাহ পড়া।
০৮. সুরা ফাতিহা শেষ হওয়ার পর আমিন বলা।
০৯. ফরজ নামাজের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাআতে শুধুমাত্র সুরা ফাতিহা পড়া।
১০. কিরাআত তথা সুরা মিলানোয় মাসনুন তরিকা অবলম্বন করা।
১১. রুকু ও সিজদায় কমপক্ষে তিনবার করে তাসবিহ পড়া।
১২. রুকুতে মাথা, পিঠ এবং কোমর সোজা রেখে দু`হাতের আঙ্গুল দিয়ে হাঁটু ধরা।
১৩. কাওমা অর্থাৎ রুকু থেকে দাঁড়ানোর  সময় ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদা এবং মুক্তাদির রাব্বানা লাকাল হামদ বলা।
১৪. সিজদায় যেতে প্রথমে হাঁটু, তারপর হাত, তারপর নাম এবং কপাল রাখা।
১৫. জালসা তথা বসা অবস্থায় দু`হাত হাটুর উপর রাখা। বাম পা বিছিয়ে পায়ের উপর বসা আর ডান পা এমনভাবে খাড়া রাখা যেন আঙ্গুলগুলোর মাথা কিবলামুখী থাকে।
১৬. আত্তাহিয়াতু পড়ার সময় লাইলাহা বলতে হাতের শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করা।
১৭. আত্তাহিয়াতুর পর দরূদ পড়া।
১৮. দরূদের পর দোয়া মাসুরা পড়া।
১৯. প্রথমে ডানে এবং পরে বামে সালাম ফিরানো।

news24bd.tv আহমেদ

আরও পড়ুন:


সূরা মুহাম্মদের বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

প্রথমবারের মতো ৭ ই মার্চ উদযাপিত হবে জাতীয় দিবস হিসাবে


 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা মুহাম্মদের বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য

অনলাইন ডেস্ক

সূরা মুহাম্মদের বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য

সূরা মুহাম্মদ পবিত্র কুরআনের ৪৭তম সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৩৮। সূরাটি হিজরতের পরে মদীনায় নাযিল হয়েছিল। সূরা মুহাম্মদের ২ নম্বর আয়াতের অংশ থেকে এই সূরার নামকরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ এটি সেই সূরা যার মধ্যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহান নামটি উল্লেখিত হয়েছে। এ ছাড়া এ সূরার আরো একটি বিখ্যাত নাম “কিতাল”। এ নামটি ২০নং আয়াত থেকে গৃহীত হয়েছে।

বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্য

সূরাটি নাযিল করা হয়েছিল ঈমানদারদেরকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার জন্য। এ বিষয়ে প্রাথমিক পথনির্দেশনা দেয়াই এর আলোচ্য ও বক্তব্য। এ দিকটি বিচার করে এর নাম “সূরা কিতাল”ও রাখা হয়েছে।

সূরার প্রথমেই বলা হয়েছে যে, এখন দুটি দলের মধ্যে মোকাবিলা হচ্ছে। এ দুটি দলের মধ্যে একটি দলের অবস্থান এই যে, তারা সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছে এবং আল্লাহর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অপর দলটির অবস্থান হলো, আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থকে তাঁর বান্দা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর যে সত্য নাযিল হয়েছিল তা তারা মেনে নিয়েছে। এখন আল্লাহ তা’আলার সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত হলো, প্রথমোক্ত দলটির সমস্ত চেষ্টা-সাধনা ও কাজ-কর্ম তিনি নিষ্ফল করে দিয়েছেন এবং শেষোক্ত দলটির অবস্থা সংশোধন করে দিয়েছেন।

এরপর মুসলমানদের সামরিক বিষয়ে প্রাথমিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদেরকে আল্লাহর সাহায্য ও দিকনির্দেশনার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। আল্লাহর পথে কুরবানী পেশ করার জন্য তাদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তাদের এ বলে সান্ত্বনা দেয়া হয়েছে যে, ন্যায় ও সত্যের পথে তাদের প্রচেষ্টা বৃথা যাবে না। বরং দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জায়গাতেই তারা ক্রমান্বয়ে এর অধিক ভাল ফল লাভ করবে।

তারপর কাফেরদের সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তারা আল্লাহর সাহায্য ও দিকনির্দেশনা থেকে বঞ্চিত। ঈমানদারদের বিরুদ্ধে তাদের কোন প্রচেষ্টাই কার্যকর হবে না। তারা দুনিয়া ও আখেরাত উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত খারাপ পরিণামের সুম্মুখীন হবে। তারা আল্লাহর নবীকে মক্কা থেকে বের করে দিয়ে মনে করেছিলো, যে, তারা বড় রকমের সফলতা লাভ করেছে। অথচ এ কাজ করে তারা প্রকৃতপক্ষে নিজেরা নিজেদের জন্য বড় রকমের ধ্বংস ডেকে এনেছে।

এরপর মুনাফিকদের উদ্দেশ্য করে কথা বলা হয়েছে। যুদ্ধের নির্দেশ আসার পূর্বে এসব মুনাফিক নিজেদেরকে বড় মুসলমান বলে জাহির করতো। কিন্তু এ নির্দেশ আসার পরে তারা ঘাবড়ে গিয়ে নিজেদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ চিন্তায় কাফেরদের সাথে ষড়যন্ত্র করতে শুরু করেছিল যাতে তারা নিজেদেরকে যুদ্ধের বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাদেরকে স্পষ্টভাবে সাবধান করে দেয়া হয়েছে যে, যারা আল্লাহ এবং তাঁর দীনের সাথে মুনাফিকীর আচরণ করে তাদেরকে কোন আমলই আল্লাহর কাছে গৃহীত হয় না। এখানে যে মৌলিক প্রশ্নে ঈমানের দাবীদার প্রতিটি ব্যক্তির পরীক্ষা হচ্ছে তা হলো, সে ন্যায় ও সত্যের সাথে আছে না বাতিলের সাথে আছে? তার সমবেদনা ও সহানুভূতি মুসলমান ও ইসলামের প্রতি না কাফের ও কুফরীর প্রতি। সে নিজের ব্যক্তি সত্তা ও স্বার্থকেই বেশী ভালবাসে না কি যে ন্যায় ও সত্যের প্রতি ঈমান আনার দাবী সে করে তাকেই বেশী ভালবাসে? এ পরীক্ষায় যে ব্যক্তি মেকী প্রমাণিত হবে আল্লাহর কাছে তার নামায, রোযা এবং যাকাত কোন প্রতিদান লাভের উপযুক্ত বিবেচিত হওয়া তো দূরের কথা সে আদৌ ঈমানদারই নয়।

আরও পড়ুন:


আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

প্রথমবারের মতো ৭ ই মার্চ উদযাপিত হবে জাতীয় দিবস হিসাবে

ভাসানচর পুরোপুরি নিরাপদ ও বাসযোগ্য এক দ্বীপ


অতপর মুসলমানদের উপদেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন নিজেদের সংখ্যাল্পতা ও সহায় সম্বলহীনতা এবং কাফেরদের সংখ্যাধিক্য ও সহায় সম্বলের প্রাচুর্য দেখে সাহস না হারায় এবং তাদের সাছে সন্ধির প্রস্তাব দিয়ে নিজেদের দুর্বলতা প্রকাশ না করে। এতে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদের দুঃসাহস আরো বেড়ে যাবে। বরং তারা যেন আল্লাহর ওপর নির্ভর করে বাতিলকে রুখে দাঁড়ায় এবং কুফরের এ অগ্রাসী শক্তির সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আল্লাহ মুসলমানদের সাথে আছেন। তারাই বিজয়ী হবে এবং তাদের সাথে সংঘাতে কুফরী শক্তি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে।

সর্বশেষে মুসলমানদেরকে আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করার আহবান জানানো হয়েছে। যদিও সে সময় মুসলমানদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ছিল। কিন্তু সামনে প্রশ্ন ছিল এই যে, আরবে ইসলাম এবং মুসলমানরা টিকে থাকবে কি থাকবে না। এ প্রশ্নের গুরুত্ব ও নাজুকতার দাবী ছিল এই যে, মুসলমানরা নিজেদেরকে এবং নিজেদের দীনকে কুফরের আধিপত্যের হাত থেকে রক্ষা করার এবং আল্লাহর দীনের বিজয়ী করার জন্য তাদের জীবন কুরবানী করবে এবং যুদ্ধ প্রস্তুতিতে নিজেদের সমস্ত সহায় সম্পদ যথা সম্ভব অকৃপণভাবে কাজে লাগাবে। সুতরাং মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যে, এ মুহুর্তে যে ব্যক্তি কৃপণতা দেখাবে সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কোন ক্ষতিই করতে পারবে না , বরং নিজেদের ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ মানুষের মুখাপেক্ষী নন। কোন একটি দল বা গোষ্ঠী যদি তার দীনের জন্য কুরবানী পেশ করতে টালবাহানা করে তাহলে আল্লাহ তাদের অপসারণ করে অপর কোন দল বা গোষ্ঠীকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভালো চাকরি পেতে যে আমল করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক

ভালো চাকরি পেতে যে আমল করতে পারেন

চাকরি কিংবা কাজ, কোনোটিই মহান আল্লাহর ইশারা ছাড়া হয় না। তাই আমরা আল্লাহর অনুগ্রহ কামনা করবো। 

উত্তম জীবিকা লাভে চাকরি বা কাজের জন্য কুরআনে বর্ণিত দোয়ায় আবেদন করা যেতে পারে। তাহলো-
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ : ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিং ফাক্বির।’

অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করবে, নিশ্চয় আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৪)

তাসবিহ:

ভালো চাকরির নিয়তে দিনে যতবার খুশি মহান আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামের আমল করা এবং বেশি বেশি পাঠ করা।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


‘ইয়া ওয়াহহাবু’

অর্থ : কোনোরূপ প্রতিদান ব্যতিত অধিক দানকারী।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে ৭টি কাজ ছেড়ে দিতে বলেছেন রাসুল (সা.)

অনলাইন ডেস্ক

যে ৭টি কাজ ছেড়ে দিতে বলেছেন রাসুল (সা.)

মানুষের কিছু অপরাধ তাকে ধ্বংস করে দেয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে সাতটি কাজ ছেড়ে দিতে বলেছেন। যে কাজগুলো মানুষ নিশ্চিত ধ্বংস হবে। জাহান্নামই হবে তার স্থান। হাদিসে পাকে এ প্রসঙ্গে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসাত্মক কাজ ছেড়ে দাও। সাহাবাগণ জানতে চাইলেন, সেগুলো কী? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-

*আল্লাহ তাআলার সঙ্গে কাউকে শরিক করা।
*জাদু করা।
*অন্যায়ভাবে কোনো প্রাণ সংহার (কাউকে হত্যা) করা।
*সুদ খাওয়া।
*ইয়াতিমের সম্পদ গ্রাস করা।
*যুদ্ধ থেকে পলায়ন করা।
*মুমিনা নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া।' (বুখারি)

রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর প্রিয় উম্মতদের বরাবরই এই সাত ধরণের অপরাধ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করতেন। আজ আমরা জানব এমন সাতটি ধ্বংসকারী বস্তু সম্পর্কে। যেগুলোর ব্যাপারে রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে সতর্ক করেছিলেন। হাদিসে ঘোষিত এ বিষয়গুলো কুরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন। তাহলো-

শিরক
শিরক অনেক বড় অপরাধ। হজরত লোকমান তার ছেলেকে শিরক না করতে নিষেধ করেন। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে উল্লেখ করেন-
‘যখন লোকমান উপদেশ স্বরূপ তার ছেলেকে বলল, হে বৎস! আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করা মহা অন্যায়।’ (সুরা লোকমান : আয়াত ১৩)

জাদু করা
ইসলামে জাদু মারাত্মক অপরাধ। যারা জাদু করে আখেরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। মহান আল্লাহ কুরআনুল কারিমে তা সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘তারা ভালোভাবেই জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোনো অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্মবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১০২)

অন্যায়ভাবে হত্যা করা
হত্যা ইসলামে জঘন্য অপরাধ। আর মানুষ হত্যা মানবতা হত্যার শামিল। গুম খুন হত্যা এত মারাত্মক অপরাধ যে, হত্যাকারীর ওপর থেকে আল্লাহ তাআলার রহমতের ছায়া সরে যায়। যাতে মানুষ মানবতা হত্যার মতো মহা অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকে সে জন্য কেসাসের বিধান দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘স্বাধীন ব্যক্তি হত্যার বদলায় স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা কর; দাসের বদলায় দাস, নারীর বদলায় নারীকে হত্যা করা।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৭৮)

হাদিসে এসেছে, ‘কেয়ামতের দিন মানুষের মাঝে সর্বপ্রথমে যে বিষয়ে ফয়সালা হবে; তাহলো রক্তপাত বা হত্যা।’ (বুখারি, মুসলিম ও মিশকাত)


‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

শেবাগ-শচিনের জুটিই হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে

মন্ত্রী ও বিধায়ককে বাদ দিয়ে প্রার্থী চূড়ান্তে মমতার চমক!

শনিবার ঢাকার যে এলাকায় যাবেন না


সুদ খাওয়া

সুদের আদান-প্রদান ইসলামে মারাত্মক অপরাধ। সুদের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে মানুষ জাহান্নামি হবে। সুদের কার্যক্রম পরিহার না করাকে ইসলামের সঙ্গে যুদ্ধ করার শামির বলে ঘোষণা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। কুরআনে এসেছে-
‘যারা সুদ খায়, তারা কেয়ামতে দাঁড়াবে, যেভাবে দাঁড়াবে ঐ ব্যক্তি; যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছে, ক্রয়-বিক্রয় তো সুদের মতোই! অথচ আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন আর সুদ হারাম করেছেন। অতপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে (সুদ) বিরত হয়েছে, আগে যা হয়েগেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোজখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৭৫)

ইয়াতিমের সম্পদ দখল করা
সমাজের সবচেয়ে অসহায় হলো ইয়াতিম। তাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে দখল করা মারাত্মক অন্যায়। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা ইয়াতিমদের প্রতি উত্তম আচরণ ও তাদের সম্পদ হেফাজত করার কথা বলেছেন। এর ব্যতিক্রম হলে ভোগ করতে হবে কঠিন পরিণতি। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘যারা ইয়াতিমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে (দখল করে) খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং অতিদ্রুত তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১০)

যুদ্ধের ক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া
ইসলামে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজ। ইসলামে বিশ্বাসঘাতকতা হারাম বা কবিরাহ গোনাহ। কুরআনুল কারিমে এ কাজের শাস্তি জাহান্নাম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখি হবে, তখন পশ্চাৎপসরণ (পলায়ন) করবে না। আর যে লোক সেদিন তাদের থেকে পশ্চাৎপসরণ করবে (পালিয় যাবে), অবশ্য যে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনকল্পে কিংবা যে নিজ সৈন্যদের কাছে আশ্রয় নিতে আসে, সে ব্যতীত অন্যরা আল্লাহর গজব সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর তার ঠিকানা হলো জাহান্নাম। বস্তুত সেটা হলো নিকৃষ্ট অবস্থান। (সুরা আনফাল : আয়াত ১৫-১৬)

মুমিনা নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া
সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া ইসলামে হারাম বা কবিরা গোনাহ। দুনিয়াতে অপবাদের অপরাধ প্রমাণিত হলে রয়েছে কঠিন শাস্তির ঘোষণা। আর পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি। 

আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতপর স্বপক্ষে চারজন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদের আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও (কোনো বিষয়ে) তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই নাফারমান। কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।’ (সুরা নুর : আয়াত ৪-৫)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআন-সুন্নায় ঘোষিত উল্লেখিত সাতটি ধ্বংসকারী কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর